ইতিহাসের পাতায় ২৩ ফেব্রুয়ারি

গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে আজ বছরের ৫৪তম দিন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম ও মৃত্যুদিনসহ আরও কিছু তথ্যাবলি।

ঘটনাবলি
১৮৩১ : সাপ্তাহিক ‘সংবাদ সুধাকর’ প্রকাশিত হয়।
১৯৪৭ : দি ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর স্ট্যানডারডাইজেশন (ISO) প্রতিষ্ঠা।
১৯৫২ : ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ শুরু করে রাতের মধ্যে তা সম্পন্ন হয়।
১৯৯৭ : স্কটল্যান্ডের ইডেনবার্গের রোর্সালন ইনস্টিটিউটের গবেষকরা সর্বপ্রথম পূর্ণাঙ্গ ক্লোন ভেড়া ডলির জন্মের কথা প্রকাশ করেন।

জন্ম
১৯২৪ : অ্যালান ম্যাকলিয়ড করমাক, নোবেলজয়ী দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত আমেরিকান পদার্থবিদ।
১৯৫৯ : ক্লেটন এন্ডারসন, মার্কিন প্রকৌশলী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী।
১৯৬৫ : মাইকেল সল ডেল, ডেল ব্রান্ডের কম্পিউটার প্রতিষ্ঠাতা।

মৃত্যু
১৮২১ : ইংরেজ কবি জন কিটস।
১৯৪৭ : বাংলার বিশিষ্ট চিকিৎসক, লেখক হাকিম হাবিবুর রহমান।
১৯৫৫ : ফরাসি কবি, লেখক ও নাট্যকার পল ক্লডেল।
১৯৬২ : স্বশিক্ষিত খ্যাতিমান ভারতীয় চিত্রশিল্পী সুনয়নী দেবী।
১৯৬৯ : ভারতীয় অভিনেত্রী মধুবালা।
১৯৭৩ : নোবেলজয়ী আমেরিকান ডাক্তার ডিকিনসন ডব্লিউ রিচার্ডস।

প্রথম শহীদ মিনার
শহীদ মিনার প্রথম নির্মিত হয় ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। এর পরিকল্পনা, স্থান নির্বাচন ও নির্মাণকাজ সবই ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের উদ্যোগে সম্পন্ন হয়। বর্তমান শহীদ মিনারের পূর্ব-দক্ষিণ কোণে শহীদদের রক্তভেজা স্থানে সাড়ে ১০ ফুট উঁচু এবং ৬ ফুট চওড়া ভিত্তির ওপর ছোট স্থাপত্যটির নির্মাণকাজ শেষ হলে এর গায়ে ‘শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ লেখা একটি ফলক লাগিয়ে দেওয়া হয়। নির্মাণের পরপরই এটি শহরবাসীর আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে; প্রতিবাদী আন্দোলনের প্রতীকী মর্যাদা লাভ করে। দলে দলে মানুষ এসে ভিড় জমায়। ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দীন আনুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন। ওই দিনই বিকেলে পুলিশ হোস্টেল ঘেরাও করে এটি ভেঙ্গে ফেলে।

প্রথম নির্মিত শহীদ মিনারটি এভাবে ভেঙে ফেললেও পাকিস্তানি শাসকরা শহীদের স্মৃতি মুছে ফেলতে পারেনি। সারা দেশে, বিশেষ করে শিক্ষাঙ্গনগুলোতে অনুরূপ ছোট ছোট অসংখ্য শহীদ মিনার গড়ে ওঠে।

সূত্র: সংগৃহীত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *