আজ, মিরপুর ১২ দ্যা ক্যাফে রিও মিরপুর ১২তে বেঙ্গল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির আওতাধীন ‘এলিগেন্টস প্রজেক্ট’-এর মাধ্যমে ২০২৫ সালের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে উৎকর্ষতা প্রদর্শনকারী বিজয়ী কর্মকর্তাদের মালয়েশিয়া শিক্ষা-ভ্রমণে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি বিষয়ক এক আলোচনা সভা ও সম্মাননা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘লান্স উইথ সিও ফর উইনার্স’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের সঙ্গে কোম্পানির শীর্ষ নেতৃত্বের এক অনন্য মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বেঙ্গল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সিইও ও এমডি) এম এম মনিরুল আলম তপন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, “এলিগেন্টস প্রজেক্টের এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি আমাদের সম্মিলিত প্রয়াস ও কোম্পানির গতিশীলতার প্রতীক। মালয়েশিয়া সফর হবে আপনাদের জন্য জ্ঞান অর্জন ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির একটি সুযোগ।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির ডেপুটি ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ‘এলিগ্যান্ট প্রজেক্ট’-এর প্রধান মোঃ জসিম উদ্দিন খান। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন আরএমজিবিডি নিউজ২৪.কম-এর সম্পাদক কবির আহম্মেদ (লিন্জু)। তিনি বীমা খাতের গতিশীলতা, মিডিয়ার ভূমিকা এবং একজন ভালো সেলার হওয়ার কৌশল সম্পর্কে আলোচনা উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘এলিগ্যান্ট প্রজেক্ট’-এর সহকারী প্রজেক্ট হেড আবু সালেহ মুহাম্মাদ সুহার্ত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি প্রজেক্ট হেড ইলিয়াস হোসেন মোল্লা। কোম্পানির বিভিন্ন স্তরের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাবৃন্দ, যার মধ্যে ফিল্ড এজেন্ট (এফএ) থেকে শুরু করে রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার (আরএসএম) পর্যন্ত বিভিন্ন পদে সাংগঠনিক0ভাবে বিজয়ী কর্মকর্তাগণ এতে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বীমা পেশার সামাজিক গুরুত্ব, গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন, পেশাদারিত্ব অর্জন এবং একজন সফল ও দায়িত্বশীল ইন্স্যুরেন্স পেশাজীবী হতে প্রয়োজনীয় গুণাবলী নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিজয়ীদের মালয়েশিয়া সফরের বিস্তারিত পরিকল্পনা, উদ্দেশ্য ও প্রত্যাশা সম্পর্কেও ধারণা দেওয়া হয়।
বেঙ্গল ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ‘এলিগেন্টস প্রজেক্ট’ কর্মসূচিটি কোম্পানির সেরা পারফর্মারদের চিহ্নিতকরণ, তাদের পুরস্কৃতকরণ এবং দক্ষতা বিকাশের একটি ধারাবাহিক প্রয়াস। এই অনুষ্ঠানটি ছিল সেই প্রক্রিয়ার একটি উজ্জ্বল মাইলফলক, যা সংস্থার অভ্যন্তরে প্রতিযোগিতামূলক চেতনা ও কর্মোদ্দীপনা আরও বাড়িয়ে দেবে বলে সকলের প্রত্যাশা।
