1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
  2. [email protected] : Emon : Armanul Islam
  3. [email protected] : musa :
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন

ইতিহাসে মে ২৫

  • সময় বুধবার, ২৬ মে, ২০২১
  • ২৯৪ বার দেখা হয়েছে

গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে আজ বছরের ১৪৫তম (অধিবর্ষে ১৪৬তম) দিন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম ও মৃত্যুদিনসহ আরও কিছু তথ্যাবলি।

ঘটনাবলি

১৯৩৬ : নিগ্রো ক্রীড়াবিদ জেসি ওয়েন বার্লিন অলিম্পিকে ৪টি বিশ্বরেকর্ড ভঙ্গ করেন।
১৯৭১ : মুজিবনগর থেকে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান সম্প্রচার শুরু।
১৯৭২ : বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় আর্জেন্টিনা।
২০১৮ : শান্তি নিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

জন্ম

১৭৫১ : হ্যালহেড, বাংলায় মুদ্রিত প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থের রচয়িতা।
১৮০৩ : রালফ ওয়ালডো এমারসন, যুক্তরাষ্ট্রে খ্যাতনামা কবি এবং লেখক।
১৮৮৯ : ইগর সিকোরস্কি, হেলিকপ্টারের উদ্ভাবক রুশ-মার্কিন বিজ্ঞানী।
১৮৯৯ : কাজী নজরুল ইসলাম, বিদ্রোহী কবি, সাহিত্যিক, সম্পাদক ও বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
১৯০২ : অমূল্যধন মুখোপাধ্যায়, অধ্যাপক, গবেষক ও সাহিত্যিক।
১৯০৬ : রামকিঙ্কর বেইজ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিখ্যাত ভাস্কর।

মৃত্যু

১৯২৪ : শিক্ষাবিদ, কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘ সময়ের ভাইস-চ্যান্সেলর আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
১৯৪১ : ব্রতচারী আন্দোলনের পথিকৃৎ ও সমাজকর্মী গুরুসদয় দত্ত
২০০১ : কিউবান আলোকচিত্র শিল্পী আলবের্তো কোর্দা

দিবস

বিশ্ব থাইরয়েড দিবস।

কাজী নজরুল ইসলাম

কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি। অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক মানবতার কবি। ছোটবেলায় তার ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ– দুই বাংলাতেই তার কবিতা ও গান সমানভাবে সমাদৃত। শুধু কবিই নন, তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, সঙ্গীতজ্ঞ ও দার্শনিক; যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী ভূমিকা রাখার পাশাপাশি প্রগতিশীল প্রণোদনার জন্যে সর্বাধিক পরিচিত। মানবতা, সম্প্রীতি এবং শান্তি ছিল তার জীবনদর্শন।

জন্মগ্রহণ করেন ২৫ মে ১৮৯৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে। বাবা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের ইমাম। মায়ের নাম জাহিদা খাতুন। ১৯০৮ সালে বাবার মৃত্যু হয়। নজরুল ইসলাম গ্রামের মক্তব থেকে নিম্ন প্রাথমিক পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হন। শৈশবের এ শিক্ষা ও শিক্ষকতার মধ্যদিয়ে নজরুল অল্পবয়সেই ইসলাম ধর্মের মৌলিক আচার-অনুষ্ঠান, যেমন পবিত্র কুরআন পাঠ, নামাজ, রোজ, হজ, যাকাত প্রভৃতি বিষয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হওয়ার সুযোগ লাভ করেন। পরবর্তী জীবনে বাংলা সাহিত্য ও সঙ্গীতে ইসলামি ঐতিহ্যের রূপায়নে ওই অভিজ্ঞতা সহায়ক হয়েছিল।

বিবিসি বাংলা ২০০৪ সালে একটি শ্রোতা জরিপের আয়োজন করেছিল। বিষয়টি ছিল-সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি কে? তিরিশ দিনের ওপর চালানো জরিপে শ্রোতাদের মনোনীত শীর্ষ ২০ জন বাঙালির তালিকায় তৃতীয় স্থানে আসেন কাজী নজরুল ইসলাম।

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের গান ও কবিতা যুগে যুগে বাঙালির জীবন সংগ্রাম ও স্বাধীনতা সংগ্রামে প্রেরণার উৎস হয়ে কাজ করেছে। তিনি জন্মেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের এক দরিদ্র পরিবারের দুখু মিয়া হয়ে। আর মৃত্যুকালে তিনি ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় কবি। মাঝে ৭৭ বছর জুড়ে ছিল সৃষ্টি ও সৃজনশীলতার এক বিশাল ইতিহাস।

দাসত্বের শৃঙ্খলে বদ্ধ জাতিকে শোষণ ও উৎপীড়ন থেকে মুক্ত হবার ডাক দিয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘বল বীর বল উন্নত মম শির,…যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল, আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়্গ কৃপাণ ভীম রণভূমে রণিবে না -বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত, আমি সেই দিন হব শান্ত!’ নজরুল ইসলাম সব ধর্মের মধ্যে ভেদাভেদ ভুলে মানবতার জয়গান গেয়েছেন। তার একটি কবিতার বিখ্যাত একটি লাইন ছিল- ‘মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান।’

দরিদ্র মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করা নজরুলের প্রাথমিক শিক্ষা ছিল ধর্মভিত্তিক। তার ভবঘুরে বাল্যকাল আর তার স্কুল শিক্ষা নিয়ে নানা গল্প প্রচলিত আছে। অল্প বয়সে স্থানীয় মসজিদে তিনি মুয়াজ্জিনের কাজ করেছিলেন। কৈশোরে ভ্রাম্যমাণ নাটক দলের সঙ্গে কাজ করার সুবাদে সাহিত্য, কবিতা ও নাটকের সঙ্গে তিনি পরিচিত হয়ে ওঠেন। অর্থের অভাবে পড়াশোনা করতে পারেননি। জীবিকার তাগিদে বাল্যকালে খানসামা ও চায়ের দোকানে রুটি বানানোরও কাজ করেছেন।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে সৈনিকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেনাবাহিনীর কাজ শেষ করে কলকাতায় ফেরার পর তিনি সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে বেছে নেন। এসময় তিনি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ সংগ্রামে অবতীর্ণ হন। প্রকাশ করেন ‘বিদ্রোহী’ এবং ‘ভাঙার গানের’ মতো কবিতা এবং ধূমকেতুর মতো সাময়িকী।

জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে তার ভূমিকার জন্যে বহুবার তিনি কারাবন্দী হয়েছিলেন। জেলে বন্দী অবস্থায় লিখেছিলেন ‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’। তার এসব সাহিত্যকর্মে সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতা ছিল প্রকট। সাংবাদিকতার মাধ্যমে এবং পাশাপাশি তার সাহিত্যকর্মে নজরুল শোষণের বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন।

নজরুলের প্রতিভার যে দিকটা ছিল অনন্য সেটা হলো তার বিদ্রোহী চেতনার বহিঃপ্রকাশ- সমাজ, ধর্ম, রাজনীতি সব কিছুর বিরুদ্ধেই বিদ্রোহে তিনি সোচ্চার হয়েছেন তার সাহিত্যকর্ম ও সঙ্গীতে। গবেষক জিয়াদ আলি বলেন, তিনি কিন্তু শুধু কবি ছিলেন না। তিনি ছিলেন গীতিকার, সুরকার, গল্পকার, সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক কর্মীও। কখনও তিনি গান গাইছেন, কখনও পত্রিকা সম্পাদনা করছেন, কখনও রাজনৈতিক দল গঠনের চেষ্টা করছেন। নজরুল সম্ভবত ওই সময়ের প্রথম বাঙালি, যিনি বাংলার নবজাগরণের যে ঐতিহ্য সেটা ধারণ করেছিলেন এবং তার মধ্য দিয়ে তিনি বাঙালিকে একটা শক্ত, সবল নতুন চেহারা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।

প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে থেকে সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তার জীবন কেটেছিল। তবে প্রতিকূলতায় ভরা ওই জীবনের মধ্য দিয়েই তার প্রতিভার বিকাশ ঘটেছিল। তৃণমূল পর্যায়ের মানুষ ছিলেন নজরুল। যে পথ দিয়ে তিনি গেছেন, যে প্রকৃতিতে তিনি লালিত হয়েছেন, যে পারিপার্শ্বিকতায় তিনি বেড়ে উঠেছেন, সেগুলো তার অজান্তেই তার ওপরে ছাপ ফেলে গেছে। তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল তার গানে ও কবিতায়।

যারা দলিত, যারা অত্যাচারিত, যাদের ভাষা ছিল না, নজরুলের কলমে তারা ভাষা খুঁজে পায়। কথিত আছে, কলকাতায় কলেজ স্ট্রিটে হ্যারিসন রোডের মুখে এক রিকশাওয়ালাকে তিনি একদিন রাত বারোটায় গিয়ে বলেছিলেন- ‘এ্যাই তুই তো অনেককেই নিয়ে যাস রিকশায় টেনে। ঠিক আছে, আজ তুই রিকশায় বোস। আর আমি তোকে টেনে নিয়ে যাই।’

মানুষের প্রতি তার অসীম ভালোবাসা আর মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষাই প্রাধান্য পেয়েছে তার সাহিত্যকর্মে। সাম্যবাদী চিন্তাচেতনা কাজী নজরুল ইসলামকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল।

তিনি অসংখ্য গল্প, উপন্যাস, নাটকও রচনা করেছিলেন। বাংলা ভাষায় একটা নতুন প্রাণ নতুন তারুণ্য নিয়ে এসেছিলেন। সৃষ্টি করেছিলেন একটা নিজস্ব ভাষার, যে ভাষার মধ্যে তিনি দেশজ বাংলার সঙ্গে সফলভাবে ঘটিয়েছিলেন বহু আরবি ও ফারসি শব্দের সংমিশ্রণ। নজরুল প্রায় ৩০০০ গান রচনা করেছিলেন এবং অধিকাংশ গানে নিজেই সুরারোপ করেছিলেন যেগুলো এখন ‘নজরুল গীতি’ নামে বিশেষ জনপ্রিয়। এছাড়াও গজল, রাগপ্রধান, কাব্যগীতি, উদ্দীপক গান, শ্যামাসঙ্গীত, ইসলামী গান বহু বিচিত্র ধরনের গান তিনি রচনা করেছেন।

ভারতে সম্মাননা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চুরুলিয়ায় ‘নজরুল অ্যাকাডেমি’ নামে একটি বেসরকারি নজরুল-চর্চা কেন্দ্র আছে। চুরুলিয়ার কাছে আসানসোল মহানগরে ২০১২ সালে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে। আসানসোলের কাছেই দুর্গাপুর মহানগরের লাগোয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটির নাম রাখা হয়েছে কাজী নজরুল ইসলাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলায় অবস্থিত নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রাজধানী কলকাতার যোগাযোগ-রক্ষাকারী প্রধান সড়কটির নাম রাখা হয়েছে কাজী নজরুল ইসলাম সরণি। কলকাতা মেট্রোর গড়িয়া বাজার মেট্রো স্টেশনটির নাম রাখা হয়েছে ‘কবি নজরুল মেট্রো স্টেশন’।

১৯৪৫ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বাংলা সাহিত্যের সর্বোচ্চ পুরস্কার জগত্তারিণী স্বর্ণপদক নজরুলকে প্রদান করা হয়। ১৯৬০ সালে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণে ভূষিত করা হয়।

বাংলাদেশে সম্মাননা

কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জাতীয় কবির মর্যাদা দেওয়া হয়। তার রচিত ‘চল্‌ চল্‌ চল্‌, ঊর্ধগগনে বাজে মাদল’ বাংলাদেশের রণসংগীত হিসাবে গৃহীত। নজরুলের জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী প্রতিবছর বিশেষভাবে উদযাপিত হয়। নজরুলের স্মৃতিবিজড়িত ত্রিশালে (বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলায়) ২০০৫ সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় নামক সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় কবির স্মৃতিতে নজরুল একাডেমি, বুলবুল ললিতকলা একাডেমী ও শিশু সংগঠন বাংলাদেশ নজরুল সেনা স্থাপিত হয়। এছাড়া সরকারিভাবে স্থাপিত হয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান নজরুল ইন্সটিটিউট- ঢাকা শহরের একটি প্রধান সড়কের নাম রাখা হয়েছে কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ।

বাংলা সাহিত্য এবং সংস্কৃতিতে তার বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ খ্রিষ্টাব্দের ৯ ডিসেম্বর তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সমাবর্তনে তাকে এই উপাধি প্রদান করা হয়। ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারিতে তাকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

মধ্যবয়সে এক দুরারোগ্য রোগে কবি বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন। ১৯৪২ সালের শেষের দিকে তিনি মানসিক ভারসাম্যও হারিয়ে ফেলেন। জীবনের শেষ দিনগুলো কাটে ঢাকার পিজি হাসপাতালে। ১৯৭৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৯ আগস্ট তারিখে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। নজরুল তার একটি গানে লিখেছেন, ‘মসজিদেরই পাশে আমায় কবর দিয়ো ভাই / যেন গোরের থেকে মুয়াজ্জিনের আযান শুনতে পাই’। কবির এই ইচ্ছার বিষয়টি বিবেচনা করে কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাধিস্থ করা হয়।

 

সূত্র: সংগৃহীত

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »