1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি লাভকারি হামীম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান রিফাত গার্মেন্টস কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে থমকে আছে সারাদেশ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে যেসব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রেসিডেন্ট প্রার্থীরা ভক্তদের কাঁদিয়ে ফুটবল থেকে বিদায় নিচ্ছেন দি মারিয়া কাল প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন হেপাটাইটিসে আক্রান্ত ৭০ হাজারের বেশি মানুষ পুলিশও মামলা করলো কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের সাথে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বৈঠক সংসদে আইন পাস না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে রাষ্ট্রপতির জেলায় এসপি হিসেবে দায়িত্ব পেলেন মো. আ. আহাদ

চল্লিশ পেরোনো একজন মানুষের কী লক্ষ্য হওয়া উচিত?

  • সময় রবিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১১২ বার দেখা হয়েছে

আমাদের যাদের বয়স ৪০ পার হয়েছে, তাদের জীবনের লক্ষ্য উদ্দেশ্য কী হওয়া উচিৎ? কারণ ৪০ বছরে তো মানুষ নবুয়ত পাই। জীবনও সেটেলড হয়ে যায়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

জীবন কখনো সেটেলড হয় না, সেটেলমেন্ট হচ্ছে মৃত্যু
উত্তর : আসলে জীবন কখনো সেটেলড হয় না। জীবনের সেটেলমেন্ট হচ্ছে মৃত্যু। আসলে আমরা এই যে সেটেলড হওয়া নিশ্চয়তা এগুলো তো খামোখা ভুগি। আমাকে একজন বলছে যে, লাইফ ইনসুরেন্স করতে হবে। যে আমি বলি যে কী করতে হবে? এত টাকা। এত টাকা মাসে মাসে দেবেন, মৃত্যুর পরে এত টাকা এত টাকা পাবে।

আমি বলি যে মৃত্যুর পরে কে টাকা পাবে না পাবে এটা নিয়ে আমার চিন্তা করার দরকার কি? আমি যদি অত চিন্তা করি তো আল্লাহ কী করবেন? কারণ আল্লাহ প্রত্যেকের রিজিক দিয়ে পাঠিয়েছেন।

আর আর যেখানে আমার জীবনেরই কোনো নিশ্চয়তা নাই সেটার ইনসুরেন্স কী করব। আমি আপনি কী আমার লাইফ ইনসিওর করতে পারবেন যে, না এই টাকা দিলে আপনি মারা যাবেন না এত বছর মারা যাবেন না। আমি যদি কালকে মারা যাই তো কী হবে?

সত্যজ্ঞানটাকে নিজের জীবনে প্রয়োগ করবেন
তো আসলে এই যুগে কোনো নবী আসবেন না, কাউকে নবুয়ত দেয়া হবে না। নবুয়ত পাওয়ার আপনার কোনো সুযোগ নাই। কিন্তু সত্যজ্ঞান লাভ করার সুযোগ আছে। কোয়ান্টামে আসছেন মানে কি? আপনি সত্যজ্ঞান লাভ করেছেন।

এবং সত্যজ্ঞানটাকে কী করবেন? এখন এই জ্ঞানটা নিজের জীবনে এপ্লাই করবেন প্রয়োগ করবেন।

এবং এই যে ভাবুন বিশ্বাস করুন অর্জন করুন সারা পৃথিবী আমার। আমার এই তো সারা পৃথিবী আমার। তো কেন? এটাকে আমরা বিশ্বাস করেছি প্রয়োগ করেছি এবং দেখেছি। ইয়েস ইট ওয়ার্ক। কারণ আল্লাহ সেরূপেই ধরা দেন।

কারণ আল্লাহ কিন্তু এনিথিং আমি সেই আল্লাহয় বিশ্বাস করি যিনি সবকিছু পারেন। এনিথিং এনিথিং যিনি মৃতকে জীবিত করতে পারেন, জীবিতকে মৃত করতে পারেন। আপনাকে তো বিশ্বাস করতে হবে।

চাওয়ার এই পাওয়ারটাকে প্রয়োগ করতে হবে বিশ্বাস দিয়ে
এবং আপনাকে আল্লাহ কী বলেছেন? যে আমি আমার প্রতিনিধি পাঠাচ্ছি। আরে প্রতিনিধিকে তো পাওয়ার দিয়ে পাঠানো হয়, পাওয়ার ছাড়া পাঠানো হয় না তো। যাকেই কেউ প্রতিনিধি করে, একটা কোম্পানি যদি তার একজন এমপ্লয়ীকে বা একজন ডিরেক্টরকে কোম্পানিকে রিপ্রেজেন্ট করার জন্যে পাঠায়, তাহলে কী করে? পাওয়ার দিয়ে পাঠান, না পাওয়ার ছাড়া পাঠান?

তো আপনাকে পাওয়ার দিয়ে পাঠানো হয়েছে তো। যে জন্যে বলা হয়েছে যে ঠকঠক করো দরজা খুলে যাবে। চাও, পাবে। কিন্তু চাইতে হবে! চাওয়ার এই পাওয়ারটাকে চাওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে হবে কী দিয়ে? বিশ্বাস, বিশ্বাস দিয়ে।

ভালো কাজ করতে হলে সৎ ভালো মানুষের সঙ্ঘে একত্র হতে হবে
তো এখন আপনি সত্যজ্ঞানের সন্ধান পেয়েছেন। এখন কী করবেন, সত্যজ্ঞানটা কী? একজন মানুষ পৃথিবীতে আসছে সেবা করার জন্যে লালন করার জন্যে। আল্লাহ কী করেন? আল্লাহ লালন করেন সৃষ্টিকে। তাঁর প্রতিনিধি কী করবে? লালন করবে।

এবং আপনার যে মেধা আল্লাহ দিয়েছেন এটাকে সেবায় রূপান্তরিত করেন। ভালো কাজে- ভালো কাজে নিজেকে সংযুক্ত করেন এবং ভালো কাজ করতে হলে কী করতে হবে? আপনাকে সৎ মানুষের ভালো মানুষের সঙ্ঘে একত্র হতে হবে। ভালো কাজ একা করা যায় না।

আপনার নিয়তটা হচ্ছে খুব ইম্পর্টেন্ট, যে আপনি কী করতে চান
ধরুন আমরা কোয়ান্টামে যা করছি আমরা তো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মানুষ ছোট ছোট মানুষ আমরা। আমরা বড় মাপের মানুষ না আমরা সাধারণ মানুষ। আমরা মেধাবী মানুষ না, কিন্তু আমরা পরিশ্রমী মানুষ।

আমরা কী করেছি? আমরা সবাই একত্র হয়েছি, আচ্ছা ঠিক আছে, তোমার চাল তোমার ডাল তোমার অমুক অমুক মিলিয়ে আমরা একটা রান্না করছি। অর্থাৎ মানুষের জন্যে কাজ করছি।

এবং ছোট ছোট মানুষরাও যদি একত্র হয় তাহলে বড় কাজ করা যায়।

ধরুন আজকে আমাদের দেশের এক পঞ্চমাংশ রক্তের চাহিদা আমরা পূরণ করছি। কী দিয়ে? এক টাকাও তো কোথাও থেকে আমরা কোনো সাহায্য নিই নাই। এবং এখানেও মজা! আপনার নিয়তটা হচ্ছে খুব ইম্পর্টেন্ট যে আপনি কী করতে চান।

আমরা কিন্তু রক্তের ল্যাব করার জন্যে টাকা সংগ্রহ করি নাই। তখন সেই সময় এম্বুলেন্স বলে আমাদের দেশে কিছু ছিল না, এম্বুলেন্স পাওয়া যেত না।

তো আমরা চিন্তা করলাম যে একটা এম্বুলেন্স সার্ভিস আমরা শুরু করব। এম্বুলেন্স সার্ভিসের জন্যে আমরা টাকা সংগ্রহ করার উদ্যোগ নিলাম।

তখন মানে একেকটা এম্বুলেন্সের দাম ছিল পাঁচ লাখ টাকা, এখন থেকে ২৫ বছর আগে! এম্বুলেন্সের দাম ছিল পাঁচ লাখ টাকা। তো দুটোর টাকা দশ লাখ টাকা সংগ্রহ হলো।

তো এম্বুলেন্স যখন আমরা প্রাকটিকেলি কিনতে যাব তখন হলো যে এম্বুলেন্স চালানোর জন্যে যে রান করার জন্যে যে ইনফ্রাস্ট্রাকচার এটাতো আমাদের নাই। ড্রাইভার লাগবে, ড্রাইভারের পুল লাগবে দুটো গাড়ি হলে তিন- মানে তাদের আবার ছুটির দিন আছে এটা আছে সেটা আছে।

আর ড্রাইভারদেরকে পরিচালনা করাটা একটা খুব ডিফিকাল্ট ব্যাপার। এটা সেরকম অভিজ্ঞতা না হলে চালানো যায় না। এবং দেখলাম যে, এটা আসলে আমাদের যে সংগঠন এখন যে পর্যায় এই পর্যায়ে এটাতে আমরা হাত দিতে পারব না।

শুধু নিয়তটা ঠিক থাকতে হবে যে না, I want to serve
এখন টাকা তো হয়ে গেল দশ লাখ। এখন এটা দিয়ে কী করব?

তখন সেকেন্ড থট আসলো আমরা এই কাজটা করতে পারি। এই কাজটা করার জন্যে আমাদের ইনফ্রাস্ট্রাকচার আছে। এই রক্তদান কার্যক্রমের চিন্তা হলো রক্তদানের কার্যক্রম শুরু করলাম। টাকাটা কাজে লাগল এবং আরো টাকা আসতে লাগল।

আমি কি বোঝাতে পারছি যে, অভিজ্ঞ অনেকে বলেন যে অভিজ্ঞতা নাই কী করব? আরে অভিজ্ঞতা আমি সবাইকে বলি একটি কথা, অভিজ্ঞতার ব্যাপারে আপনি কি বিয়ে করার আগে অভিজ্ঞতা নিয়ে বিয়ে করেছিলেন? হ্যাঁ যারা অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে বিয়ে করে তাদের বিয়ে টিকে না।

যেরকম ইউরোপ আমেরিকাতে বিয়ে টিকে না কেন? তারা অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে বিয়ে করে এজন্যে টিকে না।

তো অভিজ্ঞতা ছাড়া অর্জন করা ছাড়া যদি আপনি বিয়ের মতন এরকম একটা কাজ করে ফেলতে পারেন, তাহলে এনিথিং- এনিথিং শুধু নিয়তটা ঠিক থাকতে হবে যে না, I want to serve. আমি সেবা দেবো।

নিয়তটা ঠিক থাকতে হবে এবং সঙ্ঘবদ্ধ হতে হবে
এবং আজকে আমাদের আল্লাহর শোকর এটা তাঁর দয়া, আমাদের তৃপ্তি আছে। এই তো কালকেও যখন এখান থেকে গিয়েছি দেখি যে একদম ল্যাব ভর্তি লোক ভেতরে ঢোকে। ল্যাব ভর্তি লোক। ডোনার এবং রিসেপিয়েন্ট সব কি হচ্ছে ডেঙ্গুর রোগী সব প্লাটিলেট।

তো হচ্ছে যেটা যে নিয়তটা ঠিক থাকতে হবে এবং সঙ্ঘবদ্ধ হতে হবে। ভালো থাকতে হলে সঙ্ঘবদ্ধ হতে হবে। সঙ্ঘবদ্ধ না হলে আপনি ভালো থাকতে পারবেন না।

এই যে ভাবুন বিশ্বাস করুন অর্জন করুন। অর্জন কখন করতে পারবেন? যখন বিশ্বাসে অটল থাকতে পারবেন। বিশ্বাসে অটল কখন থাকতে পারবেন? আপনার চারপাশে তো সব নেতিবাচক, আপনি যদি ইতিবাচক লোকদের সাথে একাত্ম না থাকেন, আপনি যদি সঙ্ঘবদ্ধ না হন আপনি যদি ফাউন্ডেশনে একাত্ম না হন এই বিশ্বাস খুব বেশিক্ষণ থাকবে না।

কারণ ভালো মানুষরা একজন আরেকজনের বন্ধু। একজন আরেকজনের স- সঙ্গী, একজন আরেকজনের সম্মান। একজন আরেকজনকে ভালো রাখার চেষ্টা করে। আপনি খারাপ একটা কিছু করতে গেলেও যখন দেখবেন যে, আপনার আরেকজন কোয়ান্টাম ভাই চলে আসছে, বোন চলে আসছে কী হবে আপনি, আপনি একটু সংযত হয়ে যাবেন। গালি দিতে গেলেও না এর সামনে তো গালি দেয়া যাবে না।

মানে এই সঙ্ঘটা কিন্তু খুব গুরুত্বপূর্ণ। ভালো কাজের চেয়েও ভালো সঙ্ঘ হচ্ছে ইম্পর্টেন্ট। ভালো সঙ্ঘে থাকলে আপনি ভালো কাজ করতে পারবেন, কিন্তু ভালো কাজ করে আপনি ভালো থাকতে পারবেন না। বিক্ষিপ্ত অবস্থায় বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আপনি ভালো থাকতে পারবেন না।

জীবনের লক্ষ্য হচ্ছে মেধাটাকে সেবায় রূপান্তরিত করা
তো এজন্যে সবসময় কী করবেন? আপনারা যারা অনেকদিন পরে প্রথমবারের মতো এসছেন, অনেকে অনেক বছর পরে এসছেন এবং এখন আসছেন যখন সবসময় সাদাকায়নে আসবেন। শাখাতে যাবেন সেন্টারে যাবেন সেলে যাবেন এবং সবসময় সৎ মানুষের সাথে ভালো মানুষের সাথে থাকবেন। ফাউন্ডেশনের প্রত্যেকটা কাজের সাথে একাত্ম থাকবেন। তাহলেই আপনি জীবনের লক্ষ্য কী হওয়া লক্ষ্যটাকে পূরণ করতে পারবেন।

একজন মানুষের জীবনের লক্ষ্য চাকরি নয় জীবনের লক্ষ্য অর্থ নয়। অর্থ হচ্ছে জীবিকা, চাকরি হচ্ছে জীবিকা। তার জীবনের লক্ষ্য হচ্ছে, তার মেধাটাকে সেবায় রূপান্তরিত করা। যাতে করে ইহকাল এবং পরকাল দুইকালে আপনার কল্যাণ হতে পারে।

আরে জীবনের লক্ষ্য কী হওয়া উচিৎ মুসলমান হলে বলে দিতে হবে?

আপনি প্রার্থনা করছেন না নামাজে, রাব্বানা আতিনা ফিদদুনিয়া হাসানাতাও ওয়াফিল আখেরাতে হাসানাতাও ওয়াকিনা আজাবাননার।

যে, হে আল্লাহ! হে আমার প্রতিপালক! তুমি আমাকে দুনিয়ার কল্যাণ দান করো আখেরাতের কল্যাণ দান করো।

কাজটা সবচেয়ে ভালোভাবে করা, এবং সেই কাজে যার যতটুকু উপকার সম্ভব সেটা করা
তো কল্যাণ কখন দেবে? যখন আপনি কল্যাণের জন্যে কাজ করবেন তখন। অর্থাৎ একমন কাজ করবেন যেটাতে দুনিয়ার কল্যাণ হবে এবং আখেরাতের কল্যাণ হবে।

সেজন্যে হচ্ছে আপনার মেধাটাকে সেবায়। যে কাজ করেন, আপনার লক্ষ্য থাকবে সেই কাজটা সবচেয়ে ভালোভাবে করা। এক নম্বর। এবং সেই কাজে যার যতটুকু উপকার সম্ভব সেটা করা।

ধরুন আপনি একজন অফিসার, আপনার কাছে একটা ফাইল আসছে আপনি ইচ্ছে করলে মানুষটার উপকার করতে পারেন।

আবার ইচ্ছে করলে আপনি এটাকে শুধু ফেলে রেখে তার সর্বনাশ করে দিতে পারেন। কিছুই করলেন না। আপনি বলবেন যে, আমি তো কিছু করি নাই, কিন্তু তার সর্বনাশ হয়ে যেতে পারে।

এখন আপনি যেহেতু তার উপকার করতে পারেন, এই উপকার যে করে দিলেন এটাই দুনিয়া এবং আখেরাতের জন্যে আপনার কল্যাণের কাজ হয়ে গেল।

প্রত্যেকটা ভালো কাজ হচ্ছে পুণ্য, প্রত্যেকটা ভালো কাজ হচ্ছে সওয়াবের
শুধু আল্লাহ আল্লাহ করলে সূরা কেরাত পড়লে সওয়াব হয় না। প্রত্যেকটা ভালো কাজ হচ্ছে পুণ্য প্রত্যেকটা ভালো কাজ হচ্ছে সওয়াবের। আপনি অনেক জিকির করলেন আজকার করলেন। কিন্তু একজন মানুষের ক্ষতি করলেন। এই জিকির আসকার কোনো কাজে লাগবে না। কারণ জিকির আসকার হচ্ছে এটা আল্লাহর অধিকার। আর অন্যের ক্ষতি যে করলেন আপনি মানুষের অধিকারকে লঙ্ঘন করলেন।

আপনি জিকির করেন নাই আল্লাহ আপনাকে মাফ করে দিতে পারেন, কিন্তু আপনি আরেকজনের ক্ষতি করলেন, সে মাফ না করা পর্যন্ত আল্লাহ মাফ করবেন না।

অতএব আপনার জীবনের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ আপনার যা আছে সেটা দিয়ে আপনি কীভাবে মেধাটাকে সেবায় রূপান্তরিত করতে পারেন এবং সঙ্ঘবদ্ধভাবে মানুষের সেবায় কী কী কাজ করতে পারেন সেটাকে ঠিক করা। তাহলে আপনি সফল হবেন। তাহলেই আপনি মানে নবুয়ত না পেলেও আপনি ইহকাল এবং পরকাল দুইকালেই কল্যাণ পাবেন।

[গ্রাজুয়েট রিজুভিনেশন, ২১ অক্টোবর ২০২২ থেকে ২৪ অক্টোবর ২০২২]

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »