রুবাব খান নাইনটিন নাইনটি সিক্স। কত বছর আগে? এখন থেকে ২৭ বছর আগে। ক্লাস সিক্সের ছাত্র, বাংলা মিডিয়াম উদয়ন সেখান থেকে আজকে নাসার মহাকাশ বিজ্ঞানী। কেন? কারণ তিনি তার কাজগুলো সবচেয়ে ভালোভাবে করেছেন।
নিজের কাজটা সবচেয়ে ভালোভাবে করুন
আমরা এককথাই বলি কী বলি? নিজের কাজটা সবচেয়ে সবচেয়ে ভালোভাবে করা। তো আসলে নিজের কাজটা যদি সবচেয়ে ভালোভাবে করা যায়, কখন করা যাবে? যখন আপনি গুরুকে অনুসরণ করবেন যখন নিজের পরিচয় দিতে সম্মানবোধ করবেন। যে নিজের পরিচয় দিতে যে আমি অমুক।
নিজেকে ভালবাসতে পারবেন কখন?
কখন আপনি নিজেকে সম্মান দিতে পারবেন? যখন আপনি নিজেকে ভালবাসতে পারবেন। নিজেকে ভালো না বাসলে নিজেকে সম্মান দেয়া যায় না। তো নিজেকে ভালবাসাটা হচ্ছে ইম্পর্টেন্ট। এবং নিজেকে ভালবাসতে পারবেন কখন? যখন আপনি জানতে পারবেন যে কেন আপনি বেঁচে থাকবেন? আপনার বাঁচার উদ্দেশ্য কী জীবনের উদ্দেশ্য কী জীবনের লক্ষ্য কী?
এবং নীটশে আমার খুব প্রিয় দার্শনিক। নীটশে খুব চমৎকারভাবে বলেছেন, জীবনে যার বেঁচে থাকার একটা কারণ আছে জীবনটা তার জন্যে অনেক সহজ। প্রত্যেকটা কাজ সহজ হয়ে যায় যদি বেঁচে থাকার কারণটাকে বুঝতে পারেন। যে কেন আমি বেঁচে থাকব?
জীবনের প্রত্যেকটা দিনকে কখন মনে হবে আমার জন্মদিন?
তো আসলে যখন আপনি কেন বেঁচে থাকবেন এটা আপনি বুঝতে পারবেন জীবন তখন আপনি যাপন করবেন না জীবনকে কী করবেন?
উদযাপন করতে পারবেন যেরকম আমার কাছে জীবন প্রত্যেকদিন উদযাপন। আমাকে বলে যে আপনি দাঁড়িয়ে থাকতে ক্লান্তি লাগে না। আমি বলি যে দাঁড়িয়ে থাকাটাই তো আনন্দ।
আরেকজন বলে যে না না আপনি বসে বলেন আমি বলি যে না আপনি দোয়া করেন যে আমি দাঁড়িয়ে বলতে পারি। কারণ দাঁড়িয়ে থাকার মধ্যে যে জীবন বসে থাকার মধ্যে কী ঐ জীবন আছে? নাই।
অতএব এই যে জীবন যখন আপনি উদযাপন করতে পারবেন জীবনের প্রত্যেকটা দিন আপনার জন্যে আপনার জন্যে রঙিন হয়ে যাবে প্রত্যেকটা দিন মনে হবে। আমাদের তো এখন সবচেয়ে প্রিয় দিন হচ্ছে জন্মদিন। তো জীবনের প্রত্যেকটা দিন মনে হবে যে আমার জন্মদিন।
[অজেয় তারণ্য, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩]
নিজেকে ভালবাসতে পারবেন কীভাবে?
রুবাব খান নাইনটিন নাইনটি সিক্স। কত বছর আগে? এখন থেকে ২৭ বছর আগে। ক্লাস সিক্সের ছাত্র, বাংলা মিডিয়াম উদয়ন সেখান থেকে আজকে নাসার মহাকাশ বিজ্ঞানী। কেন? কারণ তিনি তার কাজগুলো সবচেয়ে ভালোভাবে করেছেন।
নিজের কাজটা সবচেয়ে ভালোভাবে করুন
আমরা এককথাই বলি কী বলি? নিজের কাজটা সবচেয়ে সবচেয়ে ভালোভাবে করা। তো আসলে নিজের কাজটা যদি সবচেয়ে ভালোভাবে করা যায়, কখন করা যাবে? যখন আপনি গুরুকে অনুসরণ করবেন যখন নিজের পরিচয় দিতে সম্মানবোধ করবেন। যে নিজের পরিচয় দিতে যে আমি অমুক।
নিজেকে ভালবাসতে পারবেন কখন?
কখন আপনি নিজেকে সম্মান দিতে পারবেন? যখন আপনি নিজেকে ভালবাসতে পারবেন। নিজেকে ভালো না বাসলে নিজেকে সম্মান দেয়া যায় না। তো নিজেকে ভালবাসাটা হচ্ছে ইম্পর্টেন্ট। এবং নিজেকে ভালবাসতে পারবেন কখন? যখন আপনি জানতে পারবেন যে কেন আপনি বেঁচে থাকবেন? আপনার বাঁচার উদ্দেশ্য কী জীবনের উদ্দেশ্য কী জীবনের লক্ষ্য কী?
এবং নীটশে আমার খুব প্রিয় দার্শনিক। নীটশে খুব চমৎকারভাবে বলেছেন, জীবনে যার বেঁচে থাকার একটা কারণ আছে জীবনটা তার জন্যে অনেক সহজ। প্রত্যেকটা কাজ সহজ হয়ে যায় যদি বেঁচে থাকার কারণটাকে বুঝতে পারেন। যে কেন আমি বেঁচে থাকব?
জীবনের প্রত্যেকটা দিনকে কখন মনে হবে আমার জন্মদিন?
তো আসলে যখন আপনি কেন বেঁচে থাকবেন এটা আপনি বুঝতে পারবেন জীবন তখন আপনি যাপন করবেন না জীবনকে কী করবেন?
উদযাপন করতে পারবেন যেরকম আমার কাছে জীবন প্রত্যেকদিন উদযাপন। আমাকে বলে যে আপনি দাঁড়িয়ে থাকতে ক্লান্তি লাগে না। আমি বলি যে দাঁড়িয়ে থাকাটাই তো আনন্দ।
আরেকজন বলে যে না না আপনি বসে বলেন আমি বলি যে না আপনি দোয়া করেন যে আমি দাঁড়িয়ে বলতে পারি। কারণ দাঁড়িয়ে থাকার মধ্যে যে জীবন বসে থাকার মধ্যে কী ঐ জীবন আছে? নাই।
অতএব এই যে জীবন যখন আপনি উদযাপন করতে পারবেন জীবনের প্রত্যেকটা দিন আপনার জন্যে আপনার জন্যে রঙিন হয়ে যাবে প্রত্যেকটা দিন মনে হবে। আমাদের তো এখন সবচেয়ে প্রিয় দিন হচ্ছে জন্মদিন। তো জীবনের প্রত্যেকটা দিন মনে হবে যে আমার জন্মদিন।
[অজেয় তারণ্য, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩]
