1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ইফতার বিতরণ করলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা বাংলাদেশ আরএমজি প্রফেশনালস্ এর উদ্যোগে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষদের মাঝে ঈদ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ- গাজীপুরে এতিম শিশুদের সাথে বিডিআরএমজিপি এফএনএফ ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল গ্রীষ্মকাল আসছে : তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে যা করবেন ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল তাইওয়ান, সুনামি সতর্কতা ঈদের আগে সব সেক্টরের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবি এবি পার্টির সালমান খান এবার কি বচ্চন পরিবার নিয়ে মুখ খুলতে যাচ্ছেন ঐশ্বরিয়া? আমার ও দেশের ওপর অনেক বালা মুসিবত : ইউনূস লম্বা ঈদের ছুটিতে কতজন ঢাকা ছাড়তে চান, কতজন পারবেন?

বন্ধ পোশাক কারখানায় প্রাণ ফেরানো একজন সফল উদ্যোক্তার গল্প

  • সময় সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৪০৫ বার দেখা হয়েছে

দুই মামা বিদেশি জাহাজে কাজ করেন। দেশ-বিদেশ ঘোরেন। ছুটিতে দেশে ফিরলে বিভিন্ন বন্দরের গল্প করেন মামারা। সেই রোমাঞ্চ ছুঁয়ে যেত ছোট্ট আবদুল্লাহ হিল রাকিবের মন। তখন থেকেই দেশ-বিদেশ ঘোরার ইচ্ছা জাগে। সেই স্বপ্ন পূরণে মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার লক্ষ্যও নির্ধারণ করে ফেলেন। পড়ালেখাসহ অন্যান্য প্রস্তুতিও সেভাবেই চলতে থাকে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পর মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন। লিখিত পরীক্ষায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নম্বরও পান। তবে গোল বাধল অন্য জায়গায়। ওইবারই প্রার্থীদের উচ্চতার বাধ্যবাধকতা আরোপ করে মেরিন একাডেমি কর্তৃপক্ষ। দুর্ভাগ্যজনকভাবে স্বাস্থ্য পরীক্ষায় আটকে যান তিনি। মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্নটি ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।

মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হলেও ভেঙে পড়েননি রাকিব। নতুন করে শুরু করলেন, তবে এবার আর কোনো লক্ষ্য স্থির করলেন না। যদিও দেশ-বিদেশ ঘোরার ইচ্ছা ভেতরে-ভেতরে উঁকি দিত প্রতিনিয়ত। ঢাকা সিটি কলেজে ভর্তি হন। পরের বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগে। পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনিও করতেন।

পড়ালেখা শেষে ছয় বছর দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানে চাকরি ও ২৩ বছরের ব্যবসায়ী জীবনে নিজেকে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পের অন্যতম উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন আবদুল্লাহ হিল রাকিব। এ ক্ষেত্রে অন্য উদ্যোক্তাদের চেয়ে ভিন্ন পথে হেঁটেছেন তিনি। একে একে চারটি রুগ্‌ণ পোশাক কারখানা কিনে সেগুলোতে প্রাণ ফিরিয়েছেন। তার মধ্যে দুটি পরিবেশবান্ধব কারখানা। শুধু কি প্রাণ ফেরানো? বন্ধ কারখানাকে করেছেন লাভজনক। তৈরি করেছেন হাজার হাজার লোকের কর্মসংস্থান। দেশের ভেতরেও পোশাকের ব্র্যান্ড টুয়েলভ প্রতিষ্ঠা করেছেন। পাঁচ বছরের যাত্রায় বর্তমানে ব্র্যান্ডটির বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা ২৪।

পোশাকের পাশাপাশি ওষুধ, প্রযুক্তি ও আবাসন খাতে ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছেন সফল এই উদ্যোক্তা। টিম গ্রুপের ১২টি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন সাড়ে ১৮ হাজার কর্মী। তাদের বার্ষিক লেনদেনের পরিমাণ ৪৫ কোটি ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ৩ হাজার ৮২৫ কোটি টাকার কাছাকাছি। এই আয়ের প্রায় ৯০ শতাংশ পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসা থেকে আসে।

 

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »