1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ওমর খৈয়াম : সাহিত্যিক, দার্শনিক, জ্যোতির্বিদ আর নিখাদ আল্লাহপ্রেমী যে মানুষটিকে পাশ্চাত্য বানিয়েছে মদারু! আধুনিক বিশ্ব এখন ঝুঁকছে ডিজিটাল ডায়েটিংয়ের দিকে : আপনার করণীয় মানুষ কখন হেরে যায় : ইবনে সিনার পর্যবেক্ষণ সন্তান কখন কথা শুনবে? আসুন জেনে নেই মিরপুর কলেজের এবছরের অর্জন গুলো A town hall meeting of the RMG Sustainability Council (RSC) was held at a BGMEA Complex in Dhaka to exchange views on various issues related to RSC নব নবগঠিত UPVAC-বাংলাদেশ কমান্ড কমিটির দায়িত্বভার গ্রহন উপলক্ষে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত UPVAC-বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক এর বিবৃতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান-বাড়িতে মারধর, চুল টানা, কান মলাসহ শিশুদের শাস্তি বন্ধ নেই কেন আপনি সফট এবং এনার্জি ড্রিংকস খাবেন না

আলফাডাঙ্গায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে রাতের আধারে জোর পূর্বক ঘর উত্তোলন

  • সময় বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৩
  • ২৭৩ বার দেখা হয়েছে

আলফাডাঙ্গা(ফরিদপুর) প্রতিনিধিঃ

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় জমিজমা কে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের বিরোধে মাননীয় আদালতের ১৪৪ ধারাকে উপেক্ষা করে রাতের আধারে জোর পূর্বক ঘর উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোপালপুর গ্রামে মৃত তকবীর আহমেদ এর পুত্র মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ও প্রতিবেশী মৃত শওকত আলী খানের ছেলে মশিউর রহমানের মধ্যে বাড়ির জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছি

ল। এ বিষয়ে হাবিবুর রহমান ১ মার্চ বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ফরিদপুর ১৪৪ ধারায় মামলা করেন, আলফাডাঙ্গা থানার পিটিশন মামলা নং ১৬৪/২৩, উক্ত মামলায় নিষেধাজ্ঞা থাকায় আলফাডাঙ্গা থানা পুলিশ সরজমিনে গিয়ে উভয় পক্ষকে বিরোধমান জমিতে কোন প্রকার কার্যক্রম করতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

সেটিকে উপেক্ষা করে ৮ মার্চ মঙ্গলবার (শবেবরাতের)গভীর রাতে মশিউর রহমান গং ৪০/৫০ জনের একটি সংবদ্ধ চক্র দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জোর পূর্বক বিরোধমান জমিতে ৩টি ছাপড়া ঘর ও ১ টি টয়লেট উত্তোলন করে। এ বিষয়ে বাদী মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, ২৮ নং মৌজা গোপালপুর, যাহার সিএস খতিয়ান নং ৩১৬, দাগ নং ৯৩৩, জমির পরিমাণ ৩১ শতাংশ। সিএস রেকর্ডের মালিক আমার দাদা আব্দুল বারিক, উক্ত জমি নিয়ে বিজ্ঞ আলফাডাঙ্গা সহকারী জর্জ আদালত ফরিদপুর আমার বাবা তকবীর আহমেদ বাদী হয়ে ৫৩/৯২ নং দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন।

এই মামলায় বারিকের পুত্র তকবীর আহমেদ মাননীয় আদালতে ১৩/৫/১৯৯৩ ইং তারিখে ডিগ্রী লাভ করেন। এখানে উল্লেখ থাকে যে, তকবীর আহমেদ এর পুত্র মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান দীর্ঘ ২৯ বছর যাবৎ এই জমিতে আমরা শান্তি পূর্ণ ভাবে বসবাস করে আসছিল এমতাবস্থায় গত ফেব্রুয়ারি মাসে ঔ জায়গায় নতুন বিল্ডিং তৈরী করার সিদ্ধান্ত নিলে প্রতিপক্ষ মশিউর রহমান বাধা প্রদান করেন। এ বিষয়ে বিবাদী মশিউর রহমান বলেন, এই ৩১ শতাংশ জমি আমার বাবা শওকত আলী খান ৬/২/১৯৯১ সালে ক্রয় করেছিলেন,এটি আমাদের ক্রয়কৃত সম্পত্তি। জমিতে জোর পূর্বক ঘর উত্তোলনের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন।

উক্ত বিরোধ নিরশনের জন্য বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের সম্মতিতে ১১ মার্চ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে এক শালিস বিচারের মাধ্যমে বাদী হাবিবুর রহমানের গংদের পক্ষে জমির সঠিক দলিল পর্চা থাকায় তাদের পক্ষে বিচারের রায় প্রদান করেন বিজ্ঞ শালিসী বোর্ড।

রায়ের সিদ্ধান্তে জমিতে জোর পূর্বক যে ছাপড়া ঘরগুলি উত্তোলন করা হয়েছিল সেগুলি বিবাদী ভেঙ্গে নিয়ে যাবে এবং বিবাদী মশিউর রহমান শালিসী বোর্ডের নিকট ২ শতাংশ জমির দাবী করায় শালিসী বোর্ড সেটি দিতে বাদী হাবিবুর রহমান কে অনুরোধ করলে তিনি সেটি দিতে সম্মতি হন।

কিন্তু উক্ত শালিসী বোর্ডের সিদ্ধান্ত কে ও উপেক্ষা করে বিবাদী মশিউর রহমান এলাকায় শান্তি ভঙ্গের চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন বলে বাদী হাবিবুর রহমান বলেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »