রেওয়ায়েতকারীদের পরিচিতি

রেওয়ায়েতকারীদের পরিচিতি

(হাদীস বর্ণনাকারীদের মধ্যে ১২৯ জনের পরিচিতি বর্ণানুক্রমে)

সাহাবা

১.     আউফ ইবনে মালেক (রা) : আউফ ইবনে মালেক ইবনে আবু আউফ আশজায়ী।

২.     আদী ইবনে উমাইরাহ (রা) : আদী ইবনে উমাইরাহ আল কিন্দী।

৩.     আদী ইবনে হাতেম (রা) : বিখ্যাত দানবীর হাতেম তাঈয়ের পুত্র। বর্ণিত হাদীস ৪০-এর বেশি।

৪.     আদ্দা ইবনে খালেদ (রা) : আল আদ্দা ইবনে খালেদ ইবনে হাওদা।

৫.     আনাস ইবনে মালেক (রা) : খাজরাজ গোত্রের বনু নাজ্জার। নবীজীর (স) ওফাতের আগপর্যন্ত ১০ বছর আনাস (রা) তাঁর খেদমত করেন।
বর্ণিত হাদীস ২,২৮৬।

৬.     আবু আইয়ুব (রা) : প্রকৃত নাম খালেদ ইবনে জায়েদ। খাজরাজ গোত্রের বনু নাজ্জার। নবীজী (স) তার বাড়িতে আতিথ্য গ্রহণ করেন।
বর্ণিত হাদীস ১৫০।

৭.     আবু উমামা (রা) : আবু উমামা সুদাঈ ইবনে আজলান আল বাহিলী। তার বর্ণিত প্রায় ২৫০টি হাদীস বোখারী ও মুসলিম শরীফে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

৮.     আবু উসায়েদ (রা) : আবু উসায়েদ মালিক ইবনে রাবিয়া। বনু খাজরাজ।

৯.     আবু ওমর আল বারা (রা) : আনসার সাহাবী।

১০.    আবু ওবায়দা (রা) : আবু ওবায়দা ইবনে আল জাররাহ। বনু হারিস ইবনে ফিহর। নবীজী (স) তাকে আমিন-উল উম্মত ঘোষণা করেন।

১১.    আবু কাতাদা (রা) : খাজরাজ গোত্রের বনু সুলাইম। নবীজী (স) তাকে মুসলিমদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ অশ্বারোহী হিসেবে ঘোষণা করেন। বর্ণিত হাদীস ১৭০।

১২.    আবু কাবশা আমর (রা) : আবু কাবশা আমর ইবনে সাদ।

১৩.    আবু দারদা (রা) : প্রকৃত নাম উয়াইমির ইবনে জায়েদ। খাজরাজ গোত্রের বনু হারিস। নবীজীর (স) জীবদ্দশায় পুরো কোরআন মুখস্থ করেন। শতাধিক হাদীস বর্ণনা করেন।

১৪.    আবু বকর সিদ্দিক (রা) : প্রকৃত নাম আবদুল্লাহ ইবনে উসমান। কোরাইশদের বনু তাঈম। প্রথম খলিফা (৬৩২-৬৩৪ খ্রি.)।

১৫.    আবু বাকরাহ (রা) : নুফাই ইবনে মাসরুহ। মুক্ত ক্রীতদাস। বর্ণিত হাদীস ১৩৩।

১৬.    আবু বারজাহ আল আসলামী (রা) : আবু বারজাহ নাদলাহ ইবনে ওবায়েদ আল আসলামী। ওহুদ, খায়বর ও মক্কা অভিযানে অংশ নেন।

১৭.    আবু মাসউদ (রা) : আবু মাসউদ উকবা ইবনে আমর। আনসারী সাহাবী। বর্ণিত হাদীস ১০২।

১৮.    আবু মারশাদ কান্নাজ (রা) : আবু মারশাদ কান্নাজ ইবনে হুসাইন। বদরী সাহাবী।

১৯.    আবু মুসা আশয়ারী (রা) : আবু মুসা আবদুল্লাহ ইবনে কায়েস আশয়ারী। ইয়েমেনের আশায়ির গোত্রের লোক। বর্ণিত হাদীস ৩৬০।

২০.   আবু সাঈদ রাফাই (রা) : আবু সাঈদ রাফাই আল মুয়াল্লা।

২১.    আবু যর গিফারী (রা) : বনু গিফার। প্রথম ‘আসসালামু আলাইকুম’ উচ্চারণকারী। নবীজী (স) তার সম্পর্কে বলেন : আসমানের নিচে ও জমিনের ওপর আবু যরের চেয়ে বড় সত্যবাদী আর কেউ নেই। বর্ণিত হাদীস ২৩১।

২২.   আবু রাফি আসলাম (রা) : ইসলাম গ্রহণের আগে কপ্টিক খ্রিষ্টান ছিলেন। আবিসিনিয়ায় হিজরতকারী। মদীনায় নবীজীর (স) খাদেম ছিলেন।

২৩.   আবু শোরাইহ খোয়ালিদ (রা) : আবু শোরাইহ খোয়ালিদ ইবনে আমর। বনু খুজাই।

২৪.   আবু সাঈদ খুদরী (রা) : সাঈদ ইবনে মালিক ইবনে সিনান। বনু খাজরাজ। বর্ণিত হাদীস ১,১৭০।

২৫.   আবু হুরায়রা (রা) : আবদুর রহমান ইবনে সাখর। বনু দাওস। আসহাবে সুফফা। বর্ণিত হাদীস ৫,৩৭৪। ৮০০ তাবেঈ হাদীস শিক্ষা নেন তার কাছ থেকে।

২৬.   আবদুর রহমান ইবনে আবু বকর (রা) : হুদায়বিয়ার চুক্তির পর ইসলাম গ্রহণকারী। বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ও ভণ্ড নবীদের বিরুদ্ধে বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

২৭.   আবদুর রহমান ইবনে গনম (রা) : আবদুর রহমান ইবনে গনম আল আশয়ারী। ইয়েমেনের আশায়ির গোত্রের লোক।

২৮.   আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) : বনু হাশেম। বর্ণিত হাদীস ১,৬৬০।

২৯.   আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা) : নবীজী (স) তাকে হাদীস লিপিবদ্ধ করার অনুমতি প্রদান করেন। প্রথম হাদীস সংকলনের প্রণেতা। বর্ণিত হাদীস ৭০০।

৩০.   আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ (রা) : আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াজিদ আল খাতেমী।

৩১.    আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা) : বনু আদী। বর্ণিত হাদীস ২,৬৩০।

৩২.   আবদুল্লাহ ইবনে জুবাইর (রা) : জুবাইর ইবনে আওয়ামের পুত্র। বনু আসাদ।

৩৩.   আবদুল্লাহ ইবনে বুশর (রা) : আবদুল্লাহ ইবনে বুশর আল মাজিনী।

৩৪.   আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) : বনু হুদাইল। প্রথম প্রকাশ্যে কোরআন তেলাওয়াতকারী। নবীজী (স) বলেন, কোরআন যেভাবে নাজিল হয়েছে সেভাবে যদি শুনতে চাও, ইবনে মাসউদের তেলাওয়াত শোনো। বর্ণিত হাদীস ৮৪৮।

৩৫.   আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফফল (রা) : আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফফল আল মুজানী।

৩৬.   আবদুল্লাহ ইবনে সারজিস (রা) : আবদুল্লাহ ইবনে সারজিস আল মুজানী।

৩৭.   আবদুল্লাহ ইবনে সালাম (রা) : ইসলাম গ্রহণের পূর্বে নাম ছিল আল হুসাইন ইবনে সালাম। বনু কায়নুকা (ইহুদি গোত্র)। তাওরাতে পণ্ডিত হিসেবে আরবে সুপরিচিত ছিলেন। জীবদ্দশায় জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত প্রথম সাহাবী।

৩৮.   আবদুল্লাহ ইবনে হানযালা (রা) : বনু আউস। ওহুদের শহিদ হানযালার (রা) পুত্র।

৩৯.   আবদুল্লাহ ইবনে হিশাম (রা) : আবদুল্লাহ ইবনে হিশাম ইবনে জুহরা।

৪০.   আমর ইবনে আউফ (রা) : আমর ইবনে আউফ আল মুজানী।

৪১.    আমর ইবনে আবাসা (রা) : আমর ইবনে আবাসা ইবনে খালেদ আস-সুলামী।

৪২.   আমর ইবনুল আস (রা) : বনু সাহম। মিশর বিজয়ী সেনাপতি।

৪৩.   আম্মার ইবনে ইয়াসির (রা) : ইসলামের প্রথম শহিদ সুমাইয়ার (রা) পুত্র। মসজিদে নববী নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
বর্ণিত হাদীস ৪০-এর বেশি।

৪৪.   আল ফজল ইবনে আব্বাস (রা) : বনু হাশেম। বর্ণিত হাদীস ৪০-এর বেশি।

৪৫.   আলী ইবনে আবু তালিব (রা) : বনু হাশেম। চতুর্থ খলিফা (৬৫৬-৬৬১ খ্রি.)। কাতিবে ওহী। নবীজী (স) বলেন, আমি হচ্ছি জ্ঞানের নগরী আর আলী তার দরজা। বর্ণিত হাদীস ৫৮৬।

৪৬.   আসমা বিনতে ইয়াজিদ (রা) : আসমা বিনতে ইয়াজিদ ইবনে সাকান। ৮১টি হাদীস বর্ণনা করেছেন। প্রজ্ঞা ও বাগ্মিতার জন্যে সুখ্যাত।

৪৭.   আহওয়াস ইবনে হাকিম (রা) : আল আহওয়াস ইবনে হাকিম ইবনে উমাইর।

৪৮.   আয়াস ইবনে আবদুল্লাহ (রা) : আয়াস ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে জুবাব।

৪৯.   আয়েশা (রা) : আয়েশা বিনতে আবু বকর। নবীজীর (স) তৃতীয় স্ত্রী। তীক্ষ্ণ স্মরণশক্তির অধিকারী ও প্রখর বুদ্ধিমতী ছিলেন। বর্ণিত হাদীস ২,২১০।

৫০.   ইতবান ইবনে মালেক (রা) : বনু সালিম। বদরী সাহাবী।

৫১.    ইমরান ইবনে হোসেইন (রা) : খুজাহ গোত্রের লোক।

৫২.   উকবা ইবনে আমির (রা) : বনু জুহায়না। বর্ণিত হাদীস ৪০-এর বেশি।

৫৩.   উবাই ইবনে কাব (রা) : বনু খাজরাজ। কাতিবে ওহী, নবীজীর (স) জীবদ্দশায় কোরআনে হাফেজ ও নবীজীর (স) পত্রলেখক।

৫৪.   উবাদা ইবনে সামিত (রা) : বনু খাজরাজ গোত্রপতি। বর্ণিত হাদীস প্রায় ২০০।

৫৫.   উম্মে আতিয়া (রা) : নুসাইবা বিনতে আল হারিস। নবীজীর (স) সেনাপতিত্বে একাধিক যুদ্ধে অংশ নেন। বর্ণিত হাদীস প্রায় ৪০।

৫৬.   উম্মে কুলসুম (রা) : উম্মে কুলসুম বিনতে উকবা ইবনে মুআইত।

৫৭.   উম্মে সালামা (রা) : উম্মে সালামা হিন্দ বিনতে আবু উমাইয়া। বনু মখযুম। নবীজীর (স) ষষ্ঠ স্ত্রী। বর্ণিত হাদীস পৌনে চারশ।

৫৮.   উম্মে হাবিবা (রা) : রামলা বিনতে আবু সফিয়ান। বনু উমাইয়া। নবীজীর (স) স্ত্রী। ৬৫টি হাদীস বর্ণনা করেন।

৫৯.   উরওয়াহ ইবনে আমির (রা) : উরওয়াহ ইবনে আমির আল কুরাইশী।

৬০.   উসমান ইবনে আফফান (রা) : বনু উমাইয়ার ধনাঢ্য পরিবারের সফল ব্যবসায়ী। তৃতীয় খলিফা (৬৪৪-৬৫৬ খ্রি.)। কাতিবে ওহী। বর্ণিত হাদীস ১৪৬।

৬১.    উসামা ইবনে জায়েদ (রা) : জায়েদ ইবনে হারিসার পুত্র। বর্ণিত হাদীস ১২৮।

৬২.   ওবায়দুল্লাহ ইবনে মিহসান (রা) : ওবায়দুল্লাহ ইবনে মিহসান আল আনসারী।

৬৩.   ওমর ইবনে খাত্তাব (রা) : বনু আদী। দ্বিতীয় খলিফা (৬৩৪-৬৪৪ খ্রি.)।পারস্য ও রোমান সাম্রাজ্য বিলুপ্তির নায়ক। বর্ণিত হাদীস ৫৩৯।

৬৪.   ওয়াহশি ইবনে হারব (রা) : আফ্রিকান বংশোদ্ভূত। হামজাকে (রা) হত্যার প্রায়শ্চিত্ত করেন ভণ্ড নবী মুসায়লামাকে হত্যার মধ্য দিয়ে।

৬৫.   ওয়াসিলা ইবনে আল আসকা (রা) : আসহাবে সুফফার অন্যতম সদস্য।

৬৬.   কাব ইবনে মালেক (রা) : বদর ও তাবুক অভিযান ছাড়া বাকি সব অভিযানে নবীজীর (স) সঙ্গী হন। বর্ণিত হাদীস ৪০-এর বেশি।

৬৭.   কাব ইবনে উজরাহ (রা) : বায়াতে রিদওয়ানে অংশ নেন। সূরা বাকারার ১৯৬ নং আয়াত তার অসুস্থতার প্রেক্ষিতে নাজিল হয় বলে সহীহ হাদীসে বর্ণিত।

৬৮.   কাবিশা ইবনে মুখারিক (রা) : কাবিশা ইবনে মুখারিক আল হিলালী।

৬৯.   কাবিসা ইবনে বুরমাহ (রা) : কাবিসা ইবনে বুরমাহ আল আসাদী।

৭০.   খাব্বাব ইবনে আরাত (রা) : প্রথমদিকে ইসলাম গ্রহণকারী। পেশায় কর্মকার। উন্নত মানের তরবারি নির্মাণে পারদর্শী ছিলেন। বদরী সাহাবী।

৭১.    খাওলা বিনতে হাকেম (রা) : প্রথমদিকে ইসলাম গ্রহণকারী সাহাবী।

৭২.   খানসা বিনতে খিদাম (রা) : খানসার অভিযোগের প্রেক্ষিতেই নবীজী (স) নির্দেশ দেন, বিয়ের ক্ষেত্রে পাত্রীর সম্মতি আবশ্যক।

৭৩.   জয়নব (রা) : আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের (রা) স্ত্রী। বনু সাকীফ।

৭৪.   জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা) : বনু খাজরাজ। বর্ণিত হাদীস দেড় হাজারের বেশি।

৭৫.   জাবির ইবনে সুলাইম (রা) : আবু জুরাই জাবির ইবনে সুলাইম।

৭৬.   জারির (রা) : জারির ইবনে আবদুল্লাহ। বনু বাজিলা গোত্রপতি। নবীজীর (স) জীবদ্দশায় ইয়েমেনে ইসলাম প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। বর্ণিত হাদীস ২০০।

৭৭.   জায়েদ ইবনে সাবিত (রা) : মাত্র ১১ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণকারী। অন্যতম কাতিবে ওহী, নবীজীর (স) পত্রলেখক ও কোরআনের ওপর বিশেষজ্ঞ।

৭৮.   জায়েদ ইবনে খালেদ (রা) : জায়েদ ইবনে খালেদ আল জুহানি।

৭৯.   জুবাইর ইবনে আওয়াম (রা) : বনু আসাদ। আবিসিনিয়ায় হিজরতকারী। ইসলামের সফলতম সেনাপতিদের একজন। বর্ণিত হাদীস ৪০-এর বেশি।

৮০.   জুবাইর ইবনে মুতিম (রা) : বনু নওফেল।

৮১.    নাওয়াস ইবনে সামআন (রা) : আন নাওয়াস ইবনে সামআন আল আনসারী।

৮২.   নাফি ইবনে আবদুল হারিস (রা) : তায়েফের বনু সাকীফ। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। চিকিৎসা-বিষয়ক গ্রন্থ রচয়িতা।

৮৩.   নোমান ইবনে বশীর (রা) : বনু খাজরাজ। বর্ণিত হাদীস ১৬৪।

৮৪.   ফাদালা ইবনে ওবায়েদ (রা) : ফাদালা ইবনে ওবায়েদ আল আনসারী।

৮৫.   ফাতেমা বিনতে কায়েস (রা) : বনু কায়েস। বর্ণিত হাদীস ৩০-এর বেশি।

৮৬.   বারা ইবনে আজিব (রা) : আউস গোত্রের বনু হারিসা। বর্ণিত হাদীস ৩০০।

৮৭.   বুরাইদাহ ইবনে আল হাসিব (রা) : বনু আসলাম। বর্ণিত হাদীস ১৪৬।

৮৮.   মাকিল ইবনে ইয়াসর (রা) : মাকিল ইবনে ইয়াসর আল মুজানী।

৮৯.   মামের (রা) : মামের ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে নাদলাহ।

৯০.   মিকদাম ইবনে আসওয়াদ (রা) : মিকদাম ইবনে আমর আল বাহরাইনি। প্রথমদিকে ইসলাম গ্রহণকারী। ক্বারী হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলেন।

৯১.    মুগীরা ইবনে শুবা (রা) : বনু সাকীফ। বর্ণিত হাদীস ১৩৩।

৯২.   মুশতারিদ ইবনে শাদ্দাদ (রা) : আল মুশতারিদ ইবনে শাদ্দাদ আল ফিহরি।

৯৩.   মুয়াজ ইবনে জাবল (রা) : বনু খাজরাজ। নবীজীর (স) জীবদ্দশায় কোরআন সংকলনকারী। নবীজী (স) বলেন, জান্নাতে আলেমদের অগ্রভাগে থাকবে মুয়াজ।

৯৪.   মোয়াবিয়া (রা) : বনু উমাইয়া। আবু সুফিয়ানের পুত্র। উমাইয়া রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা।

৯৫.   মোয়াবিয়া ইবনে হায়দা (রা) : মোয়াবিয়া ইবনে হায়দা আল কুশায়রী।

৯৬.   রাফেহ ইবনে আমর (রা) : কিনানা গোত্রের বনু গিফার।

৯৭.   রাবিয়া ইবনে কাব (রা) : বনু আসলাম। আসহাবে সুফফা।

৯৮.   রবী বিনতে মুআউয়ায (রা) : রবী বিনতে মুআউয়ায ইবনে আফরা।

৯৯.   রাফি ইবনে খাদিজ (রা) : কৈশোরে ইসলাম গ্রহণকারী। বর্ণিত হাদীস প্রায় ৪০।

১০০.  শাদ্দাদ ইবনে আওস (রা) : আবু ইয়ালা শাদ্দাদ ইবনে আওস ইবনে সাবিত।

১০১.  সহল ইবনে সাদ (রা) : আনসার সাহাবী। প্রায় দুইশ হাদীস বর্ণনা করেন।

১০২.  সহল ইবনে হুনাইফ (রা) : আনসার সাহাবী। বর্ণিত হাদীস প্রায় ৪০।

১০৩.  সাঈদ ইবনে জায়েদ (রা) : বনু আদী। কাতিবে ওহী।

১০৪.  সাওবান (রা) : ইয়েমেনের অধিবাসী। নবীজীর (স) আজাদকৃত দাস।

১০৫.  সাদ ইবনে আবু ওয়াক্কাস (রা) : বনু জোহরা। পারস্য বিজয়ী সেনানায়ক। বর্ণিত হাদীস ২৭০।

১০৬.  সাদ ইবনে উবাদা (রা) : সাদ ইবনে উবাদা ইবনে দুলাইম। বনু খাজরাজ গোত্রপতি। দ্বিতীয় আকাবায় মনোনীত ১২ জন নকীবের একজন।

১০৭.  সাফিয়া বিনতে আবু ওবায়েদ (রা) : তায়েফের বনু সাকীফ।

১০৮.  সামুরাহ ইবনে জুন্দুব (রা) : গাতাফানদের বনু ফাজারা। বর্ণিত হাদীস ১২৩।

১০৯.  সালমান ইবনে আমির (রা) : সালমান ইবনে আমীর আদ-দাব্বী।

১১০.  সালমান ফারসি (রা) : পিতৃপ্রদত্ত নাম রুজবেহ খোশনুদান। জন্ম ও বেড়ে ওঠা পারস্যে। পবিত্র কোরআনের প্রথম অনুবাদক (ফারসি ভাষায়)। বর্ণিত হাদীস ৪০-এর বেশি।

১১১.   সালামা ইবনে আকওয়াহ (রা) : সালামা ইবনে আমর ইবনে আকওয়াহ।

১১২.   সুফিয়ান ইবনে আবদুল্লাহ (রা) : বনু সাকীফ।

১১৩.  সুফিয়ান ইবনে উসায়েদ (রা) : ইয়েমেনের হাদরামাউতের লোক।

১১৪.   সোয়াদ ইবনে মোকাররিন (রা) : সোয়াদ ইবনে মোকাররিন আল মুজানী।

১১৫.  হারিস আল আশয়ারী (রা) : আবু মালিক আল হারিস ইবনে আসিম আশয়ারী।

১১৬.  হাকেম ইবনে হিজাম (রা) : উম্মুল মুমিনীন খাদিজার ভ্রাতুষ্পুত্র। ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। শিবে আবু তালিবের অবরোধ প্রত্যাহারে ভূমিকা রাখেন।

১১৭.   হাসান ইবনে আলী (রা) : নবীজীর (স) নাতি। জ্ঞান, সহিষ্ণুতা ও দরিদ্রের প্রতি সমমর্মিতার জন্যে স্মরণীয়।

১১৮.  হুজাইফা ইবনে ইয়ামন (রা) : হুজাইফা ইবনে ইয়ামন ইবনে জাবির। তাকে বলা হতো রসুলের (স) গোপন তথ্যের সংরক্ষক।

 

তাবেঈন ও তাবে-তাবেঈন

১১৯.   আবু ইদ্রিস আল খাওলানী (র) : দামেশকে ফকীহ ও কাজী ছিলেন।

১২০.  আবু বুরদা ইবনে আবু মুসা (র) : আবু বুরদা ইবনে আবু মুসা আশয়ারী।

১২১.   আবদুল্লাহ ইবনে বুরাইদা (র) : আবদুল্লাহ ইবনে বুরাইদা ইবনে হাসিব।

১২২.  আমর ইবনে শোয়াইব (র) : আমর ইবনে শোয়াইব ইবনে মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস।

১২৩.  ইবনে আবু লায়লা (র) : আবদুর রহমান ইবনে আবু লায়লা। ১২০ জন সাহাবীর সান্নিধ্য লাভ করেন।

১২৪.  নাফি (র) : বিখ্যাত মুহাদ্দিস।

১২৫.  মাশরুক (র) : মাশরুক ইবনে আল আজদা। ইবনে মাসউদের ছাত্র।

১২৬.  সাঈদ ইবনে মুসাইয়িব (র) : ফিকহ শাস্ত্রে ব্যুৎপত্তির জন্যে প্রখ্যাত ছিলেন।

১২৭.  সুফিয়ান সাওরী (র) : আবু আবদুল্লাহ সুফিয়ান ইবনে সাঈদ ইবনে মাশরুক আল সাওরী। বিখ্যাত মুহাদ্দিস ও ফকীহ। কোরআনের তাফসির রচনার একজন পথিকৃৎ।

১২৮.  হাসান বসরী (র) : আবু সাঈদ আবুল হাসান ইয়াসার আল বসরী। শৈশবে উম্মুল মুমিনীন উম্মে সালামার (রা) তত্ত্বাবধানে বেড়ে ওঠেন।

১২৯.  হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান (র) : হুমাইদ ইবনে আবদুর রহমান ইবনে আউফ।

 

(স) : নবীজীর নামের পর উল্লেখ করা হয়। পূর্ণ রূপ ‘সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম’। এর অর্থ—তাঁর ওপর আল্লাহর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।

(রা) : সাহাবীদের নামের পর উল্লেখ করা হয়। এর পূর্ণ রূপ ‘রাদিয়াল্লাহু আনহু’ (পুরুষদের ক্ষেত্রে) বা ‘রাদিয়াল্লাহু আনহা’ (নারী সাহাবীদের ক্ষেত্রে)। এর অর্থ—তিনি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করুন।

(র) : তাবেঈ, তাবে-তাবেঈন ও বুজুর্গদের নামের পর উল্লেখ করা হয়। পূর্ণ রূপ ‘রাহমাতুল্লাহি আলাইহি’ (পুরুষদের ক্ষেত্রে) বা ‘রাহমাতুল্লাহি আলাইহা’ (নারীদের ক্ষেত্রে)। এর অর্থ—তার ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *