1. admin@hostpio.com : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
  2. azmulaziz2021@gmail.com : Emon : Armanul Islam
  3. musa@informationcraft.xyz : musa :
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০১:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :

যে-কোনো ডায়েট দু’বছরের বেশি সময় গেলেই ফেল করে…

  • সময় সোমবার, ১২ জুলাই, ২০২১
  • ৮৯ বার দেখা হয়েছে

২০১৯ সালে নভেম্বরের ৭ তারিখে প্রকাশিত সায়েন্টিফিক আমেরিকান একটি জার্নালে বলা হয়, একটা টিভি শো ছিল–বিগেস্ট লুজার নামে যেখানে কীভাবে মোটা বা চিকন হচ্ছে তা দেখানো হয়। এবং প্রোগ্রামটি এখন থেকে ১০ বছর আগে খুব আলোড়ন সৃষ্টিকারী প্রোগ্রাম ছিল যে, এত মোটা মোটা লোক কীভাবে চিকন হয়ে যাচ্ছে!

তো এদেরকে ট্র্যাক করা হয়। টেলিভিশন সিরিজে তারা যখন শো করছিল প্রত্যেকে কমপক্ষে ৫০ পাউন্ড ওজন কমিয়েছে। অর্থাৎ একেকজন ২৫ কেজি করে ওজন কমিয়েছে।

কিন্তু এরপর এদের অধিকাংশই দু বছর পর আগে যা ওজন নিয়ে শুরু করেছিল সে সময়ের চেয়েও তাদের ওজন বেড়ে গেছে।

তাই নিজ স্বাস্থ্যের ব্যাপারে আর নয় কোনো ভুল সিদ্ধান্ত!

ফিটনেস হচ্ছে এখনকার সময়ের সবচেয়ে বড় ক্রেজ।

ধরুন আপনি ইউটিউব ভিডিওতে দেখলেন ফিটনেস পদ্ধতির নাম ‘কিটো’। ভিডিওতে দেখলেন আর কিটো হয়ে গেলেন! মেডিকেল গবেষণা রিপোর্টে এগুলোকে হরিবল রিপোর্ট বলে!

আসলে ইন্টারনেটে কিছু দেখলেই এটা বিশ্বাস করার কোনো কারণ নাই। কেউ ভিডিও দেখে নিজের শরীরের ব্যাপারে নিজের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে কখনো সিদ্ধান্ত নেবেন না।

আসলে ভিডিওতে আমরা একটা পার্ট দেখি। পরের পার্ট কিন্তু দেখি না। যখন দেখানো হয় তখন প্রথম অংশটাই দেখানো হয়। যেমন, জিমখানাতে গেলে কী হবে? এর উপকার কী? কিন্তু শেষ অংশটা দেখানো হয় না। শেষ অংশটা হলো আপনার আল্টিমেট পরিণতি কী? যখনই আপনি কম সময়ে ওজন কমাতে যাবেন অর্থাৎ এক্সট্রিমে যাবেন সেটা আপনার ধ্বংস ছাড়া কিছু করবে না।

চর্চার আগে যাচাই করুন কিটো ও ভেগান পদ্ধতি!

সম্প্রতি কিটো এবং ভেগান পদ্ধতি খুব জনপ্রিয়। এই ভেগান কিটো এসব কিন্তু খাবার নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি নয় এগুলো হলো থেরাপি বা ওষুধ। সবসময় মনে রাখবেন, ওষুধ কখনো নিজের ইচ্ছায় খাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে খেতে হয় রোগ প্রতিকারের জন্যে। ধরতে পারেন এই ভেগান কিটো এসবও এক ধরনের প্রতিকার। কীসের প্রতিকার?

আপনি যে জুলুম করেছেন নিজের ওপরে এক্সট্রিম করে অর্থাৎ প্রচুর খাওয়া-দাওয়া করেছেন অস্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে শরীরের ১২টা বাজিয়েছেন এটার এক্সট্রিম হচ্ছে থেরাপি। তো এই থেরাপিটা কিন্তু নরমাল জিনিস না।

বিষয়টার আরো সহজ উদাহরণ দেয়া যায়। ধরুন, দেশে যখন চোর ডাকাত বেড়ে যায় তখন আসে মার্শাল ল’। মার্শাল ল’টা হলো আরেকটা এক্সট্রিম। মার্শাল ল’ অরাজকতার প্রতিষেধক না। এটা হচ্ছে এক্সট্রিম এটা প্রতিকার। ঠিক তেমনি অস্বাস্থ্যকর খাবারের ফলে যে অতিরিক্ত ওজন বেড়েছে এটা কমাতেই এই কিটো এই ভেগান। যা এক্সট্রম্লি প্রতিকার করে।

আসলে এই যে ফিটনেস ইন্ডাস্ট্রি ১০০ বিলিয়ন ডলারের ইন্ডাস্ট্রি আমেরিকাতে একশ বিলিয়ন ডলার। ওয়েট লস্ট ইন্ডাস্ট্রি হচ্ছে সেভেনটি থ্রি বিলিয়ন ডলার। আর ভেগান হচ্ছে ২৪ বিলিয়ন ডলার! ব্যবসা।

ভেগান ফুড কিন্তু ঠিক এবং খাবারের মধ্যে ক্ষতিকর খাবার নাই। কিন্তু মূল অসুবিধাটা হচ্ছে ভিটামিন বি-টুয়েলভ ডেফিসিয়েন্সি। এবং বি-টুয়েলভতে বেশি ডেফিসিয়েন্সি হয়ে যায় তাহলে বয়স হলে ব্রেনটা শ্রিঙ্ক করবে শেকিং হবে। ভিটামিন বি-১২ ডেফিশিয়েন্সি বেশি হলে যা যা হয় সবকিছু হবে। এবং বোনটা দুর্বল হয়ে যাবে।

তাহলে এ ব্যাপারে করণীয় হচ্ছে- এই থেরাপি আপনার জন্যে প্রযোজ্য কিনা, আপনার ফিজিকেল কন্ডিশনের উপযুক্ত কিনা, কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে কিনা এই বিষয়গুলো যাচাই করা।

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM