1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি লাভকারি হামীম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান রিফাত গার্মেন্টস কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে থমকে আছে সারাদেশ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে যেসব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রেসিডেন্ট প্রার্থীরা ভক্তদের কাঁদিয়ে ফুটবল থেকে বিদায় নিচ্ছেন দি মারিয়া কাল প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন হেপাটাইটিসে আক্রান্ত ৭০ হাজারের বেশি মানুষ পুলিশও মামলা করলো কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের সাথে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বৈঠক সংসদে আইন পাস না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে রাষ্ট্রপতির জেলায় এসপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মো. আ. আহাদ

সোনামসজিদ কাস্টমসে রাজস্ব আয়ে পৌনে ৫০০ কোটি টাকা ঘাটতি

  • সময় শনিবার, ১৭ জুন, ২০২৩
  • ১৬৭ বার দেখা হয়েছে
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর ও কাস্টমস স্টেশন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ।  গত এক বছর ধরে এই স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে কমেছে রাজস্ব আহরণ। বিদায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার ৪৫ দশমিক ৯৬ শতাংশই ঘাটতি। অথচ আগের দুই অর্থবছরে এ বন্দরে রাজস্ব আয় লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি ছিল। কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, গেল  (২০২২-২৩) অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ৩৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এর বিপরীতে আদায় হয়েছে ৫৬০ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। রাজস্ব ঘাটতি ৪৭৬ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। আবার নতুন অর্থবছরে আসছে নতুন লক্ষ্য। সূত্রমতে, ২০২১-২২ অর্থবছরে রাজস্ব লক্ষ্য ছিল ৮২৮ কোটি ৮৩ লাখ। ওই অর্থবছরে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ৯৭০ কোটি ৩০ লাখ টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৪১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা বেশি। আহরণ প্রবৃদ্ধি ১৭ দশমিক ০৭ শতাংশ। ২০২০-২১ অর্থবছরে লক্ষ্য ছিল ৪৭৩ কোটি ৫ লাখ টাকা। ওই অর্থবছরে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ৭০৭ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৩৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা বেশি আয় হয়। আহরণ প্রবৃদ্ধি ৪৯ দশমিক ৬২ শতাংশ।
সোনামসজিদ কাস্টমস স্টেশন সূত্রমতে, এ বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পাথর, ভুট্টা, ভুসি, চিঁড়া, কিছু মেশিনারিজ, পোলট্রি ফিড, ফ্লাইঅ্যাশ ও পিয়াজ আমদানি হয়। মৌসুমি ফল যেমন কমলা, আঙ্গুরসহ বিভিন্ন ফল আমদানি হয়। নেট মশারি, পাটের ব্যাগ, পাটের দড়ি, রাইস ব্রান অয়েল ও কিছু গার্মেন্টস পণ্য বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হয়। তবে এ বন্দর দিয়ে আমদানি পণ্যের ৬০ শতাংশই পাথর।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে স্থলপথে আমদানি পণ্যের বড় অংশ আসে এ পথে। কিন্তু এলসি সংকট, স্থলবন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও দুই দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে বিরাজমান সমস্যার জন্য আমদানি কমেছে। ব্যবসায়িক সুবিধার কারণে বেনাপোল, হিলি ও ভোমরা বন্দর দিয়ে ফল আমদানি করছেন আমদানিকারকরা। এ কারণে সোনামসজিদ কাস্টমস স্টেশন রাজস্ব আদায়ও কমেছে।
সোনামসজিদ সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন জানান, এ বন্দর নিয়ন্ত্রণ করে বেসরকারি অপারেটর পানামা পোর্ট লিমিটেড। চুক্তি অনুযায়ী অপারেটর এত বছরেও এ বন্দরে আধুনিক ও ভারী কোনো যন্ত্রপাতি বসায়নি। সেবা বৃদ্ধি না করলেও প্রতিবছর বন্দর মাশুল পাঁচ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে অন্য বন্দরের চেয়ে এ বন্দরে আমদানি-রপ্তানি খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে। উন্নত সেবা ও ভারী যন্ত্রপাতি না থাকায় আমদানি-রপ্তানিকারকরা এ বন্দর ব্যবহারে আগ্রহ হারাচ্ছে। বৈষম্য দূর করা হলে বন্দরের ব্যবহার বাড়বে, বাড়বে রাজস্ব।
সোনামসজিদ স্থলবন্দর কাস্টমসের সহকারী কমিশনার প্রভাত কুমার সিংহ বলেন, এ বন্দর দিয়ে ফল আমদানি করছেন না ব্যবসায়ীরা। মূলত এ কারণেই রাজস্বে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তাছাড়া এলসি সংকটের কারণে এই বন্দরে আমদানি কমেছে বলে আমাদের ধারণা। এ কারণে গেল অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »