1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০২৪, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন

শাওনের তেলবিহীন হোভারক্রাফট আবিষ্কার

  • সময় সোমবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৮২৮ বার দেখা হয়েছে

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সী-প্লেনের আদলে তৈরি করা হয়েছে হোভারক্রাফট। যা নদীপথে চলবে জ্বালানি তেলবিহীন। সৌর বিদ্যুতের সহায়তায় ঘণ্টায় প্রায় ৪০ কিলোমিটার বেগে ছুটবে এটি। কলাপাড়া পটুয়াখালী থেকে ৬ ডিসেম্বর ২০২১ মানবজমিনে লিখেছেন মো. শরিফুল হক শাহীন

মহিপুর ইউনিয়নের মোয়াজ্জেমপুর গ্রামের মাদ্রাসা শিক্ষক নাসির উদ্দিনের ছেলে শাওন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ প্ল্যানেটর কলেজের রোবোটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। ছোটবেলা থেকেই তিনি একের পর এক প্রযুক্তি আবিষ্কার করছেন। জানা যায়, সম্পূর্ণ ফাইবার ও এলুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এর অবকাঠামো। যা জ্বালানি তেলবিহীন সম্পূর্ণ সোলার সিস্টেমে ৩ জন যাত্রী নিয়ে নদীপথে চলতে পারবে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

এছাড়াও হোভারক্রাফটিতে ব্যবহার করা হয়েছে আধুনিক সব প্রযুক্তি। মাহবুবুর রহমান শাওন ২০১৮ সালে জ্বালানি ও চালকবিহীন গাড়ি ও বাতাসের সাহায্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ বেশকিছু প্রযুক্তি আবিষ্কার করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে হোভারক্রাফট আবিষ্কারের চিন্তা মাথায় আসে। পরে তার বাবার সহায়তায় সী-প্লেনের আদলে হোভারক্রাফট আবিষ্কারে সফল হন।

শাওন বলেন, দীর্ঘ ৯ মাস দিন-রাত কঠোর পরিশ্রমের পর হোভারক্রাফট তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি। আমার বাবা আমাকে উৎসাহ যুগিয়েছে। এটার এখন লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি দরকার। যেটা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে আমদানি করতে হবে এবং ইতোমধ্যে অর্ডার করা হয়েছে। বর্তমানে হোভারক্রাফটি কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের বিনোদনে ব্যবহার করতে চাই। তবে সরকারি সহায়তা পেলে এটি বাণিজ্যিকভাবে তৈরি করা সম্ভব।

হোভারক্রাফট তৈরিতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪ লাখ টাকা। ওই এলাকায় হাইভোল্টেজ ব্যাটারি না থাকায় বর্তমানে এটি ইঞ্জিনের মাধ্যমে চলছে।

মোয়াজ্জেমপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক মিয়া জানান, হোভারক্রাফটি শাওন আমাদের চালিয়ে দেখিয়েছে। আমরা একসঙ্গে ৪ জন এটিতে উঠেছি। নদীপথে চলতে বেশ ভালো লেগেছে। আরেক বাসিন্দা রহিম মিয়া জানান, শাওন একটার পর একটা নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেই চলছে। এই খুদে বিজ্ঞানী আমাদের এলাকার গর্ব। আমরা চাই শাওনের তৈরি হোভারক্রাফট সরকারি সহায়তার মাধ্যমে সারা বিশ্বে পৌঁছে যাক।

কলাপাড়া সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজের পদার্থ বিজ্ঞানের অধ্যাপক ইউসুফ আলী বলেন, শাওনের আবিষ্কারগুলো সত্যিই প্রশংসনীয়। তাকে উচ্চতর প্রশিক্ষণ দিলে সে আরও ভালো কিছু করতে পারবে।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মো. শহিদুল হক জানায়, খুদে বিজ্ঞানী শাওন এর আগেও বেশকিছু প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছে। তার সকল উদ্ভাবন প্রশংসনীয়। তাকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল ধরনের সহায়তা করা হবে।

সূত্র: মানবজমিন (৬ ডিসেম্বর, ২০২১)

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »