1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ১১:১৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ভালো ভাবনার আহ্বানে বিশ্ব মেডিটেশন দিবস উদযাপিত ওমর খৈয়াম : সাহিত্যিক, দার্শনিক, জ্যোতির্বিদ আর নিখাদ আল্লাহপ্রেমী যে মানুষটিকে পাশ্চাত্য বানিয়েছে মদারু! আধুনিক বিশ্ব এখন ঝুঁকছে ডিজিটাল ডায়েটিংয়ের দিকে : আপনার করণীয় মানুষ কখন হেরে যায় : ইবনে সিনার পর্যবেক্ষণ সন্তান কখন কথা শুনবে? আসুন জেনে নেই মিরপুর কলেজের এবছরের অর্জন গুলো A town hall meeting of the RMG Sustainability Council (RSC) was held at a BGMEA Complex in Dhaka to exchange views on various issues related to RSC নব নবগঠিত UPVAC-বাংলাদেশ কমান্ড কমিটির দায়িত্বভার গ্রহন উপলক্ষে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত UPVAC-বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এর বিবৃতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-বাড়িতে মারধর, চুল টানা, কান মলাসহ শিশুদের শাস্তি বন্ধ নেই

মৃত্যুভয়কে জয় করবেন কীভাবে?

  • সময় মঙ্গলবার, ৭ মার্চ, ২০২৩
  • ৩৭৩ বার দেখা হয়েছে

 ভয়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় ভয় হচ্ছে মৃত্যু ভয়, যদি মারা যাই। যেহেতু আমরা মৃত্যুর ঐ পারটা দেখি না।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

যে ব্যক্তি জানে না মৃত্যুর পর কী হবে…

আমরা অন্ধকারকে ভয় পাই। কিছু দেখতে পারছি না, সেজন্যে ভয় পাই। অর্থাৎ যেখানেই আমরা দেখতে না পাই, উপলব্ধি করতে না পারি, সেটাকেই ভয় পাই।

মৃত্যুকে আমরা ভয় পাই কেন? মৃত্যুকে কেন বলতে পারি না, ‘মরণ রে তুহ মম শ্যাম সমান’। কেন বলতে পারি না? কারণ অন্ধকার। মৃত্যুর পরে কী অপেক্ষা করছে, আমরা জানি না।

যিনি জানেন মৃত্যুর পর কী অপেক্ষা করছে…

আবার যিনি জানেন, মৃত্যুর পরে কী অপেক্ষা করছে, তিনি বলতে পারেন, প্রভু, আমি প্রস্তুত তুমি যাকে পাঠানোর পাঠাও, আমি প্রস্তুত।

এবং অকাল মৃত্যুর ভয়, যে অকালে যদি মারা যাই! আসলে মৃত্যুর কোনো কাল-অকাল নাই। মৃত্যু যখন আসার তখনই সেটার কাল।

অকালে কেউ মারা যায় না, বিকালেও কেউ মারা যায় না। মারা যায় মানুষ তার যখন সময় আসে তখন।

কারণ মৃত্যু হচ্ছে একেবারে সুনির্দিষ্ট। যতদিন বাঁচার আপনি বাঁচবেন। যখন আপনার মৃত্যুর সময় হবে পৃথিবীর কোনোকিছু আপনাকে আর বাঁচিয়ে রাখতে পারবে না।

মানুষ মরতে না চাওয়ার প্রধান কারণ সন্তান

আমরা অনেকে মরতে চাই না কেন? মারা গেলে ছেলেমেয়ের কী হবে?

আরে ছেলে-মেয়ে কি মানে আপনার ভাগ্য নিয়ে এসছে? না তাদের ভাগ্য নিয়ে এসছে? প্রত্যেকে নিজের জীবন নিয়ে আসছে। আপনি কিন্তু ছেলেমেয়ের মালিক নন, আপনি ছেলেমেয়ের পালক। ছেলেমেয়ের মালিক কিন্তু আল্লাহ।

অতএব ছেলেমেয়ের কী হবে- এটার জন্যে আল্লাহই যথেষ্ট।

আপনি বেঁচে থাকলেও ছেলেমেয়ের জন্যে কিছু করতে পারবেন না। আবার মারা যাওয়ার পরেও আপনার ছেলেমেয়ের কোনো অসুবিধা না-ও হতে পারে।

এবং আসলে পৃথিবীর যারা খ্যাতিমান হয়েছেন স্মরণীয় হয়েছেন বরণীয় হয়েছেন তাদের ৫০ শতাংশ মা-বাবা ছাড়া বড় হয়েছেন। স্নেহছায়া ছাড়া তারা বড় হয়েছেন। খ্যাতিমান হয়েছেন স্মরণীয় হয়েছেন বরণীয় হয়েছেন।

[প্রজ্ঞা জালালি, ০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯]

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »