1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
  2. [email protected] : Emon : Armanul Islam
  3. [email protected] : musa :
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন

ইতিহাসে আগস্ট ২৫ – বাঙালি লেখক, কবি ও প্রাবন্ধিক তারাপদ রায় এর মৃত্যুদিন

  • সময় বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০২১
  • ২২৮ বার দেখা হয়েছে

হাস্যরসাত্মক তথা কৌতুকরসবোধে সংপৃক্ত রচনার জন্যে সুপরিচিত বাঙালি লেখক, কবি ও প্রাবন্ধিক তারাপদ রায় এর মৃত্যুদিন

গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে আজ বছরের ২৩৭তম (অধিবর্ষে ২৩৮তম) দিন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম ও মৃত্যুদিনসহ আরও কিছু তথ্যাবলি।

ঘটনাবলি

১৮২৫ : উরুগুয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
১৮৯৬ : উপেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় সাপ্তাহিক ‘বসুমতি’ প্রথম প্রকাশিত হয়।

জন্ম

১৯০০ : সজনীকান্ত দাস, বাঙালি কবি, সাহিত্য সমালোচক ও শনিবারের চিঠি সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক।
১৯১৬ : ফ্রেডেরিক রবিনস, নোবেলজয়ী মার্কিন অণুজীব বিজ্ঞানী।
১৯৩০ : স্যার থমাস শন কনারি, একাডেমি পুরস্কার, গোল্ডেন গ্লোব, বাফটা পুরস্কার বিজয়ী স্কটল্যান্ডীয় অভিনেতা ও চলচ্চিত্র প্রযোজক।

মৃত্যু

১৮১৯ : ব্রিটিশ প্রকৌশলী, বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কারক জেমস ওয়াট
১৮২২ : জার্মান বংশোদ্ভুত ইংরেজ জ্যোতির্বিদ ও সুরকার উইলিয়াম হার্শেল
১৮৬৭ : ইংরেজ রসায়নবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডে
১৯৩০ : ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন অন্যতম ব্যক্তিত্ব এবং অগ্নিযুগের শহীদ বিপ্লবী অনুজাচরণ সেন
১৯৭৬ : সাহিত্যে যুগ্মভাবে নোবেলজয়ী সুইডিশ কথাশিল্পী আইভিন্ড জনসন
২০০৭ : হাস্যরসাত্মক তথা কৌতুকরসবোধে সংপৃক্ত রচনার জন্যে সুপরিচিত বাঙালি লেখক, কবি ও প্রাবন্ধিক তারাপদ রায়

তারাপদ রায়

তারাপদ রায় ছিলেন বাংলার প্রসিদ্ধ কবি, ছোটগল্পকার ও প্রাবন্ধিক। বাংলা সাহিত্যে হালকা হাস্যরসের সাথে পরিমিত তিক্তরস মিশ্রণের পারঙ্গম স্রষ্টা তিনি। হাস্যরসাত্মক তথা কৌতুকরসবোধে সম্পৃক্ত রচনার জন্যে তিনি সুপরিচিত।

জন্মগ্রহণ করেন ১৯৩৬ সালের ১৭ নভেম্বর অবিভক্ত বাংলায় বর্তমান বাংলাদেশের টাঙ্গাইলে। সেখানকার বিন্দুবাসিনী হাই ইংলিশ স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। ১৯৫১ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতায় কলেজে পড়তে যান। মৌলানা আজাদ কলেজ থেকে পড়াশোনা করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক উপাধি লাভ করেন।

কর্মজীবনের শুরুতে কিছুদিন উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ায় শিক্ষকতা করেন। এরপর সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। ১৯৯৪ সালে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের অধিকর্তার পদ থেকে অবসর নেন।

ছোটবেলা থেকেই কবিতা রচনার শুরু। প্রথম কবিতার বই ‘তোমার প্রতিমা’ প্রকাশিত হয় ১৯৬০ সালে। তার প্রকাশিত কবিতা সহস্রাধিক। কবিতার পাশাপাশি রম্যরচনা লিখতেন। এছাড়াও লিখেছেন অজস্র সঙ্গে গল্প, ছোট উপন্যাস ও শিশু সাহিত্য। বাংলা সাহিত্যে সার্থক রম্যরচয়িতাদের মধ্যে পাঠক পাঠিকাদের মধ্যে তিনি বেশ ভালোভাবেই জনপ্রিয় ছিলেন। তিনি ‘নক্ষত্র রায়’ এবং ‘গ্রন্থকীট’ ছদ্মনামেও লিখতেন। সরকারি অতিথি হয়ে ঘুরেছেন ইংল্যান্ড, আমেরিকা সহ বহু দেশে।

উল্লেখযোগ্য রচনাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ক খ গ ঘ’ কাণ্ডজ্ঞান, বিদ্যাবুদ্ধি, জ্ঞানগম্যি, বুদ্ধিশুদ্ধি, শোধবোধ, জলভাত, পটললাল, বালিশ, কী খবর, ধারদেনা, রস ও রমণী, শেষমেষ, জলাঞ্জলি, স্ত্রী রত্ন, মেলামেশা, মারাত্মক, বানরেরা মানুষ হচ্ছে, টমটমপুরের গল্প ইত্যাদি। কবিতার বইগুলোর মধ্যে তোমার প্রতিমা, ভালবাসার নীল পতাকাতে স্বাধীন, কোথায় যাচ্ছেন তারাপদবাবু, নীল দিগন্তে এখন ম্যাজিক, পাতা ও পাখিদের আলোচনা, জলের মত কবিতা, ভালো আছো গরীব মানুষ ইত্যাদি।

দুটি লিটল ম্যাগাজিন- ‘পূর্ব মেঘ’ ও ‘কয়েকজন’ সম্পাদনাও করেছেন তিনি। শিরোমণি পুরস্কার ও কথা পুরস্কারসহ নানা সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন তারাপদ রায়। ২০০৭ সালের ২৫ আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

 

সূত্র: সংগৃহীত

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »