1. [email protected] : আরএমজি বিডি নিউজ ডেস্ক :
  2. [email protected] : Emon : Armanul Islam
  3. [email protected] : musa :
বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ইতিহাসে ডিসেম্বর ২ প্রথম প্রথম ভারতীয় বাঙালি বিমানচালক, ইন্দ্রলাল রায় জন্মগ্রহণ করেন । ইতিহাসে ডিসেম্বর ১ চলচ্চিত্রাভিনেতা, সুরকার, গায়ক, চলচ্চিত্র নির্মাতা খান আতাউর রহমান মৃত্যুবরণ করেন কমোড কেন ক্ষতিকর তা বুঝতে মলত্যাগের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াটি আগে জানতে হবে টয়লেটে হাই কমোড লাগিয়ে কি আমরা জাতে উঠলাম, নাকি জাত হারালাম? হাই কমোডে মলত্যাগের অভ্যাস কেন এতো ক্ষতিকর? ঢাবির পর বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায়ও প্রথম মেফতাউল ইউপি চেয়ারম্যান হলেন তৃতীয় লিঙ্গের ঋতু ইতিহাসে নভেম্বর ৩০ স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু জন্মগ্রহণ করেন পরচুলায় শতকোটি ডলারের হাতছানি এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পৃথিবীর যে-কোনো দেশের সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাথে তুলনা করা যায়

কবিরত্ন এম এ হক এর ১৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ!

  • সময় বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২০
  • ৩২৯ বার দেখা হয়েছে

আগস্ট মাস বাঙ্গালি জাতির শোকের মাস। আর এই শোকের মাসে বাংলাদেশের বিশেষ করে ফরিদপুরের সাহিত্যাঙ্গনের সাহিত্যানুরাগিরা গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে কবিরত্ন এম এ হক সাহেবকে। আজ কবি’র ১৪ তম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি ২০০৬ সালের আজকের এই দিনে অর্থাৎ ১৩ই আগস্ট পরলোক গমন করেন।

এম এ হক ১৯২৯ সালের ১ জানুয়ারি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার ব্যাংকেরচর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি স্থানীয় কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমি থেকে ১৯৪৮ সালে মাধ্যমিক এবং ১৯৫০ সালে বি এল কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। এরপর শিক্ষকতা পেশায় যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন।

এম এ হক মূলত ইসলামি ও লোক সঙ্গীত এবং কবিতা লিখেছেন। এছাড়া, ছড়া, প্রবন্ধ ও গল্পও রচনা করেন। তিনি স্থানীয় ‘যশোর-সাহিত্য-সংঘ’ থেকে ‘কবিরত্ন’ উপাধি পান। তার রচিত ‘কচি মনের খোরাক’ গ্রন্থটি ১৯৭১ সালের পূর্বে পাকিস্তান শাসনামলে যশোর শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্রুত পঠন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিলো। এছাড়া ‘ছন্দ-বন্ধ-বাগধারা’ গ্রন্থে তিনি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অসংখ্য বাগধারা সংকলন করেন এবং তা ছন্দে রুপ দেন।২০০৬ সালের ১৩ আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

“এলাকায় তিনি যুক্তিবাদী, পণ্ডিত, শিক্ষানুরাগী এবং কবি সাহেব নামে পরিচিত। তিনি একাধিক শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা। জীবনে বহুবার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক এবং গুণিজন হিসেবে সংবর্ধিত হয়েছিলেন। কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ‘যশোর-সাহিত্য-সংঘ’ তাকে ‘কবিরত্ন’ উপাধি দেয়।”

হুদা বলেন, এম এ হক ছিলেন একাধারে কবি, গীতিকার, প্রাবন্ধিক, ছড়াকার এবং গল্পকার।

“তিনি লোকজীবনের অন্তরতল যেমন তার সাহিত্যের উপজীব্য করেছিলেন, তেমনি আধুনিকতাও উপলব্ধির আওতায় আনতে পেরেছিলেন। ইসলামি গান, লোকগান, আধুনিক গান ও কবিতার সফল পাশাপাশি অবস্থান তার প্রতিভার বৈচিত্র্য প্রকাশিত করেছে।”

‘যশোরের লোক কবি’ ও ‘ফরিদপুরের কবি পরিচিতি’ গ্রন্থে তার কবিতা ও জীবনী গ্রন্থিত হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ সম্পাদিত এবং সাবেক বাংলা উন্নয়ন বোর্ড থেকে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের কবি পরিতিচিতি’ গ্রন্থে কবি হকের নাতিদীর্ঘ জীবনী গ্রন্থিত হয়।

“বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ‘চরিতাভিধানে’ তার জীবন ও কৃতিত্ব ভুক্তি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।”

মৃত্যুবার্ষিকের এই দিনে আমরা তাঁকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।

সাহিত্যের ইতিহাসের কম চেনা নাযকদের ভিতরে অন্যতম কবিরত্ন এম,এ,হক কুদরত-ই-হুদা।

বাংলাদেশের সাহিত্যের ইতিহাস থেকে শুরু করে বুদ্ধিবৃত্তিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ইতিহাসের চর্চার প্রধান সীমাবদ্ধতা এই যে, এই ইতিহাস মূলত ঢাকাকেন্দ্রিক ।আমাদের ইতহাসদৃষ্টির মধ্যেকার এই কেন্দ্রমুখিনতা বিস্তৃত ও খাটি ইতহাস নির্মাণে বড় বাধা । এই ইতহাস খালি কেন্দ্রের কথা বলে । মানে হলো, এই ইতিহাস শুধু দৃশ্যমান বড়দের নিয়ে ভাবে; রবীন্দ্রনাথের ভাষায় রাজ-রাজড়াদের কথা বলে ।

আমাদের ইতিহাস আপাত ছোট কিন্তু আদতে বড়কে খুজে বের করার দায় খুব কমই নেয় । অথবা বলা যায়, ছোটরও যে ইতিহাস থাকে, অনেক ছোট মিরে যে একটা বড় ইতিহাস নির্মিত হয়, সেই ধরনের আমাদের ইতিহাসচর্চার দিকে আমাদের ঝোক নেই ।ফলে, বাংলাদেশের সাহিত্যিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ইতিহাসের আঙুলের ফাক গলে বের হয়ে যায় । ইতিহাসের অনেক গুরুতর উপাদান । এতে দেশের মর্মের ব্যাপকতা, গভীরতা আর বৈচিত্র্যটা ঠিক বোঝা যায় না ।অর্থাৎ দেশের সামগ্রিক পরিচয়টা যেন ধরা দেয় না । বাংলাদেশের সাহিত্যের ইতিহাসের এমনি এক স্বপ্নকার । অথচ গুরুত্বপুর্ণ উপাদান কবিরত্ন এম, এ, হক(১৯২৯-২০০৬) । এই নাম এবং তার চর্চার পরতে পরতে লুকিয়ে আছে ইতিহাসের হাজার না বলা কথা; কাব্য ও ভাবচর্চার একটা বিশেষ কালের প্রান্তিক প্যাটার্ন ।

 

ষাটের দশকের শুরুর দিকের কথা । জসীমউদদীন(১৯০৩-১৯৭৬) তখন ঢাকা থেকে প্রায়ই যেতেন ফরিদপুরে । নিজ গ্রামের বাড়ি গোবিন্দপুরে  । কিন্তু কখন তাকে ফরিদপুরে তার বাড়িতে পাওয়া যাবে তা বলা মুশকিল ।একটু দুরে থাকা মানুষদের পক্ষে তা জান তো প্রায় অসম্ভব ছিল । আজকালকার মতো সেকালে যোগাযোগ এত সহজ ছিল না । তখনও ফরিদপুরের প্রত্যন্ত গ্রামের ছেলেরা স্কুলে আসত দুই সেট জামাকাপড় নিয়ে ।

এক সেট পরে নালা-খাল-বিল-ঝিল সাতরে-হেটে পার হতো ।কারণ, স্কুলে যাবার পখে কোথাও কোথাও রাস্তা নেই । আবার কোথাও কোথাও রাস্তা আছে তো তা কাটা বা বন্যার পানিতে ভাঙ্গা । তো এক সেট কাপড় পরে তাকে পাড়ি দিতে হতো স্কুলের দীর্ঘ পথ । স্কুলে গিয়ে পরত শুকনো সেট, যা বিদ্যার্থী কখনো বগলে করে কখনো মাথায় করে কষ্টে-শিষ্টে ভেজা থেকে বাচাতে পারত । আর স্কুলের মাঠে পরাধীন দেশের স্বাধীন পতাকার মতো পতপত করে উড়ত শিক্ষার্থীর ভেজা জামাকাপড় ।

এই অবস্থায় ফরিদপুর জেলার শেষতম থানা আলফাডাঙায় শেষতম গ্রাম ব্যাংকের চরের এক তরুণ লেখক কবিরত্ন এম, এ, হকের পক্ষে ‍প্রিয় কবি জসীমউদদীন কবে বাড়ি আসলেন সে খবর রাখা প্রায় অসম্ভব ছিল । সম্ভব ছিল যদি কবি ঢাকা থেকে ফরিদপুর আসার সময় এম, এ, হককে চিঠি লিখতেন তার ফরিদপুরে আসার খবর জানিয়ে ।কিন্তু তা কি সম্ভব! তখনো তো জসীমউদদীন তাকে চেনেন না । চেনেন কেবল জসীমউদদীনের ঘনিষ্ট বন্ধু সুফী মোতাহার হোসেন (১৯০৭-১৯৭৫) । শুধু চেনেন না, রীতিমতো হকের কবিতা-গান পড়ে বিস্ময়াবিষ্ট হন ! জসীমউদদীনকে অবশ্য বন্ধু মোতাহার বলেছেন এই তরুণ কবির কথা । বলেছেন, হক নামে একটা ছেলে আছে । বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙাতে । কবিতা আর গান লেখে ।তার গান তোর ভালো লাগবে । ভাটিয়ালির কান্নার গোঙানি আছে তার গানে । কবিতাও লেখে ভালো । জসীমউদদীন বলেছেন, ও আচ্ছা! নিয়ে আসিস একদিন । দেখবনি ।

 

এবার জসীমউদদীন বেশ কয়েকদিনের জন্য বাড়িতে আসলেন এক ছুটিতে । সুফী মেতাহার চিঠি লিখলেন কবিরত্ন এম, এ, হককে । শিঘগিরি চলে আস । জসীম বাড়ি এসেছে ।থাকবে কিছুদিন ।বই এর পান্ডু লিপি নিয়ে এসো।কবিরত্ন তখন চাকরী করেন এক স্কুলে।তিনি সোজা চলে গেলেন হেড মাস্টার এর কাছে,হেডমাস্টার ঠিক বুঝলেন ছুটি না দিলে রাখা যাবে না হক কে।ছুটি দিয়ে দিলেন কবিরত্নকে।তারপর কবিরত্ন ছুটলেন ফরিদপুরের দিকে।কখনো হেটে,কখনো নেীকায় ।এজন্যই বোধ হয় কবি আল মাহমুদ বলেছিলেন “কবির জন্য বহুদুর”।

সুফি মোতাহারের বাসায় পৌছানোর পর বিশ্রাম নিয়ে পরদিন রওনা হলো কবি জসীম উদ্দিনের বাড়ি।কিন্তু যেয়ে দেখলো কবি জসীমউদ্দিন বাড়িতে নেই,কোথায় কেউ জানেনা।পরে খোজ মিললো এক লোক গানের আসরে।সেখানে কবি জসীমউদ্দিন কে দেশে আনন্দে মন ভরে গেল কবিরত্নের।

কুশলাদী বিনিময় এর পর সুফী মোতাহার কবি জসীমউদ্দিন কে বললো এই সেই ছেলে যার কথা তোকে প্রায় বলতাম।ছেলেটার অসাধারণ প্রতিভা আছে এবং লোকগানের উপর ব্যাপক আগ্রহ আছে।

কবি জসীমউদ্দিন তখন কবিরত্নের ঠিকানা এবং লেখালেখির খবর নিলেন।সুফী মোতাহার তখন বলেন দ্যাখ জসীম ছেলেটা কত ভালো গান লেখে।ও একটা পান্ডুলিপি আনছে।আমার কাছে সাার্টফাই করার জন্য আনছে ,দেখ তো কেমন হয়ছে আমার তো ভালই লাগছে।

কবি জসীমউদ্দিন এক ধ্যানে পড়তে লাগলো লেখাগুলো,কবি রত্নের বুক তখন ধরুধুরু কাপতে লাগলো।

তবে কবি জসীমউদ্দিন মন দিয়ে পড়তে লাগলেন  ও আমার মধুমতি কার বিরহে বহো তুমি নিরবধি,চার দরিয়ার পাড়েরে মন তোমার বন্ধুর ঘর,পাড়ি দিতে মন পাগল,আছে বিধম ঝড়।

এছাড়া আরো অন্যান্য লেখা দেখে কবি জসীমউদ্দিন বললেন অসাধারণ লেখা,লেখায় আবার তত্ত্ব আছে। সুফি মোতাহার বললেন হক আমারে কইছিলো একটা মতামত লিখে দিতে। কবি জসীমউদ্দিন বললেন আমরা দুই জনই লিখে দেব।

তিনি বই সম্পর্কে লিখলেন তার মনের মতামত।

এলাকায় ‘কবিরত্ন এম এ হক’ ও ‘কবি সাহেব’ নামে পরিচিত এই কবির জন্ম ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার ব্যাংকেরচর গ্রামে ১৯২৯ সালের ১ জানুয়ারি। শিক্ষকতা পেশায় দীর্ঘকাল নিয়োজিত থেকে ২০০৬ সালের ১৩ অগাস্ট মৃত্যুবরণ করেন তিনি।

কবির শুভাকাঙ্ক্ষীরা বলেন, কবি হক আজীবন প্রত্যন্ত মধুমতীর তীরে বাস করে গ্রামকে সমৃদ্ধ করেছেন শিক্ষায়, সমাজসেবায় এবং সাহিত্যে। বাংলাদেশে অঞ্চলিক ইতিহাসকে গুরুত্ব দেওয়ার রেওয়াজ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তাই এম এ হকের মত গুণীজন অল্পদিনেই এলাকার মানুষের মন থেকে হারিয়ে যায়। শিশুদের অন্তরে অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বের নজির স্থাপনের জন্য সব এলাকার গুণীজনকে স্মরণ, মূল্যায়ন করা জরুরি।

কবির ছেলে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক কুদরত-ই-হুদা বলেন, “প্রতিভা বিকাশের জন্য অথবা প্রতিভা-পরিচিতির জন্য প্রতিভাবানের ভৌগোলিক অবস্থান হয়ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু তা একটি সাময়িক ব্যাপার। প্রতিভার কোনো দেশ-প্রদেশ নেই।

“ভূগোলের বিবেচনায় নিঃসন্দেহে এটি প্রান্ত; যাকে বলে প্রত্যন্ত অঞ্চল। কিন্তু সেই প্রান্ত থেকেই তিনি কেন্দ্রের ভাবকে লালন করে, আবার প্রান্তের ভাবকে কেন্দ্রে তুলে ধরে কেন্দ্র ও প্রান্তের ভেদ ঘোচাতে চেষ্টা করেছেন। ”

কবির সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য দিয়ে কুদরত-ই-হুদা বলেন, স্থানীয় কামারগ্রাম কাঞ্চন একাডেমি থেকে ১৯৪৮ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করে তিনি খুলনায় বিএল কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৫০ সালে আইএ পাস করে শিক্ষকতা শুরু করেন।

কবিরত্ন এম.এ.হকের সাহিত্যিক চেতনায় লোকজীবন ও লোক-সংস্কৃতির গভীর রূপ এবং আধুনিক জীবনবোধ- এ দুয়ের অপূর্ব সমন্বয় ঘটেছিল। ইসলামি গান, লোকগান, আধুনিক গান এবং কবিতার সফল পাশাপাশি অবস্থান তার প্রতিভার দ্বিবেণী সমন্বয়কে করেছে প্রকাশিত।

এম.এ.হকের কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ‘যশোর-সাহিত্য-সংঘ’ তাকে ‘কবিরত্ন’ উপাধিতে ভূষিত করে। এছাড়া ‘যশোরের লোক কবি’, ‘ফরিদপুরের কবি পরিচিতি’ গ্রন্থে তার কবিতা ও জীবনী গ্রন্থিত হয়েছে। সাবেক বাংলা উন্নয়ন বোর্ড, বর্তমান বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত প্রিন্সিপাল ইব্রাহীম খাঁ সম্পাদিত ‘বাংলাদেশের কবি পরিচিতি’ গ্রন্থে কবিরত্নের নাতিদীর্ঘ জীবনী গ্রন্থিত হয়েছিল। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত ‘চরিতাভিধান’-এ কবিরত্নের জীবন ও তার কৃতিত্ব ভুক্তি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কবির ১৪ তম মৃত্যুবার্ষিকীতে ‘বন্ধন ফাউন্ডেশন’ ও কবির নিজের প্রতিষ্ঠিত ‘শুকতারা সাহিত্য গোষ্ঠি’র আয়োজনে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার চরডাঙ্গা বাজারে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। আপনাদের উপস্থিতি একান্ত কাম্য।

 

তথ্যসূত্র:ফরিদপুর অঞ্চল ১:আলফাডাঙ্গার ইতিহাস,উইকিপিডিয়া

শেয়ার করুন

এই শাখার আরো সংবাদ পড়ুন
All rights reserved © RMGBDNEWS24.COM
Translate »