গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে আজ বছরের ২৯০তম (অধিবর্ষে ২৯১তম) দিন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা বিশিষ্টজনের জন্ম ও মৃত্যুদিনসহ আরও কিছু তথ্যাবলি।
ঘটনাবলি
১৯৭৪ : বাংলাদেশ, গ্রানাডা এবং গিনি-বিসাউ জাতিসংঘে যোগদান করে।
জন্ম
১৮৮৯ : সাতকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের সংগ্রামী ও সশস্ত্র বিপ্লবী।
১৯১৫ : আর্থার মিলার, মার্কিন নাট্যকার, প্রাবন্ধিক এবং লেখক।
মৃত্যু
১৮৮৯ : রুশ সাহিত্যিক নিকোলাই চেরনিশেভস্কি।
১৮৯০ : বাঙালি আধ্যাত্মিক বাউল সাধক, মানবতাবাদী, সমাজ সংস্কারক, দার্শনিক, অসংখ্য অসাধারণ গানের গীতিকার, সুরকার ও গায়ক লালন।
১৯৩৩ : বাঙালি, ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের শহীদ বিপ্লবী শৈলেন্দ্রচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
১৯৩৪ : নোবেলজয়ী স্পেনীয় জীববিজ্ঞানী শান্তিয়াগো রামন ই কাজাল।
১৯৩৭ : ঠাকুর পরিবারের আদি ব্রাহ্মসমাজের কর্মী ও লেখক ক্ষিতীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১৯৫৪ : বাঙালি লেখক ও সম্পাদক সত্যেন্দ্রনাথ মজুমদার।
১৯৮৩ : ফ্রান্সের বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী রেমন্ড অ্যারন।
১৯৯৩ : বাংলাদেশি সাংবাদিক এসএম আলী।
দিবস
বিশ্ব ট্রমা দিবস।
আন্তর্জাতিক দারিদ্র বিমোচন দিবস।
আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবস
আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবস আজ ১৭ অক্টোবর। দারিদ্রতা মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় অভিশাপ। আর এ অভিশাপ মোচন ও স্বাবলম্বী জীবন প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতি বছর দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
১৯৯২ সালে জাতিসংঘের সাধারণ সভার মাধ্যমে ১৭ অক্টোবরকে দারিদ্র্য বিমোচন দিবস হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। ১৯৯৩ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ দিবসটি পালন করে আসছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে দারিদ্র্যের বৈশ্বিক সমস্যা এবং এটি কীভাবে মানবাধিকার ও মানবিক মর্যাদার লঙ্ঘন তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকা মানুষের সাহস এবং তাদের দৈনন্দিন সংগ্রামের প্রতি সম্মান জানানো হয়।
একজন ব্যক্তি তার অর্জিত আয় দিয়ে দৈনিক ন্যূনতম ২২শ ক্যালরি পর্যন্ত খাদ্যদ্রব্য গ্রহণের সামর্থ্য থাকলে তাকে দারিদ্র্যমুক্ত বলা হয়। এর কম খাদ্য খেলে দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে বলে ধরা হয়। একই সঙ্গে ১৮শ ক্যালরির কম হলে অতি দরিদ্রের তালিকায় বিবেচনা করা হয়।
দারিদ্র্য বিমোচন দিবস দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাসকারী মানুষের প্রচেষ্টা এবং দৈনন্দিন সংগ্রামকে স্বীকার করে এবং তাদের চাহিদা ও উদ্বেগ জনগণের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি করে দেয়।
সমাজ বিজ্ঞানীরা মনে করেন, দারিদ্র্যের কারণে সামাজিক অপরাধ ঘটে। এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা, এ সমস্যা অবসানের জন্যে বিশ্বব্যাপী নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক দারিদ্র্য বিমোচন দিবস এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করে এবং দারিদ্র্যের সামাজিক ও পরিবেশগত কারণগুলো সমাধান করা সম্ভব বলেও উপস্থাপন করে।
সূত্র: সংগৃহীত
