গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে আজ বছরের ৮৩তম (অধিবর্ষে ৮৪তম) দিন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম ও মৃত্যুদিনসহ আরও কিছু তথ্যাবলি।
ঘটনাবলি
১৯৪৮ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তনে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাষ্ট্রভাষা উর্দুর পক্ষে ভাষণ দিলে ছাত্রদের পক্ষ থেকে নো নো ধ্বনিতে প্রতিবাদ ওঠে।
১৯৮৯ : তেল ট্যাংকার এক্সন ভালদেজ ডুবে যায়, যার ফলে আলাস্কার প্রিন্স উইলিয়াম সাউন্ডে প্রায় ৪ কোটি ১০ লক্ষ লিটার তেল ছড়িয়ে পড়ে যায়।
জন্ম
১৮৮৪ : পিটার জোসেফ উইলিয়াম ডিবাই, নোবেলজয়ী ডাচ বংশোদ্ভূত মার্কিন পদার্থবিদ ও রসায়নবিদ।
১৯০৯ : নিশিকান্ত রায় চৌধুরী, বাঙালি কবি।
১৯১৭ : জন কেন্ড্রেও, নোবেলবিজয়ী ইংরেজ প্রাণরসায়নী।
১৯২৫ : কাজী নূরুজ্জামান, বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত বাংলাদেশি মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার।
১৯২৬ : দারিও ফো, নোবেলজয়ী ইতালিয়ান অভিনেতা, পরিচালক, সুরকার ও নাট্যকার।
১৯৮৭ : সাকিব আল-হাসান, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অল-রাউন্ডার।
মৃত্যু
১৭৭৬ : দ্রাঘিমা ঘড়ি নির্মাতা জন হ্যারিসন।
১৮৮২ : মার্কিন কবি হেনরি ওয়েডসওরথ লংফেলো।
১৯০৫ : ফ্রান্সের লেখক জুল ভার্ন ।
২০০২ : নোবেলজয়ী আর্জেন্টিনার প্রাণরসায়নী সিজার মিলস্টেইন।
বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস
আজ ২৪ মার্চ। বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস। ‘প্রতিশ্রুতি, বিনিয়োগ ও সেবাদান দ্বারা সম্ভব হবে যক্ষ্মাযুক্ত বাংলাদেশ গড়া’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ (সোমবার) দেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্যে ডব্লিউএইচও যক্ষ্মা প্রতিরোধে টেকসই প্রতিশ্রুতি, আর্থিক বিনিয়োগ, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা এবং যত্নের ওপর জোর দিয়েছে। এ বছর এ দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে Yes! We Can End TB: Commit, Invest, Deliver.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, যক্ষ্মা একটি সংক্রামক বায়ুবাহিত রোগ যা মূলত মাইক্রোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস দিয়ে সৃষ্ট এবং ফুসফুসকে আক্রান্ত করে। টিবি (টিউবারকুলোসিস) আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি, হাঁচি বা থুথু বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যক্ষ্মা বিশ্বব্যাপী ১৩ নম্বর মরণঘাতী রোগ। বিশ্বের যে ৩০টি দেশে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা সর্বাধিক এবং যক্ষ্মার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে চিহ্নিত, তার মধ্যে বাংলাদেশ একটি। চিকিৎসকদের মতে, অনিয়মিত আহার, পুষ্টিকর খাদ্য ও ভিটামিনযুক্ত খাদ্য গ্রহণের অভাব, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনেও যক্ষ্মা হয়। এছাড়া নোংরা পরিবেশ, স্যাঁতসেঁতে, আলো-বাতাসহীন পরিবেশেও রোগটির প্রকোপ বাড়ে। সাধারণত তিন সপ্তাহের বেশি কাঁশি, জ্বর, কাশির সঙ্গে কফ এবং রক্ত যাওয়া, ওজন কমে যাওয়া, বুকে ব্যথা, দুর্বলতা ও ক্ষুধামন্দা ইত্যাদি ফুসফুসের যক্ষ্মার প্রধান উপসর্গ।
২০৩৫ সালের মধ্যে যক্ষ্মা নির্মূলের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে শনাক্তের বাইরে থাকা রোগীদের শনাক্ত করে চিকিৎসার আওতায় আনতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। সচেতনতা বৃদ্ধিতে সরকারি উদ্যোগে সর্বসাধারণ মানুষকে আরেকটু বেশি কাজ করতে হবে।
সূত্র: সংগৃহীত
