1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
  2. [email protected] : Emon : Armanul Islam
  3. [email protected] : musa :
বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ইতিহাসে ডিসেম্বর ২ প্রথম প্রথম ভারতীয় বাঙালি বিমানচালক, ইন্দ্রলাল রায় জন্মগ্রহণ করেন । ইতিহাসে ডিসেম্বর ১ চলচ্চিত্রাভিনেতা, সুরকার, গায়ক, চলচ্চিত্র নির্মাতা খান আতাউর রহমান মৃত্যুবরণ করেন কমোড কেন ক্ষতিকর তা বুঝতে মলত্যাগের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াটি আগে জানতে হবে টয়লেটে হাই কমোড লাগিয়ে কি আমরা জাতে উঠলাম, নাকি জাত হারালাম? হাই কমোডে মলত্যাগের অভ্যাস কেন এতো ক্ষতিকর? ঢাবির পর বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায়ও প্রথম মেফতাউল ইউপি চেয়ারম্যান হলেন তৃতীয় লিঙ্গের ঋতু ইতিহাসে নভেম্বর ৩০ স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু জন্মগ্রহণ করেন পরচুলায় শতকোটি ডলারের হাতছানি এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পৃথিবীর যে-কোনো দেশের সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাথে তুলনা করা যায়

সংসারে টাকা-পয়সাসহ সব বিষয়ে স্ত্রীর কর্তৃত্ব করা কি ঠিক, নাকি স্বামীর কর্তৃত্ব করা ঠিক?

  • সময় রবিবার, ২০ জুন, ২০২১
  • ২৫৭ বার দেখা হয়েছে
যদি ঘরের বিষয় হয়, সাংসারিক ব্যাপার হয়, প্রত্যেক পুরুষের উচিত এই কর্তৃত্ব স্ত্রীর হাতে ছেড়ে দেয়া। তাতে আপনি অনেক চিন্তামুক্ত থাকবেন। আপনার পেশাগত উন্নতির দিকে মনোযোগ দিতে পারবেন। আজ বাজার কী হবে, রান্নায় তেল বেশি দেয়া হবে, নাকি লবণ বেশি দেয়া হবে, এই চিন্তাও যদি আপনাকেই করতে হয়, এই কর্তৃত্বও যদি আপনি করতে চান, এর মানে হলো, খামোখা অশান্তি ডেকে নিয়ে আসা।
আসলে পরিবার মানে কী? দেয়া এবং নেয়া। আপনাকে কিছু বিষয়ে ছাড় দিতে হবে, কিছু বিষয়ে স্ত্রী ছাড় দেবেন। আর বুদ্ধিমান পুরুষ এসব বিষয়ে প্রথমেই ছাড় দিয়ে দেন। যেমন স্ত্রীর শাড়ি কিনতে গিয়েও অনেক স্বামী বলেন, এটা নাও, ওটা নাও। কেন? স্ত্রীকে সিদ্ধান্ত নিতে দিন তিনি কোনটা কিনবেন। তিনি চাইলে আপনি মতামত দিতে পারেন, কিন্তু সিদ্ধান্ত তার। এ-ক্ষেত্রে স্ত্রীর খুশিতেই আপনার খুশি হওয়া উচিত।
আসলে সব ব্যাপারেই সবসময় একজন লিডার ঠিক হওয়া উচিত। যেমন, প্রথমদিনই স্ত্রীকে বলে দিন, ঘরের যে-কোনো ব্যাপারে তুমি লিডার। আর বাইরের ব্যাপারে স্বাভাবিকভাবেই তুমি যদি আমাকে লিডার হিসেবে পছন্দ করো, তবে দায়িত্ব নিতে রাজি আছি। অর্থাৎ প্রথমে আপনি তাকে অধিকার দিলে দ্বিতীয় অধিকার তিনি আপনাকে এমনিতেই দিয়ে দেবেন।
আর পারিবারিক জীবনে ঘরের দায়িত্ব যত স্ত্রীর হাতে দিতে পারবেন, তাকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত ও কাজ করতে দেবেন, তত আপনি সুখী হবেন। কারণ প্রত্যেকেরই একটা নিজস্ব এলাকা থাকা উচিত, যেখানে তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন। তাহলে তার মানসিক তৃপ্তি থাকবে, মানসিক বিকাশ ঘটবে এবং আপনিও শান্তিতে থাকবেন।
আর স্ত্রীকে কখনো দাসী বা কর্মচারী মনে করবেন না; সবসময় তাকে সহযোদ্ধা, সহযোগী ও বন্ধু মনে করবেন। তাহলে আপনার প্রতি তার যে অনুরাগ, সেটা আসবে ভেতর থেকে। স্ত্রী হিসেবে নিছক কর্তব্য পালন করা আর অনুরাগী হওয়া-দুটোর মধ্যে অনেক তফাত আছে।

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »