1. admin@hostpio.com : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
  2. azmulaziz2021@gmail.com : Emon : Armanul Islam
  3. musa@informationcraft.xyz : musa :
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৬:২০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মক্কা ও মদীনার দুই পবিত্র মসজিদে ২০০ নারী নিয়োগ ডেনিমে বিশ্বের প্রভাবশালীদের তালিকায় বাংলাদেশির নাম নবীজী (স) সবচেয়ে বেশি নিতেন মুখের যত্ন! ইতিহাসে অক্টোবর ১৬ – সমাজসেববক, স্বদেশী আন্দোলনের নেত্রী মনোরমা বসু মাসীমা এর মৃত্যুদিন সৌদি বাদশা ফাহাদ বাংলাদেশের প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীমকে “মুহিব্বুল খায়ের” হিসেবে উপাধিতে ভূষিত ইতিহাসে অক্টোবর ১৫ – বিজ্ঞানী ও একাদশ রাষ্ট্রপতি ড. এ পি জে আব্দুল কালাম জন্মগ্রহন করেন ময়মনসিংহে শ্রমিকদের জন্য কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প গুনাহের শাস্তির জন্যে এসে নিয়ে গেল ঝুড়িভরা খেজুর! ইতিহাসে অক্টোবর ১৪ – খ্যাতনামা রবীন্দ্র বিশারদ পুলিনবিহারী সেন এর মৃত্যুদিন মোস্তফা পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী

আলসার থাকলে রোজা রাখা যায় না

  • সময় শনিবার, ১ মে, ২০২১
  • ১৪২ বার দেখা হয়েছে

রোজার ব্যাপারে কয়েকটি ভুল ধারণা

ইসলামের যে নির্দেশনাগুলো শত শত বছর ধরে প্রতিপালিত হতে হতে একসময় সংস্কৃতিরও অংশ হয়ে গেছে, রোজা তার একটি। তবে সংস্কৃতিকরণের এই প্রক্রিয়ায় মাঝে মাঝে ঢুকে গেছে নানারকম অবিদ্যা বা ভুল ধারণা ও দৃষ্টিভঙ্গি। ধর্মের মূল নির্যাস থেকে যেমন তা সরে গেছে, তেমনি আচারসর্বস্ব এই চর্চার ফলে মানুষ বঞ্চিত হচ্ছে রোজার শারীরিক মানসিক, আত্মিক উপকার থেকে। তেমনি কিছু ভুল ধারণা নিয়েই এ সংকলন-

আলসার থাকলে রোজা রাখা যায় না

আলসার রোগীদের একটা ধারণা আছে যে, তারা রোজা রাখতে পারবেন না। কারণ রোজাতে দীর্ঘ না খাওয়া, তাদের আলসার বাড়িয়ে দেবে। কিন্তু কোনো কোনো আলসার, যেমন, পেপটিক আলসারের সবচেয়ে ভালো চিকিৎসাই হলো রোজা। কারণ খাওয়ার পর একজন মানুষের পাকস্থলীতে যে এসিড নিঃসরণ হয়, রোজার সময় তা কমে যায়। কারণ তখন সে না খেয়ে থাকে। যে কারণে রোজা রাখলে পেপটিক আলসারের রোগীদের সমস্যাগুলো অনেক কমে যায়।

রোজার মাসে খাবারের কোনো হিসাব নাই

একটা ধারণা সাধারণভাবে প্রচলিত আছে যে, রোজার মাসে খাবারের কোনো হিসাব নাই। অর্থাৎ রোজা রাখার পর ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত একজন মুসলমান হালাল হলে যে-কোনো খাবার- যত খুশি খেতে পারে, আকণ্ঠ পান করতে পারে। ধর্মে তাকে এই ছাড় দেয়া হয়েছে। আর এই অবিদ্যাপ্রসূত ধারণারই ফসল হলো – অন্য সময় আমরা যা খাই, রোজার সময় তার চেয়ে বেশি খাই। অন্য সময় যদি দুবেলা খাই (কারণ অনেকেই নাশতা বা দুপুরের খাবার যে-কোনো একটা খুব হালকা করেন), তো রোজার মাসে খাই তিনবেলা। ইফতারে ভূরিভোজ, তারপর ডিনার এবং শেষরাতে ভরপেট সেহরি। রোজার মাসে আমাদের খরচ বেড়ে যায়, বাড়ে দ্রব্যমূল্য। আর ব্যবসায়ীরাও এ সুযোগে আয়োজন করেন রমজান ফেস্টিভাল, ইফতার ফেস্টিভাল (!) ইত্যাদি। অর্থাৎ খাদ্যসংযমের একটি পবিত্র ধর্মবিধানকে আমরা রূপান্তরিত করেছি খাদ্য উৎসবের আয়োজনে!

কিন্তু ধর্ম কি তা বলে? রমজানের যে আরবি প্রতিশব্দ ‘সিয়াম’- সেই সিয়ামের আক্ষরিক অর্থই হলো ‘সংযম’। এবং এ সংযম শুধু খাবার বা পানি থেকে সংযম নয়, এটা চিন্তায়, কথায়, আচরণে – সবক্ষেত্রেই। কাজেই যুক্তি বলে, রমজানের এই একমাসের সংযম চর্চা একজন মানুষের ভোজন প্রবণতাকে কমাবে, তার বাড়তি ওজন কমবে, কমবে খাওয়াবাবদ তার খরচ। যদি তা না হয়, তাহলে বুঝতে হবে রোজার মৌলিক দৃষ্টিভঙ্গিতেই তার ভ্রান্তি আছে।

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM