1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ইফতার বিতরণ করলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা বাংলাদেশ আরএমজি প্রফেশনালস্ এর উদ্যোগে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষদের মাঝে ঈদ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ- গাজীপুরে এতিম শিশুদের সাথে বিডিআরএমজিপি এফএনএফ ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল গ্রীষ্মকাল আসছে : তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে যা করবেন ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল তাইওয়ান, সুনামি সতর্কতা ঈদের আগে সব সেক্টরের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবি এবি পার্টির সালমান খান এবার কি বচ্চন পরিবার নিয়ে মুখ খুলতে যাচ্ছেন ঐশ্বরিয়া? আমার ও দেশের ওপর অনেক বালা মুসিবত : ইউনূস লম্বা ঈদের ছুটিতে কতজন ঢাকা ছাড়তে চান, কতজন পারবেন?

করোনার থাবা : খুলনায় এক দিনে ২৮ জনের মৃত্যু

  • সময় রবিবার, ২০ জুন, ২০২১
  • ১০১০ বার দেখা হয়েছে

খুলনা বিভাগে গতকাল শনিবার সকাল ৮টা থেকে আজ রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে আরও ৭৬৩ জনের। গত বছরের ১৯ মার্চ বিভাগে প্রথম করোনা শনাক্ত হওয়ার পর এটাই এক দিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর সংখ্যা। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্ত হয়েছিল ৬২৫ জনের। মৃত্যু হয়েছিল ২২ জনের। আজ খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২৪ ঘণ্টায় বিভাগের ১০ জেলায় আরটি-পিসিআরের মাধ্যমে ১ হাজার ৫২৩টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেনে ৮৬১টি এবং জিন এক্সপার্টের মাধ্যমে ৬৯টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। মোট ২ হাজার ৪৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৭৬৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩১ দশমিক ১০ শতাংশ। আগের দিন শনাক্তের হার ছিল ৩৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত ব্যক্তিদের মধ্যে বাগেরহাটে ৬৮, চুয়াডাঙ্গায় ৬৮, যশোরে ৭৩, ঝিনাইদহে ৯০, খুলনায় ২২৩, কুষ্টিয়ায় ১৬৪, মেহেরপুরে ১৯, নড়াইলে ৪৪ ও সাতক্ষীরায় ১৪ জন রয়েছেন। মাগুরার ২৪টি নমুনা পরীক্ষায় কারও করোনা শনাক্ত হয়নি। এখন পর্যন্ত বিভাগে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা ৪৫ হাজার ৩২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৮২৫ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৩৪ হাজার ৩২০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৯৪ জন।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (রোগনিয়ন্ত্রণ) ফেরদৌসী আক্তার বলেন, সব মিলিয়ে পরিস্থিতি আগের চেয়ে খারাপের দিকে যাচ্ছে। কয়েক দিনে মৃত্যুর ঘটনা বেড়েছে। রোগীরা বাড়িতে বেশি দিন কাটিয়ে হাসপাতালে আসছেন, অবস্থা খুব বেশি খারাপ হলে তখন হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। বিভাগের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, ৫৫ বছরের বেশি বয়সীরা বেশি মারা গেছেন। স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে না মানলে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে।

 

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »