আগে ঠিক করুন ড্রপ আউট হয়ে কী করবেন

আগে ঠিক করুন ড্রপ আউট হয়ে কী করবেন

পড়াশোনায় আগ্রহ পাইনা। পড়াশোনা করে আতেলরা। কত সুন্দর কাজ করছে যারা পড়াশোনা শেষ করে না। যেমন বিল গেটস, স্টিভ জবস। ড্রপ আউট হয়েও কত সুন্দর কাজ করা যায় উপার্জন করা যায়।

তিনি ড্রপ আউট হয়েছেন কিন্তু কাজ করেছেন

উত্তর: খুব মজার প্রশ্ন। আসলে শুধু বিল গেটস স্টিভ জবস কেন? আরো অনেকে আছেন। ড্রপ আউট হয়ে পরিচিত হয়েছেন এবং অমরও হয়ে গেছেন। নজরুল ইসলামের নাম কে কে শুনেছেন? কাজী নজরুল ইসলাম। আমি কিন্তু কাজী বলি নাই। কিন্তু নজরুল ইসলাম বলতেই আপনারা কাজী নজরুল ইসলাম। স্মরণ করছেন কী নিয়ে স্মরণ করছেন? তার কাজের জন্যে। তাহলে তিনি ড্রপ আউট হয়েছেন কিন্তু কাজ করেছেন। নাকি না ড্রপ আউট হয়ে কাজ করেন নি? কাজ করেছেন এবং ড্রপ আউট হয়েও কি পড়াশোনা কম করেছেন? পড়াশোনা কিন্তু অনেক। জানাশোনা অনেক। জ্ঞান অনেক। এবং আমাদের জাতীয় কবি। তার নাম যখন আমরা উচ্চারণ করি তখন ভালবেসে উচ্চারণ করি। করি না করি না? তার গান মানে কারার ঐ লৌহ কপাট ভেঙে ফেল কররে লোপাট।

নজরুলের ডিগ্রি ছিল না, কিন্তু তার ওপর গবেষণা করে অনেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেছেন

তখন মনে হয় যে এটা একেবারে ভেঙে টেঙে ফেলি। এই গান যিনি লিখেছেন তিনি আবার লিখছেন আলগা করো গো খোঁপার বাঁধন দিল ওহি মেরা ফঁস্ গয়ি। মানে আরবি ফার্সি উর্দু বাংলা সব মিলিয়ে গান। এবং এত সুর বৈচিত্র্য তার গান। এই যে সৃজনশীলতার যে ভুবন, এই ভুবনে তিনি বিচরণ করেছেন।

এইজন্যে আমরা যখন তাকে স্মরণ করি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি। তো তিনিও ড্রপ আউট ছিলেন তার কোনো ডিগ্রি ছিল না কিন্তু তার ওপরে গবেষণা করে অনেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেছেন। কবিগুরুরও কোনো ডিগ্রি ছিল না কিন্তু তার ওপরে গবেষণা করে গবেষকরা পিএইচডি লাভ করছেন। এটা হলো ড্রপ আউটের একটা ধরন।

ড্রপ আউট হয়ে দুর্বৃত্ত হয়েছে এরকম লোকের অভাব নাই

আবার ড্রপ আউট হয়ে দুর্বৃত্ত হয়েছে এরকমও লোকের কোনো অভাব নাই।

এই যে বিল গেটসের কথা বলা হলো। এই যে স্টিভ জবস। এরা কী? এরা তো আসলে দানব। কীভাবে? আইপ্যাডের উদ্ভাবক কে? স্টিভ জবস। সে কি তার ছেলেমেয়েকে আইপ্যাড দিয়েছে? না। কিন্তু অন্যের ছেলেমেয়েকে আইপ্যাড দিতে মানসিকভাবে বাধ্য করেছে মানসিক চাপ যে ছেলেমেয়েদের আইপ্যাড না দিলে পড়াশোনা হবে না। কিন্তু তার ছেলেমেয়েকে কিন্তু আইপ্যাড দেন নি। তার অবস্থা হচ্ছে যেরকম একজন মাদক বিক্রি করে বলে যে আমি তো মাদক বিক্রি করি, আমি তো খাই না, আমি দুধ খাই। আমি মদ বিক্রি করে দুধ খাই। কী? তাকে কি মানে শ্রদ্ধা করা যায়? যায় না।

প্রতারক যত বিত্তবান হোক সে কখনো আইকন হতে পারে না

তেমনি একইভাবে যে জিনিসটা- ধরুন আমি বললাম যে চিনি খাবেন না আর আপনি দেখলেন আমি চিনি খাচ্ছি। কী হবে? এটা প্রতারণা কিনা? তো এখন আমি বলছি এই দুনিয়ার ছেলেরা মেয়েরা ব্যবহার করো আর নিজের ছেলেমেয়েকে ব্যবহার করতে দিচ্ছি না। তার মানেটা কী? প্রতারণা। তো প্রতারক যত বড় হোক যত বিত্তবান হোক সে কখনো আইকন হতে পারে না। এবং প্রতারক যার আইকন হোক সে কোনোদিন বড় কাজ করতে পারবে না। একইভাবে বিল গেটস। যখন করোনা নিয়ে আমাদের দেশে আতঙ্ক প্রচার করা হলো যখন আমরা বুঝতে পারলাম যে কী হচ্ছে? আমাদের লকডাউন হতে যাচ্ছে ১৮ মার্চ ২০২০ সাল। আমরা বললাম যে করোনা হচ্ছে ইটস এ ফ্লু। ফ্লুর একটা ভেরিয়েশন হচ্ছে করোনা। করোনা নিয়ে আমাদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নাই এবং করোনা আমাদের দেশে কিচ্ছু করতে পারবে না এবং আমরা শুধু বলি নাই কিছু হবে না। এটা প্রমাণ করার জন্যে সবচেয়ে রিস্কি কাজ যেটা মনে করা হতো সেই কাজের মধ্যে আমরা ঝাঁপিয়ে পড়েছি।

করোনা থেকে আর্থিকভাবে সবচেয়ে লাভবান যারা হয়েছেন তাদের মধ্যে বিল গেটস একজন

আমাকে একজন প্রফেসার বলেছিলেন, মেডিকেলের প্রফেসার, সিনিয়ার প্রফেসার, দুঃখ করে বলছিলেন যে দেখেন গুরুজী আপনার কথার সত্যতা বুঝলাম যার জন্যে আমাকে কী করতে হলো? ফার্স্ট ডোজ নিলাম তারপরে ডাবল ডোজ তারপরে বুস্টার ডোজ তারপরে করোনা হলো (হাসি) এবং তারপরে বুঝলাম এটা ফ্লুর একটা ভেরিয়েশন। আপনার কথা বুঝতে দুই বছর লাগল এবং তার আগে (হাসি) বুস্টার ডোজ পর্যন্ত নিতে হলো। এখন কী বলছে বিশেষজ্ঞরা? যে মানে আবারও বুস্টার ডোজ নিতে হবে তারপরও করোনা হতে পারে। তো আমি কি জন্যে নেব?

যেরকম হিটলার একটা উদাহরণ, কিন্তু হিটলারকে কেউ সম্মান করে?

এই যে আতঙ্ক সারা পৃথিবী ব্যাপী, যে আতঙ্ক, আতঙ্ক সৃষ্টি করার মূল নায়ক হচ্ছেন বিল গেটস। কারণ কী হবে এই সিনারিও আরো কয়েক বছর আগে তারা এটা দেখেছেন। সিমুলেটেড গেম করেছেন তারা এবং এই করোনা থেকে সবচেয়ে লাভবান যারা হয়েছেন আর্থিকভাবে তার মধ্যে বিল গেটস একজন। কারণ তার যে মানে গেটস এন্ড মিলিন্ডা ফাউন্ডেশন। যে সমস্ত খাতে বিনিয়োগ করেছে সেই বিনিয়োগকৃত খাতের মধ্যে একটা হচ্ছে ওষুধ খাত। এবং টিকা বিক্রি করে লাভবান হয়েছেন তারা। সারা পৃথিবীতে আতঙ্ক সৃষ্টি টিকা বিক্রি। তো এরা অবশ্যই উদাহরণ হবে। যেরকম হিটলার একটা উদাহরণ। কিন্তু হিটলারকে কেউ সম্মান করে? টিক্কা খান একটা উদাহরণ। টিক্কা খানের নাম শুনেছেন? জেনারেল টিক্কা খান। আমাদের দেশে গণহত্যার নায়ক। ইয়াহিয়া খানের সেনাপতি। কিন্তু তাকে কি কেউ সম্মানের সাথে স্মরণ করে? না, উদাহরণ।

অতএব আপনি কী কাজ করছেন ড্রপ আউট হয়ে এটা ইম্পর্টেন্ট

একইরকম বিল গেটস। সফল আর্থিকভাবে। প্রচুর অর্থবিত্ত উপার্জন করেছে। ডাকাতরা প্রচুর অর্থবিত্ত উপার্জন করে। আমাদের দেশে ব্যাংক থেকে অনেক মানুষ হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে গেছে তাদের অর্থবিত্ত কি কম? তারা বিদেশে শান শওকতের সাথে আছে। কিন্তু তাদেরকে কেউ সম্মান করে কখনো? সম্মান করে না। অতএব আপনি কী কাজ করছেন ড্রপ আউট হয়ে এটা হচ্ছে ইম্পর্টেন্ট। কাজ তো করতে হবে। তারা তো কেউ ড্রপ আউট হয়ে চুরি করেছে কেউ ডাকাতি করেছে আবার ড্রপ আউট হয়ে কেউ মানুষের উপকার করেছেন। নজরুল আমাদের স্বাধীনতার জন্যে- আমরা তখন ইংরেজদের গোলাম ছিলাম। তার বিরুদ্ধে লিখে জেল খেটেছেন। কবিগুরু তার যে নাইট উপাধী কী করেছিলেন ফেরত দিয়েছিলেন জালিওয়ানালা বাগের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে। তো ড্রপ আউট হয়ে কী করছেন এটা হচ্ছে ইম্পর্টেন্ট।

যদি ভালো কাজ করতে না পারেন তাহলে তিনি কখনো স্মরণীয় হবেন না

তো আইকন সব সময় কী হতে হবে? বড় হতে হবে। মহৎ হতে হবে। আপনি মহৎ হবেন। আইকন হচ্ছেন মেন্টর। মানসিক গুরু। যিনি মডেল হিসেবে কাজ করেন একজনের জীবনে। যদি আমি এরকম হতে পারতাম। সেটা জ্ঞানে হোক গরিমায় হোক যে-কোনোকিছুতে হোক। সেটা একজন ভালো ব্যবসায়ী যিনি সৎ ব্যবসায়ী। একজন ভালো শিল্পপতি যিনি ভালো পণ্য তৈরি করছেন। সে পণ্য তৈরি করার জন্যে তিনি খ্যাতিমান হবেন তিনি বিত্তবান হবেন। কিন্তু তিনি যদি ভালো কাজ করতে না পারেন তাহলে তিনি কখনো স্মরণীয় হবেন না। তাকে মানুষ কখনো শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে না। উদাহরণ দেবে শয়তানের উদাহরণ দেয়া হয় সেইরকম উদাহরণ হবে। অতএব সব সময় মনে রাখতে হবে যে এই মানুষটাকে কি আমি অনুসরণ করতে পারি? এই মানুষটা কি ভালো মানুষ?

একজন শোষক কখনো আইকন হতে পারে না, একজন দাতা আইকন হতে পারে

যেরকম লতা মুঙ্গেশকার। লতার গান শোনেন নাই এরকম কে আছেন? খুব কম। তিনি গায়িকা হিসেবেও অপূর্ব মানুষ হিসেবেও অপূর্ব। অতএব আমরা কী বলি? আমাদের লক্ষ্যটা কী? ভালো মানুষ ভালো দেশ স্বর্গভূমি বাংলাদেশ। তো আসলে এই ভালো মানুষটা হচ্ছে মডেল। যে মানুষটা ভালো হতে হবে তাহলে তিনি সব সময় স্মরণীয় থাকবেন অন্তর থেকে। যে কারণে আমরা ভালো মানুষদের যখন স্মরণ করি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি। কিন্তু খারাপ মানুষকে আমরা উদাহরণ হিসেবে দেই। তারা কখনো আইকন হতে পারে না। একজন শোষক কখনো আইকন হতে পারে না। একজন দাতা আইকন হতে পারে। একজন ব্যবসায়ী কখনো আইকন হতে পারে না যদি তিনি মানুষের কল্যাণার্থে নিজেকে উৎসর্গ না করেন। আইকন তারাই হয়েছেন স্মরণীয় তারাই হয়েছেন যারা মানুষের কল্যাণার্থে নিজেদেরকে উৎসর্গ করেছেন।

ড্রপ আউট হয়েও অনেক বড় হওয়া যায় কিন্তু চ্যালেঞ্জটা বেশি

অতএব ড্রপ আউট হওয়াটা ইম্পর্টেন্ট না, ড্রপ আউট হয়ে আপনি কী করলেন এটা ইম্পর্টেন্ট। আর ড্রপ আউটের ঝামেলা আছে। ড্রপ আউট হয়েও অনেক বড় হওয়া যায় কিন্তু কষ্টটা বেশি চ্যালেঞ্জটা বেশি। ড্রপ আউট হয়েও আপনি অমর হতে পারেন কিন্তু ড্রপ আউট না হলে আপনি যত সহজে এগোতে পারতেন ড্রপ আউট হয়ে অত সহজে এগোতে পারবেন না।

এই যে পারবে এই আস্থাটা অর্জন করতে তার সময় লাগে

একজন যে ক্লাসে প্রথম হয় তার জন্যে জীবনটা যত সহজ একজন ড্রপ আউটের জন্যে জীবনটা তত কঠিন। তাকে শুরুই করতে হয় দুই হাত দূর থেকে। আর যিনি ক্লাসে প্রথম হন তিনি শুরু করেন দুই হাত সামনে থেকে। ও ফার্স্ট প্রথম। একসেপটিবিলিটিটা বেড়ে গেল। আর যখনি হচ্ছে ড্রপ আউট ও ড্রপ আউট। আচ্ছা পারে কি পারে না জানে কি জানে না? তাকে কিন্তু পরীক্ষা দিতে হবে। তাকে উনি আগে অনেক টেস্ট করবেন। টেস্ট করে, ও আচ্ছা ঠিক আছে ড্রপ আউট। তারপরও ড্রপ আউট হলে কী হবে, ধার আছে, পারবে। কিন্তু এই যে পারবে এই আস্থাটা অর্জন করতে তার সময় লাগে। কিন্তু যে ফার্স্ট ক্লাস হয় সে প্রথম গিয়েই ও ফার্স্ট ক্লাস। এ্যা প্রথম আহ ঠিক আছে। এ পারবে। এই সুযোগটা ড্রপ আউটের থাকে না।

যদি সফটওয়েতে যেতে চান তাহলে ফার্স্ট হতে হবে

তো যারা ড্রপ আউট হওয়ার জন্যে কী হয়? ড্রপ আউট হয়ে কী করবেন এটা আগে ঠিক করতে হবে। যে আমি ড্রপ আউট হবো জীবনটাকে যদি আরো- হ্যাঁ না আমি খুব হার্ডওয়েতে আই ওয়ানটু ফেস। তো ড্রপ আউট হবেন কোনো অসুবিধা নাই। ইটস এ হার্ড ওয়ে। আর যদি সফটওয়েতে যেতে চান তাহলে ফার্স্ট হতে হবে। এবং যে-কোনো জায়গায় যে ইনস্টিটিউটে আপনি ভর্তি হতে পারছেন, স্কুল হোক কলেজ হোক বিশ্ববিদ্যালয় হোক, যে প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারছেন সেখানে প্রথম হওয়ার যোগ্যতা আপনার আছে। শুধু রুটিন করে পড়তে হবে আর নিয়মিত মেডিটেশন করতে হবে।

যদি ড্রপ আউট হয়ে করার মতো কিছু না থাকে তো ড্রপ ইন থাকতে হবে

তো আসলে যেটা হচ্ছে যে আপনাকে চিন্তা করতে হবে যে ড্রপ আউট যে আপনি হচ্ছেন হোয়াট ফর? কী জন্যে? ড্রপ আউট হয়ে আপনি কী করবেন? এটা ইম্পর্টেন্ট। ধরুন বিল গেটস, তার গোল ঠিক ছিল যে আমি প্রযুক্তি করব। প্রযুক্তি করে আমি টাকা কামাব। ফেসবুক যে যিনি করেছেন, জুকারবার্গ হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে ড্রপ আউট হয়েছেন। ড্রপ আউট কেন হয়েছেন তার গোল ঠিক হয়ে গেছে যে আমি এইভাবে অর্থ উপার্জন। অতএব তার মানে ড্রপ আউট হতে কোনো অসুবিধা নাই। তো অতএব ড্রপ আউট হয়ে আপনি কী করবেন দেটস ইম্পর্টেন্ট। যদি ড্রপ আউট হয়ে করার মতো কিছু না থাকে তো ড্রপ আউট না ড্রপ ইন থাকতে হবে। কারণ এটা হচ্ছে সহজ পথ। আর বুদ্ধিমান মানুষ সব সময় সহজ পথে যায়।

পদ্ম কিন্তু জলে ভাসে না কারণ পদ্মের রুটস আছে

আবার কেউ কেউ আছেন হাইলি ক্রিয়েটিভ। তাদের কাছে মনে হয় যে না এগুলোর আমার প্রয়োজন নাই। কেনো তিনি যা করবেন সেই জীবনে এই ডিগ্রির কোনো- যেরকম ভ্যান গগ চিত্রশিল্পী ছিলেন। হি ওয়াজ এ ড্রপ আউট, যে দুর এগুলো দিয়ে কী হবে? এবং তিনি কী করেছেন? এঁকেছেন। ড্রপ আউট হওয়া মানে আড্ডাবাজি করা না। ড্রপ আউট হওয়া মানে রিলেশন করে ড্রপ আউট হওয়া না। রিলেশ,ন আজকাল তো রিলেশন। আমাকে একজন বলছে যে মানে আই এম গোয়িং ইউথ দি ফ্লোজ। গোয়িং উইথ দি ফ্লো থাকতে হবে তা না হলে আমাকে ক্ষ্যাত ক্ষ্যাত বলবে। ফ্লোতে কে যায়? যার কোনো রুট থাকে না। কি জলে ভাসা শেওলা। পদ্ম কিন্তু জলে ভাসে না। কারণ পদ্মের রুটস আছে। রুটস ছাড়া পদ্ম হয় না। তো জলের ওপরে ভেসে আছে কিন্তু ভেসে যায় না সে। শেওলা কী হয়? ভেসে যায়।

আমাদের একটা পরিচয় আছে যে আমরা কোয়ান্টাম

তো আসলে স্রোতে গা ভাসাবেন না কখনো। একমাত্র রুটলেস যারা তারা স্রোতে গা ভাসায়। তো আমাদের কী আছে? উই হ্যাভ এ রুট। আমাদের একটা পরিচয় আছে – উই আর কোয়ান্টাম। যে আমরা কোয়ান্টাম। আমাদের একটা পরিচয় আছে। অতএব আমার স্রোতে গা ভাসানোর কোনো প্রয়োজন নাই। আমরা নতুন স্রোত সৃষ্টি করতে পারি। এবং ইনশাআল্লাহ আমরা নতুন স্রোত সৃষ্টি করব। (দর্শকের হাততালি) এবং যারা ভেসে বেড়াতে পছন্দ করে তখন তারা আমাদের মতো করে ভেসে বেড়াবে।

[অজেয় তারণ্য, ০৮ মার্চ ২০২৩]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *