1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ইফতার বিতরণ করলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা বাংলাদেশ আরএমজি প্রফেশনালস্ এর উদ্যোগে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষদের মাঝে ঈদ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ- গাজীপুরে এতিম শিশুদের সাথে বিডিআরএমজিপি এফএনএফ ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল গ্রীষ্মকাল আসছে : তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে যা করবেন ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল তাইওয়ান, সুনামি সতর্কতা ঈদের আগে সব সেক্টরের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবি এবি পার্টির সালমান খান এবার কি বচ্চন পরিবার নিয়ে মুখ খুলতে যাচ্ছেন ঐশ্বরিয়া? আমার ও দেশের ওপর অনেক বালা মুসিবত : ইউনূস লম্বা ঈদের ছুটিতে কতজন ঢাকা ছাড়তে চান, কতজন পারবেন?

‘স্মার্টফোন আসক্তি ও একটি প্রজন্মের হারিয়ে যাওয়া’- একজন লেখক!

  • সময় শুক্রবার, ৯ জুলাই, ২০২১
  • ৭৪১ বার দেখা হয়েছে

আসলে শুধু কি ছেলেমেয়েরাই ছাত্রছাত্রীরাই আসক্তি ও অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে? এক্ষেত্রে অনেক মা-বাবার অবস্থানটা কোথায়? সেটাও আমরা দেখতে পারি আরেকজন লেখকের দৃষ্টিতে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

লেখক ‘স্মার্টফোন আসক্তি ও একটি প্রজন্মের হারিয়ে যাওয়া’ নিবন্ধে লিখেছেন, “করোনার প্রথম ঢেউ অতিক্রান্ত হওয়ার পর এক পড়ন্ত বিকেলে ছাদখোলা এক রেস্টুরেন্টে পরিবারসহ কফির আড্ডায় বসেছিলাম।

লক্ষ করলাম- আমাদের খুব কাছাকাছি কয়েকজন ছবি তোলায় ব্যস্ত। তাদের প্রত্যেকের বয়স ৪২ থেকে ৪৫ এর মধ্যে।

ছবি তুলতে তারা এতটাই মশগুল ছিলেন যে স্থান-কাল-পাত্রের জ্ঞান হারিয়েছেন যেন!

করোনা পরিস্থিতিতে নিজেদের মধ্যে প্রয়োজনীয় দূরত্ব তো দূরের কথা, পারলে তারা যেন গায়ের ওপর উঠে ছবি তোলেন। যতক্ষণ রেস্টুরেন্টে ছিলাম পুরো সময়ই তাদের ছবি তুলতে দেখেছি।

স্থির হয়ে নিজেদের মধ্যে কুশল বিনিময় করার যেন সময়ও নেই তাদের। এদের মধ্যে আমি আমার একজন সাবেক সহকর্মীকেও খুঁজে পেলাম। পোশাকে আর কড়া মেকআপে তিনি যেন অনেকটাই অচেনা।

আমার সঙ্গে চোখাচোখি হওয়ার পরও তার মধ্যে ভাবান্তর লক্ষ না করে নিজেই খানিকটা বিভ্রান্তিতে পড়ে গেলাম। সৌজন্য বিনিময়ের হাসিটুকু দ্রুত গুটিয়ে নিয়ে ভাবলাম- কোথাও আমার ভুল হচ্ছে না তো!

তবে সেই রাতেই ফেসবুকের ওয়ালে সাবেক সহকর্মীর পোস্ট করা ছবি দেখে নিশ্চিত হই বিকেলে তাকে চিনতে আমার কোনো ভুল হয় নি।

ভার্চুয়াল ভাইরাসে আসক্ত মানুষের সত্তা দুটির সীমারেখা…

তিনি এরপরে একটি নির্মম বাস্তবতার পর্যবেক্ষণকে তুলে ধরেছেন।

তিনি লিখেছেন, “সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অসম্ভব জনপ্রিয়তা সম্ভবত বাস্তব জীবন আর স্ক্রিনবন্দি জীবনের মধ্যে সীমারেখা টেনে দিচ্ছে”।

সেখানকার একটি জীবন চেনে না আরেকটি জীবনকে। একই ব্যক্তির যেন দুটি সত্তা। একটি বাস্তবতার টানাপোড়েনে পরিপূর্ণ। আর অন্যটি স্ক্রিনে কৃত্রিম আলোর মতোই ঝলমলে আর চোখ ধাঁধানো। দুটি জীবনের কুশীলবরাই যেন অনেকটাই আলাদা।

তিনি লিখেছেন, ‘আর ইওর প্যারেন্টস অ্যাডিক্টেড টু ফোনস?’ শিরোনামে নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় একটি প্রতিবেদন ২০১৯ সালের মে মাসে প্রকাশিত হয়।

১০০০ জন মা-বাবা ও তাদের সন্তানদের ওপর পরিচালিত এই গবেষণায় বলা হয়, যেখানে প্রতি ১০ জনে ৬ জন মা-বাবা মনে করেন, তাদের সন্তান মোবাইলে আসক্ত, সেখানে প্রতি ১০ জনে ৪ জন সন্তান মনে করে যে তাদের মা-বাবা মোবাইলে আসক্ত।

জরিপে অংশ নেওয়া ৩৮ শতাংশ কিশোরবয়সী মনে করে, তাদের মা-বাবা মোবাইলে আসক্ত। শুধু তা–ই নয়, তাদের মা-বাবার মোবাইল আসক্তি থেকে তারা তাদের মা-বাবার মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তি কামনা করে”।

লেখক তার লেখায় একটা নির্মম সত্যকে তুলে এনেছেন। আসলে ভার্চুয়াল ভাইরাসে আসক্ত মানুষের দুটি সত্তা।

একটি বাস্তবতার টানাপোড়েনে পরিপূর্ণ। আর অন্যটি স্ক্রিনে কৃত্রিম আলোর মতোই ঝলমলে আর চোখ ধাঁধানো।

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »