1. admin@hostpio.com : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
  2. azmulaziz2021@gmail.com : Azmul Aziz : Azmul Aziz
  3. musa@informationcraft.xyz : musa :
বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ০৬:৩৮ অপরাহ্ন

অক্সফোর্ডের টিকার অনুমোদন দিলো ভারত

  • সময় শনিবার, ২ জানুয়ারি, ২০২১
  • ৪২ বার দেখা হয়েছে

নতুন বছরের প্রথম দিনেই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার করোনা টিকার অনুমোদন দিয়েছে ভারতের এ সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ কমিটি। এখন ড্রাগ কন্ট্রোলারের অনুমোদন পেলেই অক্সফোর্ডের টিকাদান কর্মসূচির প্রক্রিয়া শুরু হয়ে হবে। তখন কবে থেকে ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হবে তা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়ে দেবে।

বিশেষজ্ঞ কমিটি শুক্রবার দুইটি ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছে। এ সময় অক্সফোর্ডের টিকার অনুমোদন দেওয়া হয়। ভারত বায়োটেক এবং ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চের তৈরি করা ভ্যাকসিন নিয়ে রাত পর্যন্ত আলোচনা করেছে কমিটি।

ফাইজার-বায়োএনটেক-ও ভ্যাকসিনের অনুমোদনের জন্য আবেদন করেছিল। কিন্তু তারা জানিয়েছে, যাবতীয় তথ্য জমা দিতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। তাই শুক্রবার দুইটি ভ্যাকসিন চালু করা নিয়েই কমিটি আলোচনা করেছে। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন জানিয়ে দিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকার তাকে জানিয়েছে জানুয়ারিতেই ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়ে য়াবে।

এদিকে শনিবার থেকেই ভারতে শুরু হচ্ছে করোনার টিকাদান কর্মসূচির মহড়া। অর্থাৎ, টিকা দেওয়ার পরিকাঠামো শেষবারের মতো দেখে নেওয়া। যাদের প্রথমে টিকা দেয়া হবে, সেই চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ভ্যাকসিন সেন্টারে নিয়ে পর্যালোচনা করা হবে, সবকিছু মসৃণভাবে চলছে কি না।

ভারতের মতো ১৩০ কোটি মানুষের দেশে সবাইকে করোনার প্রতিষেধক দেওয়াটা বিশাল কর্মযজ্ঞ। সামান্য অসতর্কতায় বড় বিপদ ঘটে যেতে পারে। সেজন্য সব রাজ্যে মহড়া দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রথমে টিকা পাবেন। তারপর দেওয়া হবে পুলিশ, পৌরসভার কর্মীসহ করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পুরোভাগে থাকা কর্মীদের। সেই সঙ্গে বয়স্ক নাগরিক এবং যারা শ্বাসকষ্ট, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন গুরুতর রোগে ভুগছেন, তারা করোনার টিকা পাবেন। তারপর অন্যদের পালা আসবে।

সেরামের হাতে এখনই সাত কোটির মতো ভ্যাকসিন রয়েছে। দুইটি ডোজে টিকা নিতে হবে। এখনই সাড়ে তিন কোটি মানুষকে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন দেওয়ার সুযোগ রয়েছে ভারতের। মার্চের মধ্যে আরও তিন কোটি টিকা তাদের হাতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিনটি ২০২০ সালের গোড়ার দিকে ডিজাইন করা হয়েছিল। এপ্রিলে প্রথম এটি স্বেচ্ছাসেবীদের ওপর পরীক্ষা করা হয়। পরে হাজার হাজার মানুষের ওপর ব্যাপক আকারের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালানো হয়। ফাইজার-বায়োএনটেকের ভ্যাকসিন যেমন ৭০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, এটিতে তা নেই। সাধারণ ফ্রিজেই এটি সংরক্ষণ করা সম্ভব।  সূত্র: ডিডব্লিউ।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM