1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি লাভকারি হামীম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান রিফাত গার্মেন্টস কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে থমকে আছে সারাদেশ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে যেসব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রেসিডেন্ট প্রার্থীরা ভক্তদের কাঁদিয়ে ফুটবল থেকে বিদায় নিচ্ছেন দি মারিয়া কাল প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন হেপাটাইটিসে আক্রান্ত ৭০ হাজারের বেশি মানুষ পুলিশও মামলা করলো কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের সাথে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বৈঠক সংসদে আইন পাস না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে রাষ্ট্রপতির জেলায় এসপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মো. আ. আহাদ

ইতিহাসে ডিসেম্বর ২৫গল্পকার, ঔপন্যাসিক এবং অধ্যাপক আবু রুশদ জন্মগ্রহণ করেন

  • সময় সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৮০৭ বার দেখা হয়েছে

গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে আজ বছরের ৩৫৯তম (অধিবর্ষে ৩৬০তম) দিন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা বিশিষ্টজনের জন্ম ও মৃত্যুদিনসহ আরও কিছু তথ্যাবলি।

ঘটনাবলি

১৭৫৮ : হ্যালির ধূমকেতু প্রথম দেখা যায়।
১৮৪৮ : নিউ হ্যাভেন রেলপথ চালু হয়।
১৯৬৪ : ঢাকা থেকে প্রথম টেলিভিশন অনুষ্ঠান সম্প্রচার।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

জন্ম

১৭২১ : ইংরেজ কবি উইলিয়াম কলিন্স
১৮৬১ : পণ্ডিত মদনমোহন মালব্য, ভারতীয় শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ, স্বাধীনতা আন্দোলনের এক বিশিষ্ট নেতা ও ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের চার বারের সভাপতি।
১৯১৯ : বাংলাদেশের একজন সুপরিচিত লেখক এবং বিখ্যাত ঔপন্যাসিক আবু রুশদ
১৯১৯ : করুণা বন্দ্যোপাধ্যায়, সত্যজিৎ রায়ের পথের পাঁচালীতে ‘সর্বজয়া’ ভূমিকায় অবতীর্ণ প্রখ্যাত বাঙালি অভিনেত্রী।
১৯২৩ : মাজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ তথা ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথিতযশা স্থপতি।
১৯৩৪ : সত্য সাহা, বাংলাদেশি সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক।
১৯৬৮ : সঞ্জীব চৌধুরী, বাংলাদেশি সংগীতশিল্পী ও সাংবাদিক।

মৃত্যু

১৯৪৮ : খ্যাতনামা বাঙালি মহিলা কবি কুসুমকুমারী দাশ
১৯৭৭ : ইংরেজ চলচ্চিত্র অভিনেতা চার্লি চ্যাপলিন
১৯৮৮ : চিত্রশিল্পী কাজী হাসান হাবিব
২০১৮ : ভারতীয় বাঙালি কবি নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

দিবস

বড়দিন, যিশুর জন্মদিবসের স্মরণে উদযাপিত খ্রিস্টানদের ছুটির দিন।

আবু রুশদ

আবু রুশদ ছিলেন একজন বাংলাদেশি গল্পকার, ঔপন্যাসিক এবং অধ্যাপক। সাহিত্যজগতে আবু রুশদ নামে পরিচিত হলেও তার পুরো নাম ছিল আবু রুশদ মতিনউদ্দিন। এ দেশের উল্লেখযোগ্য অল্পসংখ্যক কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে তিনি অন্যতম, যিনি অবিভক্ত ভারতের মুসলিম সমাজের আর্থসামাজিক অবস্থার সফল চিত্র এঁকেছেন। তার লেখায় সাহিত্যরস ও সামাজিক ইতিহাসের উপাদান একইসঙ্গে পান পাঠকেরা।

জন্মগ্রহণ করেন ১৯১৯ সালের ২৫ ডিসেম্বর কলকাতায়। তিনি ছিলেন ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক। পড়াশোনা করেছেন কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ডে। সর্বশেষ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক হিসেবে অবসর নেন। তবে আবু রুশদ সাহিত্যসাধনা করেছেন বাংলায়।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার আগে বিভিন্ন সময়ে তিনি কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ, ঢাকা কলেজ, চট্টগ্রাম কলেজ, রাজশাহী কলেজে অধ্যাপনা করেন। অধ্যাপনার পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি পদেও নিযুক্ত ছিলেন। ষাটের দশকের গোড়ার দিকে তিনি পাকিস্তান থেকে সিনিয়র ফেলো হিসেবে জাতিসংঘে মনোনীত হন এবং পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেন। তিনি আশির দশকের মাঝামাঝি সময় বাংলাদেশ প্রেস ইন্সটিটিউটের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।

প্রথম গল্পগ্রন্থ রাজধানীতে ঝড় বেরোয় ১৯৩৮ সালে। ৬টি উপন্যাস, ৫০টি ছোটগল্প এবং তিন খণ্ডের আত্মজীবনী রচনা করেছেন আবু রুশদ। উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে- এলোমেলো, সামনে নতুন দিন, ডোবা হলো দিঘি, নোঙ্গর, অনিশ্চিত রাগিণী, স্থগিত দ্বীপ ইত্যাদি। এর বাইরে বাংলায় যেমন উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের কবিতা অনুবাদ করেছেন, তেমনি ফকির লালন শাহের গান ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন।

তিনি ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১৯৭১ সালের ৪ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসিতে পাকিস্তান দূতাবাসে কাউন্সেলর (শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক) হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি দ্বিতীয় সচিব আতাউর রহমান চৌধুরী, তৃতীয় সচিব সৈয়দ মুয়াজ্জেম আলী, সহকারী প্রশাসনিক অ্যাটাচি এম এ এম শরফুল আলম, সহকারী প্রেস সচিব শেখ রুস্তম আলীসহ অন্যান্য মিশন-কর্মীদের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন। পরবর্তীকালে তারা ‘বাংলাদেশ মিশন ওয়াশিংটন’ নামে একটি সংহতি সংগঠন গঠন করেন। এ সংগঠনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত তৈরি করে অবদান রাখেন। মুজিবনগর সরকারের পক্ষে তিনি বাংলাদেশ নিউজলেটার নামে একটি পাক্ষিক প্রকাশের দায়িত্বে ছিলেন।

বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্যে তিনি নানা পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সম্মাননা হলো-
তঘমা-ই-ইমতিয়াজ
বাংলা একাডেমী পুরস্কার
হাবিব ব্যাংক পুরস্কার
একুশে পদক
আদমজী সাহিত্য পুরস্কার
নাসিরুদ্দীন স্বর্ণপদক
অলক্তা সাহিত্য পুরস্কার
বাংলা সাহিত্য পরিষদ পুরস্কার
শেরে বাংলা পুরস্কার
লেখিকা সংঘ পুরস্কার
রোটারী ক্লাব পুরস্কার
চট্টগ্রাম সংস্কৃতি কেন্দ্র ফারুখ স্মৃতি পুরস্কার

আবু রুশদ ছিলেন স্বভাবজাত নিভৃতচারী। ৯১ বছরের দীর্ঘ জীবন পেয়েছিলেন বটে, কিন্তু শেষ ১০ বছর বলা চলে কিছুই লেখেননি। স্ত্রী আজিজা রুশদের কথায়, এ সময়ে তিনি সভা-সেমিনার, এমনকি বন্ধুবান্ধবের আড্ডাও এড়িয়ে গেছেন। ২০১০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

সূত্র : সংগৃহীত

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »