1. admin@hostpio.com : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
  2. azmulaziz2021@gmail.com : Emon : Armanul Islam
  3. musa@informationcraft.xyz : musa :
সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন

স্মৃতির পাতা থেকে জয়নগর হাই স্কুল ।

  • সময় সোমবার, ১৯ জুলাই, ২০২১
  • ২৩ বার দেখা হয়েছে
স্মৃতির পাতা থেকে : (৩)
৮ম শ্রেণী (১৯৬৮)
জয়নগর হাই স্কুল ।
কাশিয়ানী – গোপাল গঞ্জ।
জহুরুল হক
জাফর ভাই জয়নগর হাই স্কুলে পড়াকালীন মহেশপুর গ্রামে স্কুলের সেক্রেটারি আব্দুল গফুর সাহেবের বাড়িতে লজিং থাকতেন । গফুর সাহেব জয়নগর হাই স্কুলের ২ বছর যাবৎ অবৈতনিক শিক্ষক ছিলেন ।
এ কারণে দীর্ঘদিন তাঁকে এ স্কুলের সেক্রেটারি পদে রাখা হয় । তখন লজিং মাস্টার প্রায় প্রত্যেক বাড়িতে ছিল । ঐ বাড়িতে গফুর সাহেবের মেঝের ভাইয়ের বড় ছেলে মুহাম্মদ যিনি সরকারী রাজেন্দ্র কলেজে বি কম পড়তেন তিনি আমাদের বাড়িতে প্রায় বেড়াতে আসতেন । মুহাম্মদ ভাইজান আমাদের খুব পছন্দ করতেন । ধীরে ধীরে এ পরিবারের সাথে আমাদের সখ্যতা গড়ে ওঠে ।
৭ ম শ্রেণীর বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর জাফর ভাই বাড়িতে আসলো । বাড়িতে এসে জানালো সে জয়নগর হাই স্কুলে ৮ম শ্রেণীতে পড়বে না । ৮ম শ্রেণী বানা এম এ মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়বে এবং এখান থেকে সে ৮ম শ্রেণীতে বৃত্তি পরীক্ষা দিবে । বৃত্তি পেলে আবার জয়নগর হাই স্কুলে ফিরে যাবে । বাস্তবে তাই হয়েছিল ।
সে বানা এম এ মজিদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বৃত্তি পরীক্ষা দেয় । বৃত্তি পায় এবং ৯ম শ্রেণীতে বিজ্ঞান বিভাগ নিয়ে পুনরায় জয়নগর হাই স্কুলে চলে যায় । জাফর ভাইয়ের এরকম চিন্তা ভাবনা আমার মধ্যে ভাবান্তরের সৃষ্টি হলো । ৬ষ্ঠ শ্রেণী হতে আমরা দুজন দু স্কুলে চলে গিয়েছি আবার দুজন একই স্কুলে পড়ব ? কি মনে করে আমি একদিন জয়নগর একাকী বেড়াতে চলে গেলাম ।
তবে আমাদের বাড়ি হতে জয়নগর এর দূরত্ব ১২ মাইল । বাড়ি হতে হেলেঞ্চা , হেলেঞ্চা থেকে ফলিয়া হয়ে হেঁটে সহস্রাইল রেল স্টেশন । ওখান থেকে ট্রেনে চড়ে ব্যাসপুর রেলস্টেশন । নেমে হেঁটে জয়নগর যেতে হতো । ইতি পূর্বে দুএকবার জয়নগর গিয়েছি । তবে এবার যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন ।
ওখানে গিয়ে মুহাম্মদ ভাইজানকে জাফর ভাইয়ের পড়াশোনার ব্যাপারে ইচ্ছে ও সিদ্ধান্তের কথা জানালাম। বললাম জাফর ভাই তো বানা এম এ মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ে চলে যাচ্ছে ! আপনি জানেন কি না ? উনি বললেন জানি তবে এটা তার ইচ্ছা ।
আমাকে বললেন তোমার ইচ্ছে কি ? তুমি বানায় পড়বে ? না, জয়নগর চলে আসবে ? আমি বললাম কি করব ভাবছি । উনি বললেন তুমি জয়নগর চলে আসো । আমি বললাম এটা ঠিক হবে কিনা ? বললেন ঠিক হবে না কেন ? তিনি বললেন তুমি তো আর জাফর এর মতো এতো ভালো ছাত্র না যে বৃত্তি পাবে ।
বরং তুমি এখানে ভর্তি হও । এখানে ভালো ভালো শিক্ষক আছে । তাছাড়া , তোমরা এতগুলো ভাই-বোন এক জায়গায় না থেকে এদিক ওদিক থাকলে ভাল হয় । দূরে থাকলে ভাইবোনের সাথে মায়া দয়া বাড়বে এবং ভালো একটা স্কুলে পড়লে তোমার লেখাপড়াও ভালো হবে ।
আমি ভাইজানের কথায় রাজি হয়ে গেলাম । ২ দিন পর বাড়িতে এসে সব কিছুই মাকে খুলে বললাম । মা শুনলেন ও বললেন চিন্তা করে দ্যাখ কি করবি ? তবে জয়নগর ভালো স্কুল যেতে পারিস ।
আব্বাকে জানালাম । আব্বা কিছু বললেন না । তিনি ও মনে মনে ভাবছিলেন গেলে ক্ষতি কি ? যা আব্বার চেহারা দেখে বুঝতে পারছিলাম । তাছাড়া , ইতিমধ্যে আব্বা জাফর ভাইয়ের প্রতি অনেকটাই স্নেহে দুর্বল হয়ে পড়েছেন । কারন , একেতো ভালো ছাত্র ।
দ্বিতীয়ত , আব্বার ব্যবসার উন্নতি তার জন্মের পর থেকে শুরু হয়েছে এটা আব্বার ধারনা । মার সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম জয়নগর হাই স্কুলে পড়ব । তবে মা বললেন তুই কোথায় থাকবি । বললাম মুহাম্মদ ভাইজানদের বাড়িতে ‌ ।
মুহাম্মদ ভাইজান এর বাবা বলেছেন জহুর এখানে পড়লে আমার বাড়িতে থাকবে । ওকে আমার পছন্দ হয়েছে । আমি transfer certificate নিয়ে নিলাম । বাড়ি থেকে জয়নগর চলে যাব এই প্রস্তুতি নিলাম । লেপ , তষোক , চাদর , বলিশ তৈরি করলাম । নির্দিষ্ট দিনে জয়নগর চলে গেলাম । তবে আমি ভুলেও আমার ছোট চাচা মোসলেম উদ্দিন মিয়ার সাথে আলাপ করি নাই ।
তার একটা বড় কারণ ছিল উনি জাফর ভাইকে যখন জয়নগর হাই স্কুলে নিয়ে যান কারোর সাথে আলাপ করেন নি । নিজে সরাসরি তাকে সকালে ready করে নিয়ে যান । এ দৃশ্য আমার মনে রেখাপাত করে ‌। আমি জয়নগর হাই স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর ছোট চাচা জানতে পারেন আমি জয়নগর হাই স্কুলে ভর্তি হয়েছি ।
জয়নগর হাই স্কুল , জয়নগর বাজার, মহেশপুর , ব্যাসপুর , জুনাশুর দসতন আশে পাশে গ্রামের কিছু বর্ননা দেওয়া দরকার যা আমার স্মৃতিতে রয়েছে । তাছাড়া ৭ ম শ্রেণীতে পড়া শেষ করে বাইরে অপরিচিত স্হানে এসে পড়াশোনা করা খুব কঠিন ছিল বৈ কি ? তখন আমার বয়স মাত্র তের বছর ।
জয়নগর বিরাট বাজার তার পাশে জয়নগর হাই স্কুল অবস্থিত । স্কুলের সাথে বিরাট পুকুর রয়েছে । বাজার ও পুকুর এর পাশ দিয়ে স্কুলে যেতে হতো । স্কুলের পূর্ব ও উঃ সীমানায় বিরাট খেলার মাঠ । স্কুলের পুকুর পাড়ে ছিল ক্লাব ঘর । এ ঘরে আমার চাচা মোসলেম উদ্দিন মিয়া থাকতেন । তিনি এ পুকুরে গোসল করতেন ।
এ স্কুলের রাস্তার উল্টো দিকে বাজারের সাথে একটা মাদ্রাসা ছিল । মাদ্রাসায় নোয়াখালীর একজন আলেম ছিলেন । পরবর্তীতে জয়নগর গার্লস স্কুল ও ইয়ার আলী খান কলেজ হয় ।
যে গ্রামগুলোর নাম উল্লেখ করেছি প্রায় সব গ্রামের ছেলে মেয়েরা এখানে পড়তে আসত । কাঁচা রাস্তা হলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো ছিল । দূরদূরান্ত পাশ্ববর্তী গ্রামের ছেলে মেয়েরা এমন কি নড়াইল , বনমালিপুর থেকে ছাএরা এ স্কুলে পড়তে আসত । অনেক ছাত্র ছাত্রী ছিল । প্রধান শিক্ষক ছিলেন আকরামুজ্জামান চৌধুরী ।
তিনি ইংরেজি , মোসলেম উদ্দিন মিয়া ইংরেজি ও অংক , মহেশপুর এর মতিয়ার স্যার বাংলা পড়াতেন । লম্বা একটা টিনের ঘরে ক্লাস হতো । Assembly হতো এ লম্বা টিনের ঘরটির সামনে । এটা স্কুলের সামনে খোলা আর একটি মাঠ । খুবই desipline ছিল । স্যাররা ছাত্র ছাত্রীদের কাছে ভয়ের কারণ ছিল ।
স্যারদের লেখাপড়া , চালচলন , বেশভুষা , কথাবার্তা ছিল অনুকরণীয় ও অতুলনীয় । কারন , তখন ভালো ছাত্ররা লেখাপড়া শিখে শিক্ষকতা করতে আসতেন । ছাত্র ভাল না এবং চরিত্র সুন্দর না এরকম শিক্ষিত মানুষ শিক্ষকতা করতে পারতেন না ।
নতুন জায়গা , নতুন পরিবেশ , চারিদিকে অপরিচিত মানুষ সবকিছু আমার কাছে বেমানান মনে হতে লাগল ।
বানা এম এ মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করায় ৬ষ্ঠ ও ৭ ম শ্রেণীতে পড়াশোনা ঠিক এ স্কুলের মতো উন্নত ছিল না । এখানে ৮ম শ্রেণীতে ভর্তি হয়ে পার্থক্যটা বুঝতে পারলাম।
প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক ইংরেজি ও অংক স্যার ছিলেন তাঁরা বানা স্কুলের স্যারদের চেয়ে অনেক বেশি ভালো পড়াতেন । পড়াশোনা দুরভেদ্য হতে লাগলো । মোটেই স্বস্তি পাচ্ছিলাম না । তবে লজিং বাড়িতে কাকা ও কাকী মা আমাকে ভীষণ ভালবাসতেন এবং স্নেহ করতেন । সালাম ও তাসলিমা ২ জন আমার ছাত্র ছাত্রী ছিল । বেশি কিছু পড়াতে হতো না । একটু দেখিয়ে দিলে হতো ।
বাংলাদেশে সর্বত্র আঞ্চলিক ভাষায় রয়েছে । এখানে যশোরের আঞ্চলিক ভাষা চলে না । ভাষা কিছুটা সাধু ভাষা । আমরা জানি ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী প্রতি ৯ মাইল অন্তর সবকিছুতে পরিবর্তন বিদ্যামান । খাওয়া দাওয়া ও রান্নায় ভিন্ন স্বাদ অনুভব করলাম । মোসলেম মিয়ার ভাতিজা হওযায় অনেকে স্নেহের চোখেই দেখতেন । এভাবে ৬ মাস চলে গেল ।
ইতিমধ্যে স্মাণমাসিক পরীক্ষা হয়ে গেছে । কিন্তু ফলাফল ভালো হয়নি । সকলে জাফর ভাইয়ের class friend ‌ছিল । যতদূর মনে পড়ে আমি নতুন ছাত্র । গোলক , রওশন , ওদুদ এরা ভাল ছাএ ছিল । আমার রোল নম্বর তাদের থেকে অনেক পিছে চলে গেছে ‌। অনেক ছাত্র ও শিক্ষক বলাবলি করতে লাগল জহুর জাফর এর মতো ভাল ছাত্র নয় ।
এতে আমার মধ্যে হীনমন্যতা কাজ করতে লাগলো । তবে ভালো করে লেখাপড়া করতে মনোনিবেশ করলাম । কাজ হলো না । দেখলাম বার্ষিক পরীক্ষায় একই ফল । অনেক পিছে রোল নম্বর চলে গেছে । এখানে competition বেশি । কে কত ভাল result করতে পারে ! জয়নগর এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ।
এখানে মানুষের আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল । বাজারে ভালো মিষ্টির দোকান , পাটের গুদাম , স্যান্ভেল জুতার দোকান, প্রয়োজনীয় মালামাল কিনতে অন্য কোথাও যেতে হত না । তখন শীতকাল বেশি দীর্ঘায়িত হতো মনে হয় । শীতের আবহাওয়া খুব ভালো লাগতো । শীত ও বর্ষা মৌসুমের দু একটি ঘটনা আমার মানসপটে এখন ভেসে রয়েছে ।
এক ,
কয়েকদিন ধরে মাথায় প্রচন্ড ব্যথা । সাথে দাঁতে ব্যথা । ঘুমিয়ে আছি ‌‌। সকাল হয়ে গেছে । মুহাম্মদ ভাইজান ডাকছে এই ওঠ ! এসিস্ট্যান্ট স্যার আইছে ‌ । মোসলেম মিয়া কে কেহ এসিস্ট্যান্ট হেড মাস্টার বলতো না । সবাই এসিস্ট্যান্ট স্যার বলে সম্বোধন করত । তাড়াতাড়ি করে উঠলাম ।
ভাইজান বললেন তোকে স্যার ডাকে । আমি কিছু বুঝে উঠতে পারছিলাম না । বললাম কে ? আরে তোর চাচা ! কোনো রকম জামা গায়ে জড়িয়ে ঘর থেকে বাইরে এলাম । কাউকে দেখি না ‌ । কাকা (ভাইজানের আব্বা ) বললেন তোর চাচা বাড়িতে আসবে না । রাস্তায় দাঁড়ায় আছে ‌।
আমি ভয়ে ভয়ে গেলাম ‌। না জানি কি অন্যায় হয়ে গেছে ! তখন সূর্য ⛅☀️ লাল হয়ে উঠেছে ‌। শীতের সকাল । কাছে গেলে বললেন কি রে তোর নেকি মাথা ব্যথা ও দাঁতে ব্যথা ? জ্বর আছে নেকি ? বললাম জি ।
এই নে ঔষধ । Codopirine table মাথা ব্যাথা এবং দাঁত ব্যথার জন্য । আর এ ছোট শিশিতে liquid ঔষধ আছে । তুলা দিয়ে দাঁতে লাগালে দাঁতের ব্যথা কমে যাবে । আর ব্রাশ আর পেস্ট নে । ভালো করে দাঁত ব্রাশ করবি । এই বলে উনি চলে গেলেন । আমি বাড়িতে ফিরলাম । ভাবতে লাগলাম উনি কি করে জানলেন আমার অসুখ ?
ফিরে কাকাকে জিজ্ঞেস করলে বললেন আমি তোমার চাচা কে গতকাল বলে এসেছি এজন্য আজ উনি ঔষধ নিয়ে তোমাকে দেখতে এসেছেন । জয়নগর থাকতে আমার চাচার সাথে খুব কম কথা হয়েছে ‌। ছাত্র ছাত্রীরা উনাকে অনেক সম্মান শ্রদ্ধা , ভক্তি করতো। তাছাড়া , সুদর্শন সহ চলাফেরায় কেদা দুরস্ত ছিলেন ।
দুই,
পাগারে ( বাড়ির পাশে ঝোপ ঝাড় ও ছোট বাগান ) রাতে খেজুরের রস চুরি করে খাওয়া । শীতের জোৎস্না স্নাত রাত । কিছুতেই ঘুম আসছে না ‌। কি করব বুঝতে পারছি না । আমি যে বাড়িতে থাকি তার পাশের বাড়িতে আমার সম বয়সী একটা ছেলে ছিল । ওখানে যাওয়ার পর তার সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠে । তাকে ডাকলাম ।
বললাম চলো জোৎস্না রাতে হাঁটি । সে বললো শীত তো । আমি বললাম শীত তাতে কি ? হাঁটতে হাঁটতে বাড়ি ছেড়ে মেঠো রাস্তা দিয়ে পাগারে কাছে পৌঁছে গেলাম । সাথী বন্ধু বললো খেজুর রস খাবি ? বললাম চুরি করে ! বললো আরে না । এতো আমাদের গাছ । খেলে কিছু হবে না । আমি বললাম না রে ভাই আমি খাব না ‌।
সকালে যদি জানাজানি হয়ে যায় । তাহলে লজ্জায় মরে যাব । না ,না , করতে করতে সে ততক্ষণে গাছের আগায় পৌঁছে গেছে ‌। আমি নিচে একা ভয়ে বাঁচি না । হঠাৎ করে প্রচন্ড জোরে শব্দ । আমি বুঝতে পারছিলাম না কিসের শব্দ ‌। তার হাত থেকে রসের হাঁড়ি ছুটে নিচে পড়ে গেছে । তাও আমার সামনে ।
মাথার উপর পরলে কি হতো তা জানি না! সে তাড়াতাড়ি নিচে নেমে আসলো ‌ । আমি বললাম এবার তো আমি মারা যেতাম যদি হাঁড়ি আমার মাথায় পড়তো ! সে বললো পড়ে নাই তো ! আবার সে অন্য গাছে উঠে রস পেড়ে আনলো । খেয়ে বাড়িতে চলে এলাম ‌। এ হলো চুরি করে খেজুর রস খাওয়ার মজা ।
তিন
গজার 🎏 মাছ । স্কুলে যাওয়ার পথে একটা বড় ঝোপ ছিল । এই ঝোপের ভিতরে বর্ষা মৌসুমে পানিতে বড় বড় গজার মাছ দেখতে পেতাম । ভয় লাগতো । অনেকে বলতো গজার মাছ ভাল না। এটা খাওয়া যায় না । ক্ষতি করে । সাথী ছাড়া ঐ জায়গাটা পার হতাম না । এমন গজার মাছ আজকাল আর চোখে পড়ে না ।
এভাবে নানান ঘটনার মধ্যে দেখতে দেখতে নভেম্বর মাস এসে গেল । এ মাসে বার্ষিক পরীক্ষা হলো । পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে বাড়িতে এলাম । আর জীবন থেকে কেটে গেল আরো একটি বছর ।
( চলবে ) ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM