1. admin@hostpio.com : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
  2. azmulaziz2021@gmail.com : Azmul Aziz : Azmul Aziz
  3. musa@informationcraft.xyz : musa :
বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ০৬:২১ অপরাহ্ন

বঙ্গবন্ধু মডেল ভিলেজের আওতায় ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা

  • সময় শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০
  • ৪৫ বার দেখা হয়েছে

গ্রামের আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে উন্নত গ্রামীণ জীবনযাপনের সুযোগ এবং গ্রাম থেকে শহরমুখী স্রোত হ্রাস করতে ‘বঙ্গবন্ধু মডেল ভিলেজ’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ১০টি গ্রামের মানুষ শহরের সব সুযোগ-সুবিধা পাবেন। প্রতিটি স্বয়ংসম্পূর্ণ গ্রামে বিদ্যুৎ, পানি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, উন্নত স্যানিটেশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, আধুনিক রাস্তাঘাট, মার্কেট, খেলার মাঠ, পার্ক এবং বিনোদন কেন্দ্র তৈরি করা হবে। প্রাপ্য সব নাগরিক সুবিধা দিয়ে তৈরি করা হবে ‘মডেল গ্রাম’। ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’ ধারণায় গ্রামের বৈশিষ্ট্য সমুন্নত রেখে ‘বঙ্গবন্ধু মডেল ভিলেজ’ প্রকল্পের প্রস্তাবনা তৈরি করেছে।   এর মাধ্যমে গ্রামের বৈশিষ্ট্য সমুন্নত রেখে গ্রামীণ সম্পদের সুষ্ঠু ও সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করা, গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষির আধুনিকায়ন ও যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি, জৈব জ্বালানির ব্যবহার, যোগাযোগ ও বাজার অবকাঠামো সৃষ্টি, স্বাস্থ্য-শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে কমিউনিটির সচেতনতা বৃদ্ধি, তথ্যপ্রযুক্তিগত অবকাঠামো সৃষ্টির মাধ্যমে সব সেবা সহজলভ্য করা হবে।

দেশের ১০ জেলার ১০ উপজেলার ১০ গ্রামের গড়ে পাঁচ হাজার জন করে মোট ৫০ হাজার মানুষ প্রকল্পটির উপকারভোগী হবেন। দেশের ১০ জেলার ১০ উপজেলার ১০ গ্রামের মধ্যে  রয়েছে  ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা। এছাড়াও রয়েছে  গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া, টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী, জামালপুরের মাদারগঞ্জ, কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ, সুনামগঞ্জের দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, যশোরের মনিরামপুর, রংপুরের মিঠাপুকুর, রাজশাহীর তানোর, বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে।

গ্রামে যেসব পরিবর্তন আসবে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রামের প্রতি ইঞ্চি জমি আবাদের আওতায় আসবে অর্থাৎ এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি থাকবে না। রাস্তার ধার, নদীর পাড়, মাঠ এবং বাড়ির আঙিনায় আবাদ করা হবে। কোনো পুকুর মাছ চাষহীন থাকবে না। যৌথ পদ্ধতিতে চাষাবাদ হবে। কৃষিতে যন্ত্রের ব্যবহারের প্রচলন থাকবে। পরিবেশবান্ধব ও পানিসাশ্রয়ী সেচ ব্যবস্থা থাকবে। কীটনাশক ও রাসায়নিক সারের পরিমিত ব্যবহার থাকবে এবং জৈব বালাইনাশকের ব্যবহার অনুশীলন করা হবে। কৃষি বহুমুখীকরণ চর্চা থাকবে। কৃষিপণ্যের বাজার নেটওয়ার্ক থাকবে। ফসলের সময়ের বাইরে (অফ-সিজন) কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে পশুপালন, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও কুটির পণ্য উৎপাদন ব্যবস্থা থাকবে।

এছাড়া গ্রামীণ অতি দরিদ্র ৬ শতাংশে নেমে আসবে। গ্রামে অপরাধ প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে কমবে। থাকবে না মাদক গ্রহণকারী ও মাদক কারবারি। নিষিদ্ধ থাকবে বাল্যবিয়ে ও যৌতুক প্রথা। বিরোধ নিষ্পত্তি করা হবে সালিশ-মীমাংসার মাধ্যমে। কমে যাবে মামলা-মোকদ্দমার হার। গ্রামের লোক পাবে শতভাগ চিকিৎসা সুবিধা। স্কুলে ভর্তির হার শতভাগ এবং ঝরে পড়ার হার কমবে উল্লেখযোগ্য হারে। নারীর প্রতি সহিংসতা থাকবে না। কোনো শিশু ও নারী পুষ্টিহীন থাকবে না। থাকবে ঘরে ঘরে বিদ্যুতের ব্যবস্থা। গ্রামের জনগণ তথ্যপ্রযুক্তিগত সুবিধা লাভ করবে। জনগোষ্ঠী উজ্জীবিত থাকবে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়। অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্ধুদ্ধকরণের মাধ্যমে সামাজিক সংহতি ফিরিয়ে আনা হবে। পরিবেশ সুরক্ষায় কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে শতভাগ পরিবেশবান্ধব গ্রাম হিসেবে আবির্ভূত হবে প্রকল্পভুক্ত ১০ গ্রাম।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, গ্রামকে শহরের পর্যায়ের নাগরিক সুবিধা দেয়া হবে।প্রথমে যে ১০ গ্রামপাইলট প্রকল্পের আওতাভুক্ত হবে, সেখানে শহরের সুবিধাগুলো গ্রামে বসে পাবে। যেমন শিক্ষার জন্য স্কুলগুলো মানসম্পন্ন হবে, ইন্টারনেট সংযোগ দেব, যেন তারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করতে পারে। প্রতিটি বাড়িতে স্যানিটারি ব্যবস্থা করে দেব, শতভাগ বিদ্যুৎ দেব (যেটি এখনো অনেকক্ষেত্রে আছে), কমিউনিটি সেন্টার হবে, যেখানে বসে গ্রামের লোকরা উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করবে। এমন অনেক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।’

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM