1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
  2. [email protected] : Emon : Armanul Islam
  3. [email protected] : musa :
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ১২:২১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :

ইতিহাসে ডিসেম্বর ১৫ বাংলাদেশি সাহিত্যিক, সাংবাদিক, চিত্রকর বন্দে আলী মিয়া জন্মগ্রহণ করেন।

  • সময় বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৮৪ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশি সাহিত্যিক, সাংবাদিক, চিত্রকর বন্দে আলী মিয়া জন্মগ্রহণ করেন।

গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে আজ বছরের ৩৪৯তম (অধিবর্ষে ৩৫০তম) দিন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা বিশিষ্টজনের জন্ম ও মৃত্যুদিনসহ আরও কিছু তথ্যাবলি।

ঘটনাবলি

১৯০৬ : লন্ডনের পাতাল রেলপথ চালু।
১৯২৯ : কলকাতায় কবি নজরুলকে গণসংবর্ধনা দেয়া হয়।
১৯৭০ : সোভিয়েত মহাকাশযান ভিনিরা-৭ সফলভাবে ভেনাসে ল্যান্ড করে।

জন্ম

১৮৫২ : অঁরি বেকেরেল, নোবেলজয়ী ফরাসি পদার্থবিজ্ঞানী।
১৯০৬ : বন্দে আলী মিয়া, বাঙালি কবি।
১৯১৬ : মরিস উইলকিন্স, নোবেলবিজয়ী ইংরেজ জীবপদার্থবিজ্ঞানী।
১৯৩৩ : এমাজউদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য।
১৯৩৫ : একেএম আবদুর রউফ, বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী, বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানের হস্তলেখক।

মৃত্যু

১৯৪০ : বাংলাভাষার লেখক এবং সাংবাদিক মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী
১৯৫০ : উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামী ও জাতীয়তাবাদী নেতা বল্লভভাই প্যাটেল
১৯৬৬ : মার্কিন চলচ্চিত্র প্রযোজক, নির্দেশক, কাহিনীকার, নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী ও অ্যানিমেটর ওয়াল্টার এলিয়াস ডিজনি
২০২০ : বাঙালি অধ্যাপক, লেখক, সঙ্গীত-গবেষক এবং লোকসংস্কৃতি বিশেষজ্ঞ সুধীর চক্রবর্তী

বন্দে আলী মিয়া

বন্দে আলী মিয়া ছিলেন বাংলাদেশি সাহিত্যিক, সাংবাদিক, চিত্রকর। বাংলা সাহিত্যে বিরল প্রতিভা ও সব পল্লীকবির মধ্যে অন্যতম ছিলেন। জন্মগ্রহণ করেন ১৯০৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর পাবনা জেলার রাধানগর গ্রামে। বাবা মুনশি উমেদ আলী মিয়া ও মা নেকজান নেসা ছিলেন শিক্ষানুরাগী। সাহিত্যকীর্তিতে তিনি যে উচ্চতায় উঠতে পেরেছিলেন, সেজন্যে তিনি মনে করেন তার মায়ের অবদান সবচেয়ে বেশি। মায়ের মুখের অফুরন্ত গল্প ও রূপকথা শুনেই বড় হন তিনি।

জীবনের শুরুতে প্রথাগত শিক্ষার হাতেখড়ি হয়েছিল বাড়িতেই। কয়েক বছর পর বাংলাদেশের পাবনা শহরের মজুমদার একাডেমিতে ভর্তি হন। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পড়া শেষ হলে ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে চিত্রবিদ্যায় ভর্তি হন কলকাতার ইন্ডিয়ান আর্ট একাডেমিতে। চিত্রবিদ্যা নিয়েই ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ১৯২৫ খ্রিষ্টাব্দে পড়াশোনার সময় তিনি ‘ইসলাম দর্শন’ পত্রিকার সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেছেন কিছুদিন। সাহিত্য সাধনায় নিজেকে ওই সময় থেকেই উজাড় করে দিতে লাগলেন।

বন্দে আলী মিয়া কবিতা, উপন্যাস, নাটক, জীবনী, শিশুসাহিত্য প্রভৃতি মাধ্যমে গ্রন্থ রচনা করেন।

উল্লেখযোগ্য রচনা হলো:

কাব্য: ময়নামতীর চর (১৯৩০), অনুরাগ (১৯৩২), পদ্মানদীর চর (১৯৫৩), মধুমতীর চর (১৯৫৩), ধরিত্রী (১৯৭৫);
উপন্যাস: বসন্ত জাগ্রত দ্বারে (১৯৩১), শেষ লগ্ন (১৯৪১), অরণ্য গোধূলি (১৯৪৯), নীড়ভ্রষ্ট (১৯৫৮);
গল্পগ্রন্থ: তাসের ঘর (১৯৫৪);
নাটক: মসনদ (১৯৩১);
শিশুসাহিত্য: চোর জামাই (১৯২৭), মেঘকুমারী (১৯৩২), বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা (১৯৩২), সোনার হরিণ (১৯৩৯), শিয়াল পন্ডিতের পাঠশালা (১৯৫৬), কুঁচবরণ কন্যা (১৯৬১), সাত রাজ্যের গল্প (১৯৭৭);
জীবনী: কামাল আতাতুর্ক (১৯৩৭), শরৎচন্দ্র, ছোটদের নজরুল (১৯৫৮) ইত্যাদি।

তাঁর রচনায় বাংলার মানুষ, সমাজ ও প্রকৃতির প্রতিফলন ঘটেছে। বন্দে আলী মিয়া শিক্ষকতা ও সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি পত্রপত্রিকায় চিত্রকর ও ব্লক কোম্পানির ডিজাইনার হিসেবেও কাজ করেন।

শিশুসাহিত্যে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬২), প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫) এবং উত্তরা সাহিত্য মজলিস পদক (১৯৭৭) লাভ করেন।

১৯৭৯ সালের ১৭ জুন রাজশাহীতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

 

সূত্র: সংগৃহীত

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »