ইতিহাসের পাতায় ১৫ অক্টোবর

গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে আজ বছরের ২৮৮তম (অধিবর্ষে ২৮৯তম) দিন। এক নজরে দেখে নিই ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা বিশিষ্টজনের জন্ম ও মৃত্যুদিনসহ আরও কিছু তথ্যাবলি।

ঘটনাবলি
১৫৮২ : ইতালি ও স্পেন গ্রেগরীয় ক্যালেন্ডার বা খ্রিষ্ট্রীয় সাল প্রবর্তিত হয়। এর ফলে ৫ অক্টোবর ১৫ অক্টোবর হয়ে যায়।
১৯৯৩ : নেলসন ম্যান্ডেলা এবং ডি ক্লার্ক উভয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান।
২০০৮ : সুইডেনের স্টকহোমে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার মোর্চা পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ ফর হ্যান্ডওয়াশিং সর্বপ্রথম হাত ধোয়া দিবস পালন করে।

জন্ম
১৮৯২ : শ্রীকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়, সাহিত্য সমালোচক।
১৯২০ : মারিও পুজো, মার্কিন কথাসাহিত্যিক।
১৯২৩ : ইতালো কালভিনো, ইতালীয় লেখক।
১৯২৬ : মিশেল ফুকো, ফরাসি সমালোচক ও প্রাবন্ধিক।
১৯৩১ : ড. এ পি জে আব্দুল কালাম, ভারতীয় বিজ্ঞানী ও একাদশ রাষ্ট্রপতি।
১৯৪০ : পিটার সি. ডোহার্টি, নোবেলবিজয়ী অস্ট্রেলিয়ান সার্জন।
১৯৪৪ : ডেভিড ট্রিম্বলে, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী আইরিশ আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ।
১৯৪৮ : সিদ্ধার্থ ঘোষ, বাঙালি কল্পবিজ্ঞান লেখক।

মৃত্যু
১৫৬৪ : বেলজিয়ান বংশোদ্ভূত গ্রিক শারীরস্থানবিদ, চিকিৎসক ও লেখক আন্দ্রে ভেসালিআস।
১৯১৮ : ভারতীয় ধর্মগুরু, যোগী ও ফকির শিরডি সাই বাবা।
২০০০ : নোবেলবিজয়ী পোলিশ বংশোদ্ভূত আমেরিকান প্রাণরসায়নী কনরাড এমিল ব্লচ।

দিবস
বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস।
বিশ্ব গ্রামীণ নারী দিবস।
বিশ্ব সাদাছড়ি নিরাপত্তা দিবস।
জগন্নাথ হল ট্র্যাজেডি দিবস (বাংলাদেশ)।
বিশ্ব ছাত্র দিবস।

বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস
বিশ্ব হাতধোয়া দিবস ১৫ অক্টোবর। হাত ধোয়া বিষয়ে বিশ্বব্যাপী জনসচেতনতা তৈরি ও উদ্বুদ্ধকরণের জন্যে চালানো এটি একটি প্রচারণামূলক দিবস। জনসাধারণের মধ্যে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার মাধ্যমে রোগের বিস্তার রোধ করার বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করার উদ্দেশ্যে প্রতিবছর দিবসটি পালিত হয়ে থাকে।

বিশ্ব পানি সপ্তাহে সুইডেনের স্টোকহোমে ২০০৮ সালের ১৫ অক্টোবর বিশ্ব হাতধোয়া অংশীদার (GHP) বিশ্বব্যাপী আঞ্চলিক ও স্থানীয় পর্যায়ে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সর্বপ্রথম এই দিবসটি উদ্‌যাপন করে। পরে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে তারিখটি নিয়মিত পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

হাতের ত্বকে নানা কারণে জীবাণু লেগে থাকতে পারে। সাধারণ ফ্লু, ডায়রিয়া, আমাশয়, টাইফয়েড, ভাইরাস জ্বরের মতো অনেক রোগবালাই ছড়ায় হাতের মাধ্যমে। তাই স্বাস্থ্যকর উপায়ে হাত ধুয়ে আমরা এসব মারাত্মক রোগ থেকে অনেকটাই দূরে থাকতে পারি। এছাড়াও হাত ধোয়ার অনেক উল্লেখযোগ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। বিশেষ করে, বাড়িতে শিশুদের সঠিক উপায়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে মনোযোগ দেয়া জরুরি।

হাত ধোয়ার জন্যে কলের পানি ও সাধারণ সাবানই যথেষ্ট কার্যকর। ঘন ঘন জীবাণুনাশক পদার্থ, যেমন ডেটল, স্যাভলন, স্পিরিট ইত্যাদি ব্যবহার করা ঠিক নয়। এগুলো ত্বকের জন্যে ক্ষতিকর হতে পারে।

হাত ধোয়ার আবশ্যিক ৪টি ধাপ:
প্রথম ধাপ: প্রথমে পরিষ্কার পানি দিয়ে হাত ভিজিয়ে সাবান লাগানো।
দ্বিতীয় ধাপ: ভেজা হাতের পুরোটায় ভালোভাবে সাবান মাখানো।
তৃতীয় ধাপ: অন্তত ২০ সেকেন্ড হাতের সামনের ও পেছন ভাগ, আঙুলগুলোর মধ্যে ও নখের নিচের অংশ কব্জি পর্যন্ত দুই হাতে ভালোভাবে ঘষা।
এবং চতুর্থ ধাপ: প্রবাহমান পরিষ্কার পানি দিয়ে পুরো হাত ভালোভাবে কচলে ধুয়ে নেয়া।

সূত্র: সংগৃহীত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *