1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
  2. [email protected] : Emon : Armanul Islam
  3. [email protected] : musa :
সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১২:৫১ অপরাহ্ন

লক্ষ্যের পথে এ ত্যাগ ও মেহনতই অসামান্য অর্জন এনে দিতে পারে

  • সময় মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই, ২০২১
  • ১০৮ বার দেখা হয়েছে

আপনি আপনার স্বপ্ন পূরণের জন্যে মেধা শ্রম সময় এমনকি নিজেকে উৎসর্গ করে দিলে তা কোনো একসময় বাস্তবায়িত হবেই। লক্ষ্যের পথে এ ত্যাগ ও মেহনতই অসামান্য অর্জন এনে দিতে পারে।

যে কেউ তার বিশ্বাস ও পরিশ্রমের মাধ্যমে যেকোনো অবস্থান থেকেই সফল হতে পারেন। আত্মপরিচয় সৃষ্টি করতে পারেন।

কারণ কষ্ট ও পরিশ্রমনির্ভর করেই মানুষকে সৃষ্টি করা হয়েছে। যত কাজ করবেন তত শারীরিক-মানসিকভাবে ভালো থাকবেন। আর আরাম যত করবেন, ব্যারাম তত বাড়বে। যত পরিশ্রম তত সুস্থতা, সাফল্য ও প্রশান্তি। এ পরিশ্রমই আপনাকে সফল করবে, সহিষ্ণুতা বাড়াবে।

আসলে বাধা বা সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে বলেই মানুষ সবসময় নতুন কিছু আবিষ্কার করতে পেরেছে। আপনি যদি ডানদিকের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার জন্যে মনস্থির করেন, ব্যারিকেড পেলে বামদিকের রাস্তা দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছার চেষ্টা করুন। এতে বিরোধ এড়াতে পারবেন।

আহাম্মক প্রথম ভুলটিই করে বিরোধে জড়িয়ে। তার যেটুকু বুদ্ধি আছে তাকে বিতর্কে জয়ী হওয়ার জন্যে। আর বুদ্ধিমান তার বুদ্ধি কৌশল ও সাহস কাজে লাগান বিরোধ এড়ানোর জন্যে।

হাল ছাড়বেন না। থামবেন না, তাহলে অন্যদের চেয়ে পিছিয়ে পড়বেন। বিজয় না আসা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যান, সংগ্রাম করুন। কোনো কাজের উদ্যোগ নিলে তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত লেগে থাকুন।

শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আপনার শেষ শক্তিটুকু সে কাজে নিয়োজিত করুন। একটি শিশুকে দেখুন। জন্মের পর চিৎ হয়ে শুয়ে থাকার পর একসময় সে কাত হয়, উপুড় হয়।

তারপর শুরু হয় হামাগুড়ি দিয়ে হাতে পায়ে হাঁটা। এরপর সে উঠে দাঁড়ায়, হাঁটি হাঁটি পা পা করে। এভাবে হাঁটতে গিয়ে সে বারবার পড়ে, বারবার উঠে দাঁড়ায়, আবার হাঁটতে শুরু করে।

এবং একসময় সে কারো সাহায্য ছাড়াই হাঁটে এবং দৌড়ায়। অর্থাৎ বার বার শুরু করুন। জীবন বার বার শুরু করারই আরেক নাম।

দুর্বলরা প্রতিবাদ করে, হৈ চৈ করে দাবি জানায়। বুদ্ধিমানরা প্রতিকার করেন। এজন্যে অভিযোগ নয়, সমাধানের উদ্যোগ নিন। যা চান তা কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ আগে তা নির্ধারণ করুন।

এবার পরিকল্পনা করুন কীভাবে তা পাওয়া যেতে পারে। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের প্রধান কারণ হলো তারা ভুল থেকে শেখে না। স্বভাব বা কৌশলের যে ত্রুটি তাকে বার বার ব্যর্থ করছে তা শোধরানোর কোনো উদ্যোগ সে নেয় না। তাই প্রতিনিয়ত শিখুন। আপনার ব্যর্থতার কারণগুলোর প্রতি সচেতন হোন।

দেখুন কী কী কারণে সমস্যা হচ্ছে। আপনার আচরণ দৃষ্টিভঙ্গি সিদ্ধান্ত কর্মপন্থার কোনো ভুল বা ব্যক্তিগত বদঅভ্যাস নাকি অন্য কিছু। প্রয়োজনে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও কর্মকৌশল গ্রহণ করুন। সাফল্য তখন আপনার দিকে ছুটে আসবে।

 

 

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM