একটি সেনসিটিভ বিষয়। বর্তমান সময় সমকামিতার হার বেড়ে গেছে। সম্পর্কিত পাশ্ববর্তী দেশ ভারতও একে লিগ্যালাইজ করেছে এবং নতুন পাঠ্যপুস্তকে এসব বিষয়ে ইনক্লুসিভ করা হয়েছে। বাবা-মা হিসেবে সন্তানদেরকে এই সেক্সচুয়াল পার্ভার্শনের ব্যাপারটা কীভাবে সতর্ক করা যায়?
ছোটবেলা থেকেই ধর্মীয় শিক্ষা দিন
আসলে কোরআনে যদি স্পষ্ট করে বলা হতে পারে তো আপনি কেন স্পষ্ট করে বলতে পারবেন না যে, কোনটা ভালো কোনটা মন্দ? কারণ আপনি যদি না বলেন বাচ্চাকে, বাচ্চার অবস্থা বুঝে বয়স বুঝে, সে তো ভুল করবে। ভালো-মন্দ শিক্ষা সে পাবে না।
অতএব এই যে সমকামিতা, আমাদের ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গিটা তার সামনে খুব পরিষ্কারভাবে বলতে হবে। এবং ছোটবেলাতেই সতর্ক করে দেন যে, কোনটা ব্যাড টাচ কোনটা খারাপ এবং কোনটা ভালো।
বোঝান- প্রত্যেকটা কাজের একটা বয়স আছে!
এবং তাকে পরিষ্কার বোঝাতে হবে যে, বিয়ের আগে এই জিনিসটা খারাপ এই জিনিসগুলো করা যায় বিয়ের পরে। প্রত্যেকটা জিনিসের প্রত্যেক কাজের একটা বয়স আছে। আপনি মনে করবেন যে, আপনি বলছেন না, কিন্তু তার হাতে যা আছে সে কিন্তু সবই জানছে। All wrong information সে পাচ্ছে। আপনি শুধু লজ্জা করে কী করছেন? রাইট ইনফরমেশনটা তাকে দিচ্ছেন না।
বলুন- কোনো ধর্মই পার্ভার্শন সমর্থন করে না
আসলে ধরুন পাঁচ বছর ১০ বছর আগেও এই ব্যাপারে আলাপ করার কিছু ছিল না। কিন্তু আজকে জিনিসগুলো এত প্লাবনের মতো হয়ে গেছে যে, বাচ্চাদের হাতে জিনিসগুলো যেভাবে চলে গেছে এই ব্যাপারে আমাদের অভিভাবকদের রাগ-ঢাক করাটা হচ্ছে বোকামি। কারণ সে তাহলে ভুল জিনিসটাকেই ঠিক মনে করবে।
অতএব এই ব্যাপারে ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি কী এটা খুব পরিষ্কারভাবে বোঝাতে হবে। কোরআনের শিক্ষা কী এটা পরিষ্কারভাবে বোঝাতে হবে। এবং কোনো ধর্মই যে পার্ভার্শনকে এলাউ করে না এটা তাকে বোঝাতে হবে।
সে যদি সত্যিকারের জ্ঞান পায় এর মধ্যে নাইনটি পার্সেন্ট এই পাপ থেকে এই ভুল থেকে সে বেঁচে থাকবে। এবং এই ইনফরমেশনটা তাকে বলতে হবে।
[প্যারেন্টিং ওয়ার্কশপ, ২৭ মে ২০২৩]
