1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ইফতার বিতরণ করলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা বাংলাদেশ আরএমজি প্রফেশনালস্ এর উদ্যোগে দুঃস্থ ও অসহায় মানুষদের মাঝে ঈদ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ- গাজীপুরে এতিম শিশুদের সাথে বিডিআরএমজিপি এফএনএফ ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া মাহফিল গ্রীষ্মকাল আসছে : তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে যা করবেন ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল তাইওয়ান, সুনামি সতর্কতা ঈদের আগে সব সেক্টরের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবি এবি পার্টির সালমান খান এবার কি বচ্চন পরিবার নিয়ে মুখ খুলতে যাচ্ছেন ঐশ্বরিয়া? আমার ও দেশের ওপর অনেক বালা মুসিবত : ইউনূস লম্বা ঈদের ছুটিতে কতজন ঢাকা ছাড়তে চান, কতজন পারবেন?

পোশাক খাত ঘিরে বেড়েছে দুশ্চিন্তা

  • সময় মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ৮৮ বার দেখা হয়েছে

চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি অর্জনে বাকি ৫ মাসে রপ্তানি করতে হবে রেকর্ড ৫৭৫ কোটি ডলার হারে। যাকে একরকম অসম্ভব বলছেন উদ্যোক্তা ও বিশ্লেষকরা। যদিও বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েনেও সুবাতাস ছিল জানুয়ারিতে। অন্যদিকে পোশাক, চামড়াসহ বিভিন্ন খাতের প্রণোদনা কমানোর ঘোষণা বাড়তি দুশ্চিন্তায় ফেলেছে উদ্যোক্তাদের।
বৈশ্বিক টানাপোড়েন, অভ্যন্তরীণ সংকট আর হঠাৎ করেই প্রণোদনা কমানোর ঘোষণায় দুশ্চিন্তা বেড়েছে পোশাক খাত ঘিরে। তবে এমন অবস্থার মধ্যেও জানুয়ারিতে সেই ছাপ পড়েনি রপ্তানির সবচেয়ে বড় এই খাতে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে আয় এসেছে ২ হাজার ৮৩৬ কোটি ডলার। যা বছর ব্যবধানে বেড়েছে প্রায় সাড়ে ৩ শতাংশ। তবে বাকি ৫ মাসে এই খাতের লক্ষ্যমাত্রা কতটা অর্জিত হবে, তা নিয়ে সন্দিহান উদ্যোক্তারা।
বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, কাস্টমস জটিলতা এবং গ্যাস সংকট-এই দুটিই হচ্ছে আমাদের আমদানি-রপ্তানির জন্য প্রধান বাধা। ইতোমধ্যে পোশাক খাতে নগদ সহায়তা কমানোর ঘোষণা দেয়া হয়েছে। কিন্তু সেই সঙ্গে অন্য কোনো সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়নি। এতে এই খাতে দুশ্চিন্তা বেড়েছে।
হঠাৎ করে আশা জাগিয়ে লম্বা সময় ধরে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির বৃত্তে আরেক সম্ভাবনার খাত হোমটেক্সটাইল। সবশেষ অর্থবছরে রপ্তানি শত কোটি ডলার ছাড়ালেও চলতি অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার এক তৃতীয়াংশ। অন্যদিকে, দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত চামড়া ও চামড়াজাতপণ্যেও ঠেকানো যাচ্ছে না প্রবৃদ্ধির পতন।
লেদার ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস সোসাইটির সভাপতি এ কে এম মুশফিকুর রহমান মাসুদ বলেন, ডলার সংকটের কারণে অনেক সময় আমরা আমদানি করতে পারি না। বাজারে কেমিক্যালসের দাম বেশি থাকে। ফলে চামড়ার খরচ বেড়ে যায়। ক্রেতার টার্গেট পূর্ণ করতে পারি না। পরিপ্রেক্ষিত্রে ক্রয়াদেশ বাতিল করতে হয়।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট রপ্তানির লক্ষ্য ৬ হাজার ২০০ কোটি ডলার। যা অর্জনে বাকি ৫ মাসে আয় করতে হবে ৫৭৫ কোটি ডলার হারে। অথচ গেলো ৭ মাসের গড় ছিল মাত্র ৪৭৫ কোটি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাজার ও পণ্যের বৈচিত্র্যকরণ ছাড়া অসম্ভব এই অর্জন।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ডলারে সরবরাহ নিশ্চিত রাখতে হবে। যাতে আমদানিকারকদের আমদানি ব্যাহত না হয়। একই সঙ্গে গ্যাস সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে হবে। যাতে রপ্তানিকারকদের উৎপাদন ব্যাহত না হয়। নিয়মিত রপ্তানি করতে পারেন।
অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে রপ্তানি ও রেমিট্যান্স মিলিয়ে বহির্খাত থেকে আয় হয়েছে সাড়ে ৪ হাজার কোটি ডলারের কিছু বেশি।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

জেমস আহমেদ
মেহেরপুর,কুষ্টিয়া
প্রতিনিধি।

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »