1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ০৭:২১ অপরাহ্ন

ইতিহাসে নভেম্বর ৭ বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী আমিনুল ইসলাম জন্মগ্রহণ করেন।

  • সময় রবিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২১
  • ৭৫৮ বার দেখা হয়েছে

গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে আজ বছরের ৩১১তম (অধিবর্ষে ৩১২তম) দিন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা বিশিষ্টজনের জন্ম ও মৃত্যুদিনসহ আরও কিছু তথ্যাবলি।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

ঘটনাবলি

১৬৫৯ : ফ্রান্স ও স্পেনের মধ্যে ঐতিহাসিক পাইরনসিস শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৬৬৫ : ব্রিটেনের সরকারি প্রকাশনা ‘দ্য লন্ডন গেজেট’ প্রথম প্রকাশিত হয়।
২০২০ : বিশ্বের প্রথম ৬জি উপগ্ৰহ উৎক্ষেপণ করে চীন।

জন্ম

১৭২৮ : ক্যাপ্টেন জেমস কুক, ব্রিটিশ নৌ-সেনাপতি ও আবিষ্কারক।
১৮৫৮ : বিপিন চন্দ্র পাল, ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী।
১৮৬৭ : মারি ক্যুরি, নোবেলবিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী ও রসায়নবিদ।
১৮৮৮ : স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমন, নোবেলজয়ী ভারতীয় পদার্থ বিজ্ঞানী।
১৯০৩ : কনরাড লরেঞ্জ, অস্ট্রিয়ান প্রাণিবিদ্যাবিদ, নোবেলবিজয়ী আর্থলজিস্ট ও পক্ষীবিদ।
১৯১৩ : আলবেয়ার কামু, নোবেলজয়ী আলজেরীয় বংশোদ্ভূদ ফরাসি সাহিত্যিক।
১৯২৯ : এরিক ক্যান্ডেল, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রিয়ান বংশোদ্ভূত আমেরিকান স্নায়ুবিজ্ঞানী ও সাইকোলজিস্ট।
১৯৩১ : আমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী।
১৯৫৪ : কমল হাসান, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

মৃত্যু

১৮৬২ : মুঘল সাম্রাজ্যের শেষ সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর
১৯২৩ : বাঙালি রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক এবং লেখক অশ্বিনীকুমার দত্ত
১৯৭৫ : বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশি মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার এ.টি.এম. হায়দার
২০১৯ : বাঙালি কবি, লেখিকা এবং শিক্ষাবিদ নবনীতা দেবসেন

আমিনুল ইসলাম

আমিনুল ইসলাম ছিলেন একজন বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী। তিনি ঢাকা আর্ট কলেজের প্রথম ব্যাচের ছাত্র এবং প্রথম সরকারি গেজেটভুক্ত শিক্ষক। চিত্রকলায় অবদানের জন্যে বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮১ সালে একুশে পদক এবং ১৯৮৮ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।

জন্মগ্রহণ করেন ১৯৩১ সালের ৭ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির (বর্তমান বাংলাদেশ) টেটিয়া গ্রামে তার মামার বাড়িতে।

শিক্ষাজীবন শুরু হয় ঢাকার মাহুতটুলী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পর তিনি আরমানিটোলা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এসময়ে তিনি জাপানি, চীনা, ও ভারতীয় চিত্রশিল্পীদের কাজ অনুসরণ করতেন। তিনি জ্ঞানেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাজ পছন্দ করতেন। ১৯৪৭ সালে তিনি ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন এবং চিত্রকলা বিষয়ে পড়াশুনার জন্যে কলকাতা আর্ট কলেজে ভর্তি হতে যান।

সেখানে জয়নুল আবেদীন, কামরুল হাসান, শফিউদ্দিন আহমেদের সাথে তার সাক্ষাৎ হয়। তারা তাকে কলকাতায় ভর্তি না হয়ে ঢাকাতেই নির্মিতব্য আর্ট কলেজে ভর্তির পরামর্শ দেন। তিনি জয়নুল আবেদীনের সাথে ঢাকায় ফিরে আসেন। ১৯৪৮ সালে নব্যপ্রতিষ্ঠিত গভর্নমেন্ট ইনস্টিটিউট অব আর্ট (বর্তমান চারুকলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)-এ ভর্তি হন। তিনি ছিলেন এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম ব্যাচের ছাত্র।

হামিদুর রহমান, ইমদাদ হোসেন, ইসমাইল, আবদুল কাদের তার সহপাঠী ছিলেন। ১৯৫৩ সালে তিনি প্রথম বিভাগে স্নাতক সম্মান লাভ করেন এবং একই বছর ইতালি সরকারের বৃত্তি নিয়ে তিন বছরের জন্যে ফ্লোরেন্সের আকাদেমি দেল বেল্লে আর্তে-এ উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে যান।

১৯৫৬ সালে ইতালি থেকে দেশে এসে ঢাকা আর্ট কলেজের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। এই প্রতিষ্ঠানে তিনি প্রথম সরকারি গেজেটভুক্ত শিক্ষক। ১৯৭৮ সালে তিনি আর্ট কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৩ সালে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই তিনি শিক্ষকতা থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নেন।

ঢাকার বিভিন্ন স্থানে আমিনুল ইসলামের করা ম্যুরালসমূহ হলো- বাংলাদেশ ব্যাংকের পুরাতন ভবনের অভ্যন্তরের দেয়াল (১৯৬৮), ওসমানী হলের সামনের দেয়ালে নির্মিত মোজাইক ম্যুরাল (১৯৮৪), মতিঝিলে অবস্থিত জনতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের প্রবেশমুখে ২০ x ২০ ফুট আয়তনের ম্যুরাল (১৯৮৬), বাংলাদেশ ব্যাংকের বত্রিশ তলা ভবনের ললাটে উৎকীর্ণ ৮৪ x ১৫.১ ফুট আয়তনের ম্যুরাল (১৯৯৬) ইত্যাদি।

সম্মাননা

ঢাকা আর্ট গ্রুপ শো-তে প্রথম পুরস্কার, ১৯৫২
জাতীয় শিল্প প্রদর্শনী, ১৯৫৭-১৯৬৪
শিল্পকলা একাডেমি পুরস্কার, ১৯৭৬
চিত্রকলায় অবদানের জন্যে একুশে পদক, ১৯৮১
বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা, ১৯৮৫
চিত্রকলায় অবদানের জন্যে স্বাধীনতা পুরস্কার, ১৯৮৮

আমিনুল ইসলাম ২০১১ সালের ৮ জুলাই বার্ধক্যজনিত কারণে ঢাকাতে মৃত্যুবরণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জুমার নামাজের পর তার জানাজার পর তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

 

সূত্র: সংগৃহীত

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »