ছাত্রলীগ জেগে উঠবে, আদালত প্রাঙ্গনে সৈকত

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার আরিফ হত্যা মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতকে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এদিন আদালত প্রাঙ্গণে সৈকত বলেন, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আবারও জেগে উঠবে।
বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা সৈকত বলেন, ‘এ দেশের যা সোনালি অর্জন, তা ছাত্রলীগের হাত ধরে এসেছে। এ দেশের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রলীগের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা জেগে উঠবে।’
আজ সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে সৈকতকে আদালতে হাজির করা জন্য হাজত খানা থেকে বের করা হয়। আদালতে ওঠার সময় তিনি পরিচিত-অপরিচিত সবার খোঁজ-খবর নেওয়ার চেষ্টা করেন। এসময় তাকে বেশ হাস্যোজ্জ্বল দেখা যায়।
পরে ৯টা ৫৫ মিনিটে তাকে মো. মাহবুবুর রহমানের আদালতে হাজির করা হয়। সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে যাত্রাবাড়ী থানার আরিফ হত্যা মামলায় তার বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।
এ সময় সৈকত বলেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের গর্বিত কর্মী। যাত্রাবাড়ী এলাকায় আমি কখনও যাইনি। এ সময় আইনজীবীরা বলে ওঠেন, নিষিদ্ধ নিষিদ্ধ। তখন তিনি বলেন, ছাত্রলীগ খুনি দল না। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম, আছি। আমি ছাত্রলীগে থাকা অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটিও হত্যাকাণ্ড হয়নি। আইনজীবীরা তাকে সন্ত্রাসী, খুনি বলে চিৎকার করে থামতে বলেন। তবুও কর্ণপাত করেননি সৈকত।
সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান তাকে কথা চালিয়ে যেতে বলেন। এরপর সৈকত বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, তবে বলতে গেলে আবার হট্টগোল দেখা যায়। তখন তাকে থামতে বলা হয়। শুনানি শেষে সৈকতের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
গত ১৪ আগস্ট রাতে রাজধানীর নিকুঞ্জ এলাকা থেকে তানভীর হাসান সৈকতকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে বিভিন্ন হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কয়েক দফা রিমান্ডে নেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *