1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
  2. [email protected] : Emon : Armanul Islam
  3. [email protected] : musa :
শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০৯:০২ অপরাহ্ন

গার্মেন্টস বর্জ্যের অ আ ক খ

  • সময় বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৪১ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস ইনসাইডারের প্রতিবেদন অনুসারে, টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির প্রতিটা পর্যায়ে উৎপন্ন হয় বর্জ্য। স্পিনিং, উইভিং, ডায়িং, ফিনিশিং, গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং, পোস্ট কনজিউমিং-প্রতিটা ক্ষেত্রে উৎপাদিত হয় বর্জ্য।

সব মিলিয়ে এই সমস্ত বর্জ্যকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। প্রি-কনজিউমার টেক্সটাইল ওয়েস্ট, পোস্ট-কনজিউমার টেক্সটাইল ওয়েস্ট ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেক্সটাইল ওয়েস্ট।

কনজিউমার টেক্সটাইল ওয়েস্ট বা ভোক্তার হাতে পৌঁছানোর আগেই গার্মেন্টসের ভেতরে যে বর্জ্য উৎপন্ন হয় তার ভেতর রয়েছে ঝুট কাপড়, ত্রুটিপূর্ণ কাপড় বা পোশাকের নমুনা, ফ্যাব্রিকের আঁশ বা তন্তু, বাড়তি কাপড়সহ আরও নানা কিছু।

গার্মেন্টস শিল্পে যে পরিমাণ কাপড় ব্যবহৃত হয় তার শতকরা ১৫ ভাগ প্রি-কনজিউমার টেক্সটাইল ওয়েস্ট হিসেবে বর্জ্যে পরিণত হয়। এই ধরনের বর্জ্য দিয়ে নানা কিছু বানিয়ে সেগুলোর উপযোগিতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন, গার্মেন্টসের ঝুট কাপড় দিয়ে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা মামুনুর রহমান বানাচ্ছেন এলা প্যাড।

প্রাথমিকভাবে গার্মেন্টসের নারী কর্মীরা পিরিয়ডের সময় তাদেরই হাতে তৈরি ঝুট কাপড়ের প্যান্টি আর প্যাড ব্যবহার করে। এটাকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনের জন্যে কাজ করছেন এই উদ্যোক্তা। এ ছাড়া সিনথেটিক যে প্রি-কনজিউমার টেক্সটাইল ওয়েস্ট আছে, সেগুলো দিয়ে সাউন্ড প্রুফিং অ্যাপ্লিকেশনসহ আরও নানা কিছু বানানো যেতে পারে।

কোনো পোশাক আর গায়ে না ঢুকলে, পুরোনো হয়ে গেলে, নষ্ট হয়ে গেলে, চলতি ফ্যাশনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে না চললে বা নিদেনপক্ষে ভোক্তার আর পরতে ইচ্ছে না করলে সেটা পোস্ট কনজিউমার টেক্সটাইল ওয়েস্টে পরিণত হয়। সেগুলোর একটা অংশ ফার্নিচার আর ঘর মোছার কাজে ব্যবহৃত হয়।

কিন্তু ফেলে দেওয়া হয় সবচেয়ে বেশি। বাংলাদেশে আশি আর নব্বইয়ের দশকে বঙ্গবাজারে সেকেন্ড হ্যান্ড কাপড়ের বিশাল মার্কেট ছিল আর তা তুমুল জনপ্রিয় ছিল ভোক্তাদের মাঝে। তবে করোনাকালে এই ছুড়ে ফেলা পোশাকগুলো নিয়ে অনেক কাজ হয়েছে। অনেকেই সেকেন্ড হ্যান্ড কাপড় আর পোশাক নিয়ে কাজ করছেন।

বিশ্ব ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতেও বেশ কিছু পোশাকের ব্র্যান্ড দাঁড়িয়ে গেছে যারা কেবল সেকেন্ড হ্যান্ড পোশাক নিয়ে কাজ করে। সেগুলোকে আপসাইক্লিং করে বিক্রি করে। ‘চল’ এমনই একটি বাংলাদেশি পোশাকের কোম্পানি। ইনস্টাগ্রামে ‘বাংলাদেশ থ্রিফট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান আছে যারা কেবল সেকেন্ডহ্যান্ড পোশাক বিক্রি করে।

সেকেন্ড হ্যান্ড পোশাকের প্রতি মানুষের মনোভাব বদলালে, গ্রহণযোগ্যতা বাড়ালে গার্মেন্টস ওয়েস্ট অনেকটা কমে যাবে। আবার অনেক বহুজাতিক রিটেইল ব্র্যান্ড তাদের আউটলেটে সেকেন্ড হ্যান্ড পোশাক বিক্রি শুরু করেছে। অন্যদিকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেক্সটাইল ওয়েস্ট বলতে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছানোর আগেই যে পণ্যগুলোকে ‘আনফিট’ বা ‘বাতিল’ ঘোষণা করা হয়।

সূত্র : প্রথম আলো (১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১)

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »