1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ০৫:২০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি লাভকারি হামীম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান রিফাত গার্মেন্টস কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে থমকে আছে সারাদেশ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে যেসব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রেসিডেন্ট প্রার্থীরা ভক্তদের কাঁদিয়ে ফুটবল থেকে বিদায় নিচ্ছেন দি মারিয়া কাল প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন হেপাটাইটিসে আক্রান্ত ৭০ হাজারের বেশি মানুষ পুলিশও মামলা করলো কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের সাথে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বৈঠক সংসদে আইন পাস না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে রাষ্ট্রপতির জেলায় এসপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মো. আ. আহাদ

বিদায়ী অর্থবছরে ৪৪ হাজার ৭২৮ কোটি টাকা রাজস্ব ঘাটতি

  • সময় সোমবার, ১০ জুলাই, ২০২৩
  • ১৯৩ বার দেখা হয়েছে
বিদায়ী ২০২২-২৩ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪৪ হাজার ৭২৮ কোটি টাকা কম রাজস্ব আদায় হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। আদায় হয়েছে ৩ লাখ ২৫ হাজার ২৭২ কোটি টাকা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে এই তথ্য উঠে এসেছে।
রাজস্ব আদায়ের তিন খাত হলো শুল্ক, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট। বিদায়ী অর্থবছরে এই তিন খাতের মধ্যে বেশি কমেছে শুল্ক আদায়ের ক্ষেত্রে। ডলার বাঁচাতে আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপের কারণে কমে গেছে আমদানি। এর প্রভাবে শুল্ক আদায়ও কমেছে।
এনবিআর তথ্য বলছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে আমদানি-রপ্তানির শুল্কে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু  রাজস্ব আদায় হয়েছে ৯১ হাজার ৭১৭ কোটি টাকা। ঘাটতির পরিমাণ ১৯ হাজার ২৮৩ কোটি টাকা। আর আয়করে ঘাটতি হয়েছে ৯ হাজার ১৭৯ কোটি টাকা। বিদায়ী অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ২২ হাজার ১০০ কোটি টাকা। আদায় হয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ৯২২ কোটি টাকা।
বিদায়ী বছরে মূল্য সংযোজন (মূসক বা ভ্যাট) থেকে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯০০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। আদায় হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা। মূসকে ঘাটতি ১৬ হাজার ২৬৬ কোটি টাকা।
২০২২-২৩ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য পূরণ না হলেও ২০২১-২২ অর্থবছরের চেয়ে বেশি আদায় হয়েছে। এনবিআর তথ্য বলছে, বিদায়ী অর্থবছরে শুল্ক বেড়েছে ২ দশমিক ৫৬ শতাংশ, আয়কর বেড়েছে ৯ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং মূল্যসংযাজন কর বেড়েছে ১১ দশমিক ২৭ শতাংশ।
বিদায়ী অর্থবছরে দেশের অর্থনীতিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অভিঘাত সহ্য করতে হচ্ছে। এ সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে একদিকে যেমন সব ধরনের পণ্যের দাম বেড়ে যায়, বাড়ে পরিবহন খরচও, সৃষ্টি হয় মূল্যস্ফীতি। এর প্রভাব পড়েছে উৎপাদন ও বিনিয়োগে। প্রভাব পড়েছে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রেও। ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, আগামী বছরে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে, যা রাজস্ব আদায়কে প্রলম্বিত করবে।

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »