গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে আজ বছরের ৮২তম (অধিবর্ষে ৮৩তম) দিন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম ও মৃত্যুদিনসহ আরও কিছু তথ্যাবলি।
ঘটনাবলি
১৯২০ : গভর্নর জেনারেল কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুমোদন।
১৯৩৩ : এ্যাডলফ হিটলার জার্মানীর একনায়ক হন।
১৯৪০ : আবুল কাশেম ফজলুল হক নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
১৯৭২ : বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় বতসোয়ানা।
জন্ম
১৮৮১ : হাকিম হাবিবুর রহমান, ব্রিটিশ বাংলার বিশিষ্ট চিকিৎসক, লেখক।
১৯০০ : এরিখ ফ্রোম, জার্মান মনোবিজ্ঞানী।
১৯০২ : চারুচন্দ্র চক্রবর্তী, ‘জরাসন্ধ’ ছদ্মনামে খ্যাতনামা বাঙালি সাহিত্যিক।
১৯০৭ : ড্যানিয়েল বোভেট, নোবেলজয়ী সুইস বংশোদ্ভূত ইতালীয় ফার্মাকোলজিস্ট।
১৯১৬ : হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়, বাঙালি সাহিত্যিক ।
মৃত্যু
১৯৪৮ : বৌদ্ধধর্ম ও দর্শন শাস্ত্রের বিশেষজ্ঞ বেনীমাধব বড়ুয়া।
১৯৯২ : অস্ট্রীয় অর্থনীতিবিদ ফ্রিডরিখ হায়েক।
১৯৯৫ : বাঙালি কবি ও লেখক শক্তি চট্টোপাধ্যায়।
২০০৮ : বাংলাদেশি গল্পকার ও ঔপন্যাসিক শহীদুল জহির।
২০১৫ : আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক লি কুয়ান ইউ।
২০১৯ : বাংলাদেশি সঙ্গীতশিল্পী শাহনাজ রহমতুল্লাহ।
বিশ্ব আবহাওয়া দিবস
আজ ২৩ মার্চ। বিশ্ব আবহাওয়া দিবস। আবহাওয়া ও জলবায়ুর গুরুত্ব তুলে ধরতে বাংলাদেশসহ বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার ১৯৩টি সদস্য দেশ ও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এ বছর এ দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে ‘সম্মিলিতভাবে আবহাওয়ার সতর্কবার্তার বাধা দূরীকরণ’। এই প্রতিপাদ্য জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের ওপর এবং প্রাথমিক সতর্কতা ব্যবস্থা উন্নত করার জন্যে বিশ্বব্যাপী সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
১৯৫১ সাল থেকে সারা বিশ্বে এ দিন বিশ্ব আবহাওয়া দিবস পালিত হয়ে আসছে।
বাংলাদেশের নদী ও কৃষিনির্ভর মানুষের আবহাওয়া ও বন্যাসংক্রান্ত সংবাদের প্রাপ্যতা নিয়ে ২০২০ সালে একটি গবেষণা করে রিজিওনাল ইন্টিগ্রেটেড মাল্টিহ্যাজার্ড আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম (রাইমস) নামের একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। সরকারের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরও এ কাজের সঙ্গে ছিল। ওই গবেষণায় দেখা যায়, চর এলাকার ৮৪ ভাগ মানুষ কৃষি আবহাওয়া বা কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম তথ্য পায় না। হাওর এলাকার মাত্র ১৩ শতাংশ মানুষ আবহাওয়ার আগাম বার্তা পায়। পূর্বাভাস ঠিক হলে মানুষ আগাম পদক্ষেপ নিতে পারে। ফলে দুর্যোগে ক্ষতি কম হয়।
আবহাওয়া দিবস আবহাওয়াবিদদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে স্বীকৃতি দেয় এবং আবহাওয়া, জলবায়ু এবং পানি ব্যবস্থাপনায় বিশ্বব্যাপী সহযোগিতার গুরুত্বকে তুলে ধরে।
সূত্র: সংগৃহীত
