ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্রাহক প্রতারণার বিষয়টি বোঝাতে গিয়ে সাংবাদিকদের সামনে নিজের প্রতারিত হওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি সাংবাদিকদের জানালেন যে, গত বছর ঈদে গরু দেখে অনলাইনে অর্ডার দেয়ার পরও কাঙ্ক্ষিত গরুটি তিনি বুঝে পান নি।
পরে অবশ্য অপেক্ষাকৃত কম দামের একটি গরু বুঝিয়ে দেয়া হয়। সঙ্গে দেয়া হয় একটি ছাগল।
তিনি বলেন, কোরবানির গরু ডিজিটাল হাটে বিক্রি করার কথা সেই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী হিসেবে আমাকেও রাখা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে আমাকে একটা গরু দেখানো হলো। দাম বলা হলো এক লাখ টাকা। ভাবলাম একটা গরু কিনি।
৬/৭দিন পর তারা আমাকে জানাল সেই গরু আর নেই। তারপর অপেক্ষাকৃত কম দামের একটি গরু বুঝিয়ে দেয়া হয় সঙ্গে দেয়া হয় একটি ছাগল।
তিনি সাংবাদিকদের সামনে প্রশ্ন রাখেন, আমি মন্ত্রী, আমারই যদি গরু না থাকে তাহলে কীভাবে হবে?
আসলে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়! আপনি মন্ত্রী বলেই গরুর সাথে একটি ছাগল পেয়েছেন। আপনি নিঃসন্দেহে ভাগ্যবান যদি মন্ত্রী না হতেন তাহলে সাধারণ ক্রেতার মতো অবস্থা আপনারও হতো কিনা সেটা ভবিতব্যই বলতে পারে।
আসলে এই ডিজিটাল প্রতারণার জগতে একজন মন্ত্রীই যখন তার কাঙ্ক্ষিত জিনিস পান না তখন অনলাইন কেনাকাটায় ই-কমার্সে আপনার কতটুকু সতর্কতা দরকার এটা বোঝানোর জন্যে আর কোনো কথার প্রয়োজন আছে কি!
আসলে ই-কমার্সের নামে ডিজিটাল প্রতারণার ক্ষেত্রে শুধু ১১টি প্রতিষ্ঠানই নয় শুধু যাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে তারাই নয় এখানে এমএলএম পদ্ধতি যারাই ব্যবহার করছে তাদের ব্যাপারেও যথাযথ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ।
এবং এর মধ্যে রিং আইডি, গো ফাউন্ডার, অন প্যাসিভ আরো যত নামে প্রতিষ্ঠান আছে প্রতিটিরই এমএলএম তৎপরতা নিয়ে যথাযথ তদন্ত এবং কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিৎ।
