1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন

ইতিহাসে নভেম্বর ২৪ বাঙালি গণিতশাস্ত্রবিদ ও বিজ্ঞানশিক্ষক কালীপদ বসু,জন্ম গ্রহন করেন।

  • সময় শনিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২১
  • ৮০৪ বার দেখা হয়েছে

গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে আজ বছরের ৩২৮তম (অধিবর্ষে ৩২৯তম) দিন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা বিশিষ্টজনের জন্ম ও মৃত্যুদিনসহ আরও কিছু তথ্যাবলি।

ঘটনাবলি

১৬৪২ : আবেল তাসম্যান তাসমানিয়া আবিষ্কার করেন।
১৭১৫ : টেমস নদীর পানি জমে বরফ হয়ে গিয়েছিল।
১৯৩৩ : বঙ্কিমচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় বিখ্যাত সাহিত্য-সাপ্তাহিক ‘দেশ’ প্রথম প্রকাশিত।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

জন্ম

১৭৮৪ : জ্যাকারি টেইলর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বাদশ রাষ্ট্রপতি।
১৮৬০ : কালীপদ বসু, বাঙালি গণিতশাস্ত্রবিদ ও বিজ্ঞানশিক্ষক।
১৯২৬ : সুং দাও লি, নোবেলজয়ী চীনা-মার্কিন পদার্থবিদ।
১৯৩১ : রবি ঘোষ, বিখ্যাত ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র অভিনেতা।

মৃত্যু

১৮৮৪ : বাংলা নাটকের প্রথম যুগের নাট্যকার হরচন্দ্র ঘোষ
২০১৭ : সাধক সঙ্গীতশিল্পী ও নন্দিত বংশীবাদক বারী সিদ্দিকী

গণিতজ্ঞ কালীপদ বসু

কালীপদ বসু। কে.পি বসু নামেও তিনি পরিচিত। তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি গণিতশাস্ত্রবিদ ও বিজ্ঞানশিক্ষক। কে.পি বসু পাবলিশিং কোম্পানির তিনি প্রতিষ্ঠাতা।

জন্মগ্রহণ করেন ঝিনাইদহ জেলার হরিশংকরপুর গ্রামে। বাবা মহিমাচরণ বসু। কে.পি বসুর দুই ভাই ছিলেন। প্রসন্ন কুমার বসু ও রাধিকা প্রসাদ বসু। ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ছিলেন কে.পি বসু। পড়াশুনা করেন গ্রামের স্কুলে। এরপর লর্ড রিপন কলেজে ভর্তি হন এবং এন্ট্রান্স পাস করেন। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিত শাস্ত্রে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। পড়াশোনা শেষ করে তিনি ১৮৯২ সালে ঢাকা কলেজে গণিতের শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন এবং এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই আমৃত্যু কর্মরত ছিলেন।

কালীপদ বসু বেশ কিছু গণিতশাস্ত্রের পাঠ্যপুস্তক রচনা করেন। অ্যালজাবরা মেড ইজি, মডার্ন জিওমেট্রি, ইন্টারমিডিয়েট সলিড জিওমেট্রির মতো বই লেখার পাশাপাশি প্রকাশনা শিল্পের প্রতিও তার মনোযোগ আকৃষ্ট হয়েছিল। সে আমলে মুদ্রণ শিল্প তেমন উন্নত ছিল না। এ অভাব পূরণের জন্যেই তিনি কলকাতায় কে.পি বসু পাবলিশিং কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

১৯০২ সালে কলকাতায় অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় ম্যাথামেটিক্স কনফারেন্সে তার পঠিত ‘হাউ টু টিচ ম্যাথামেটিক্স’ প্রবন্ধে তিনি সে সময়ের প্রচলিত ‘কড়াকিয়া’ ও ‘গ-াকিয়া’ পদ্ধতি বর্জন করে দশমিক পদ্ধতি চালুর সুপারিশ করেন।

দীর্ঘদিনের শ্রমসাধ্য গবেষণায় তিনি বীজগণিতের বহু বিচিত্র ও জটিল নিয়মকে সহজ প্রণালিতে পরিণত করেন। প্রচলিত বহু সূত্র কে.পি বসুর উদ্ভাবিত। শুধু সূত্র আবিষ্কারই নয়; অসংখ্য নতুন অঙ্ক উদ্ভাবন করে তিনি গণিতশাস্ত্রের কলেবর বৃদ্ধি ও উৎকর্ষ সাধন করেছেন। তার বীজগণিতের বই যথেষ্ট জনপ্রিয়।

কর্মরত অবস্থায় প্রবাসে থেকেও কে.পি বসু নিজ গ্রামের উন্নয়নে উদ্যোগী হন। গ্রামের দরিদ্র জনসাধারণকে অন্ন, বস্ত্র ও অর্থ বিতরণ করতেন। ঝিনাইদহ শহরে তার নামে একটি সড়কের নামকরণ করা হয়েছে।

১৯১৪ সালে ভয়ংকর পার্নিসাস ম্যালেরিয়া জ্বরে মাত্র তিন দিনের রোগ শয্যায় কে.পি বসু মৃত্যুবরণ করেন। কলকাতার নিমতলা শ্মশানে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

সূত্র : সংগৃহীত

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »