মানুষের আস্থা এখন মেডিটেশনে

ব্যক্তিগত পেশাগত পারিবারিক সামাজিক-নানামুখী অস্থিরতা ও হতাশার আগ্রাসন আজ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকেই আক্রান্ত করেছে। যার ফলে বাড়ছে বিভিন্ন দুর্ভোগ। আর এর কার্যকর প্রতিকারে কল্যাণকর ভূমিকা পালন করছে ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন আত্ম উন্নয়নমূলক কার্যক্রম। মেডিটেশন চর্চা করে লাখো মানুষ অর্জন করেছেন প্রশান্তি সুস্বাস্থ্য ও সাফল্যের আনন্দ অনুরণন।

এই প্রশান্তির খোঁজ শুধু আমাদের সমাজেই নয়, সারা পৃথিবীতে এর প্রয়োজন আজ  খুব বেশিরকম অনুভূত হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে এ নিয়ে তাই সমাজবিজ্ঞানী, চিকিৎসাবিজ্ঞানী আর গবেষকদের অনুসন্ধান চলছেই। সম্প্রতি (নভেম্বর ২০১৪) বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞান-সাময়িকী সায়েন্টিফিক আমেরিকান-এ প্রকাশিত হয়েছে একটি প্রচ্ছদ প্রতিবেদন-দ্য নিউরোসায়েন্স অব মেডিটেশন।

এ প্রতিবেদনের মাইন্ড অব দ্য মেডিটেটর শীর্ষক নিবন্ধে মেডিটেশনকালে একজন মানুষের মন ও মস্তিষ্কের ইতিবাচক গতিপ্রকৃতি তুলে ধরা হয়েছ। একাধিক গবেষণায় নিউরোসায়েন্টিস্টরা দেখেছেন, নিয়মিত মেডিটেশন মানুষের মন ও মস্তিষ্ককে সতেজ ও সুতীক্ষ করে। মনোযোগকে করে গভীর ও কেন্দ্রীভূত। নিয়মিত মেডিটেশনকারীদের ওপর দীর্ঘ গবেষণা আর নানা তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বিজ্ঞানীদের অভিমত হলো-মনোদৈহিক সুস্থতাসহ মমতা ও সমমর্মিতাপূর্ণ সুখী জীবনের পথে এগিয়ে যাওয়ার সহজ ও কার্যকর উপায় হতে পারে মেডিটেশন।

আর এ কথাগুলোই কোয়ান্টাম বলছে প্রায় দুই যুগ আগে থেকেই। অর্থাৎ এ শতাব্দীর এ সময়ের মানুষের সার্বিক প্রয়োজন পূরণের বিষয়টি কোয়ান্টাম মানুষকে দিতে পেরেছে সার্থকভাবে। তাই আমরা নিঃসংকোচে বলতে পারি, সর্বস্তরের মানুষের আস্থা এখন মেডিটেশনে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *