1. admin@hostpio.com : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
  2. azmulaziz2021@gmail.com : Azmul Aziz : Azmul Aziz
  3. musa@informationcraft.xyz : musa :
শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৬:১৮ অপরাহ্ন

ভূমধ্যসাগরের জলসীমানা নিয়ে তুরস্ক – গ্রীসের ধূম্রজাল কাটবে কি?

  • সময় সোমবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২১
  • ৫৬ বার দেখা হয়েছে

গ্রীস ও তুরস্কের নীতিনির্ধারকদের আজ আলোচনায় বসার কথা।দুই দেশের মধ্যে ভূমধ্যসাগর নিয়ে দীর্ঘদিনের টানাপোড়ন লেগেই আছে।অনেকেই ধারনা করছেন; তাহলে কি ভূমধ্যসাগর জলসীমানা নিয়ে তুরস্ক-গ্রিসের দ্বন্দ্ব কি কাটতে যাচ্ছে? সোমবার দুই দেশের বৈঠকে সেই সম্ভাবনাই উঁকি দিচ্ছে। এই বিষয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক পর্যায় থেকেও ইতিবাচক মনোভাবের আভাস মিলছে।

গ্রীসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিকোস ডেনডিয়াস দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বৈঠক নিয়ে অ্যাথেন্সের দিক থেকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আশা করেন তুরস্কও একই মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসবে। অন্যদিকে, বিতর্কিত জলসীমানায় গ্যাস অনুসন্ধান থামিয়ে আলোচনার পথটি প্রশস্ত করেছে তুরস্কও। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ইউরোপীয় নেতাদের আগামীতে তুরস্ক সফরে যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে।
অবশ্য দুই পক্ষ থেকে যতই রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রকাশ পাক না কেন শরণার্থী, মানবাধিকার, জলসীমানা ও বিভিন্ন জায়গায় সামরিক হস্তক্ষেপসহ বিস্তর দ্বন্দ্ব নিরসনটা একেবারে সহজ হবে না বলে মনে হচ্ছে। কূটনীতিকরাও মনে করছেন শুধু কথায় নয় সম্পর্কোন্নয়নে তুরস্ককে বিতর্কিত জলসীমা থেকে জরিপ জাহাজ সরিয়ে নেওয়াসহ আরো কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে, যে কারণে আঙ্কারার ওপর অবরোধ আরোপের ব্যাপারে ইউরোপের কয়কেটি দেশের উপর চাপও রয়েছে।

এসব বিষয়ে এবছরের মার্চে ইউরোপীয় নেতাদের একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে তুরস্ক-গ্রিসের বৈঠক নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান জোসেপ বরেল একটি ‘সম্ভাবনার দ্বার’ দেখতে পাচ্ছেন। যদিও এজন্য আঙ্কারাকে ‘বিরোধের পথ’ এড়িয়ে আলোচনার পথে হাঁটতে হবে বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান তিনি।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসোগলু গত সপ্তাহে বেলজিয়াম সফরে গিয়েছিলেন। তিনি একে আঙ্কারা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে ‘ইতিবাচক পরিবেশ’ বজায় রাখার মিশন হিসেবে অভিহিত করেছেন। আগামী দুই মাসের মধ্যে নিয়ইয়র্কে ভূমধ্যসাগরে জলসীমানা নিয়ে বিরোধ থাকা সাইপ্রাসের সঙ্গেও বৈঠক হবে বলে শুক্রবার জানান তিনি।
তবে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের মনোভাব পরিবর্তনের পেছনে অর্থনৈতিক কারণও দেখছেন অনেকে। কভিড করোনা ভাইরাসের কারণে দেশটির অর্থনীতি মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। তার ওপর আন্তর্জাতিকভাবে নানা টানাপোড়েনও সেখানে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। বাণিজ্যিক কারণেও তাই সবচেয়ে বড় অংশীদার ইউরোপের সঙ্গে দেশটির সম্পর্ক ভালো রাখা দরকার। অনেকে মনে করেন, সেই প্রেক্ষাপটেই নভেম্বরে বিচার বিভাগ পুনর্গঠনেরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। ২০১৬ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর দেশটিতে আইনের শাসন নিয়ে লাগাতর সমালোচনা করে আসছিল ইউরোপ।

সূত্র: ডয়চে ভেলে বাংলা

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM