একজন ধার্মিক ব্যক্তির জীবনযাপনে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতা গভীরভাবে প্রোথিত থাকে। ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম, হিন্দুধর্ম, বৌদ্ধধর্ম প্রায় সকল প্রধান ধর্মই স্বাস্থ্য, আত্মসংযম এবং দেহের প্রতি দায়িত্বশীলতা শিক্ষা দেয়।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণে ধূমপান
ইসলামে: অনেক ইসলামিক পণ্ডিত ধূমপানকে “মাকরুহ” বা অপছন্দনীয়乃至 “হারাম” বা নিষিদ্ধ বিবেচনা করেন, কারণ এটি স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে, অর্থের অপচয় হয় এবং এটি ক্ষতিকর অভ্যাস।
খ্রিস্টধর্মে: বাইবেলে বলা হয়েছে, “তোমাদের দেহ পবিত্র আত্মার মন্দির” (১ করিন্থীয় ৬:১৯-২০)। দেহের প্রতি অযত্নকে অনেক খ্রিস্টান ধর্মতত্ত্ববিদ পাপ হিসেবে বিবেচনা করেন।
হিন্দুধর্মে: দেহকে আত্মার বাহন হিসেবে সম্মান করা হয়। অহিংসার নীতি ও সাত্ত্বিক জীবনযাপনে ধূমপানের স্থান নেই।
বৌদ্ধধর্মে: পঞ্চশীলের নীতিমালায় নেশাদ্রব্য পরিহারের শিক্ষা রয়েছে, যা মননের স্বচ্ছতাকে বাধাগ্রস্ত করে।
ধার্মিকতার সার্বিক দৃষ্টিভঙ্গি
একজন সত্যিকারের ধার্মিক শুধু আনুষ্ঠানিক উপাসনায় সীমাবদ্ধ থাকেন না, বরং তার সমগ্র জীবনযাপন, অভ্যাস এবং দৈনন্দিন নির্বাচনে ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিফলিত হয়। এই দৃষ্টিকোণ থেকে:
১. দেহের আমানত: ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী দেহ ঈশ্বর/সৃষ্টিকর্তার দান বা আমানত। এর ক্ষতি করা সেই আমানতে খিয়ানত।
২. অর্থের সদ্ব্যবহার: ধূমপানে বিপুল অর্থ ব্যয় হয় যা দান, পরিবারের প্রয়োজনে বা সামাজিক কল্যাণে বিনিয়োগ করা যেত।
৩. পরিবেশ ও সমাজের প্রতি দায়: পরোক্ষ ধূমপান দ্বারা অন্যের ক্ষতি করা নৈতিকভাবে অনুতাপের বিষয়।
৪. আত্মসংযম: ধার্মিক জীবন আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সংযমের জীবন। ধূমপান এই সংযমকে দুর্বল করে।
সমন্বয় সাধনের পথ
যারা ধর্ম বিশ্বাসী কিন্তু ধূমপানে আসক্ত, তারা ধীরে ধীরে এই অভ্যাস ত্যাগ করার মাধ্যমে তাদের বিশ্বাস ও কর্মের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে পারেন। ধর্মীয় সম্প্রদায়গুলি ধূমপানমুক্ত জীবনযাপনে সহায়তা ও অনুপ্রেরণা দিতে পারে।
ইসলামে তামাক কেন হারাম?
তামাক আগ্রাসন থেকে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে বাঁচানোর পথটা কী? তরুণ প্রজন্মকে বাঁচানোর আগে আগ্রাসনটা কী এটা আমাদেরকে বুঝতে হবে। এবং কাজটা কত গুরুত্বপূর্ণ আমাদের বাঁচার জন্যে, আমাদের উত্তরণের জন্যে, আমাদের এগিয়ে যাওয়ার জন্যে সেটা আমাদেরকে বুঝতে হবে।
আপনি ধরুন ধূমপান, ধূমপানটা একজন মনে করতে পারেন যে এটা ব্যক্তিগত ব্যাপার। ব্যক্তি তা করে মরবে না বাঁচবে না কী এটা ব্যক্তির ওপরে। আমরা যদি ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখি, ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখি, জিনিসটা কিন্তু খুব সিম্পল।
ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম এবং হালালের যে বিধান, এই বিধানের মৌলিক পয়েন্ট হচ্ছে এটা ব্যক্তির জন্যে কল্যাণকর না অকল্যাণকর? একজন মানুষের জন্যে ক্ষতিকর যে-কোনো কাজ এটা হচ্ছে নিষিদ্ধ। এবং নিষিদ্ধের মাত্রাটা হচ্ছে দুই ধরনের। এক হচ্ছে হারাম। আরেকটা হচ্ছে মাকরু।
এই ব্যাপারে শায়েখ ইউসুফ আল-কারযাভীর বক্তব্য কী?
তো এখন ধূমপান এই ব্যাপারে আল আজহারের ফতোয়া অনেক আগের। এখন থেকে ২০ বছর আগে ফতোয়া প্রকাশ করেছিলেন যে, ডাব্লিউএইচও, ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের রিজনাল সেন্টার কায়রো থেকে। এবং সেটা প্রকাশিত হয়েছে দু’হাজার তিন সালে। এবং তারা ১০ জনের ফতোয়া প্রকাশ করেছেন। ১০ জনের মধ্যে আট জন ফতোয়া দিয়েছেন এটা হারাম। আর দুইজন হচ্ছে নিয়ারলি হারাম আরকি। হারামের কাছাকাছি।
এবং এই ব্যাপারে শায়েখ ইউসুফ আল-কারযাভী। ওনার বক্তব্য হচ্ছে অন সাচ মেটার্স হোয়েন ডক্টরস সে দেটস সামথিং ইন সার্টেনলি হার্মফুল। যখন ডাক্তাররা বলেন কোনোকিছু স্বাস্থ্যের জন্যে নিশ্চিতভাবে ক্ষতিকর, ইসলামিক স্কলারস হ্যাভ নো অপশন বা টু প্রনাউনস ইট এজ ফর বিডেন। আলেমদের ওটাকে হারাম হিসেবে ঘোষণা না করে থাকার কোনো উপায় নাই। ধর্মীয় দিক থেকে এটা হচ্ছে দৃষ্টিভঙ্গি। অর্থাৎ এটা হচ্ছে হারাম।
এখন যদি আমরা মানবিক দিক থেকে ধরি। কোয়ান্টামের দিক থেকে ধরি তাহলে কী হচ্ছে? ধূমপান এটা আত্মহননের সমান। একজন ব্যক্তির নিজের স্বাস্থ্যের জন্যে এটা ক্ষতিকর। এবং ২৫টি মরণব্যাধির উৎস হিসেবে কাজ করছে এই সিগারেট, ধূমপান আরকি।
এবং যতরকম আসক্তি আছে, ধূমপানটা কিন্তু হচ্ছে শুরু। সিগারেট হচ্ছে শুরু। এরপরে গাঁজা। এই যে গাঁজা সম্পর্কে তো কথাই আছে- এক সিলিমে যেমন তেমন, দুই সিলিমে মজা, তিন সিলিমে উজির নাজির, চার সিলিমে রাজা। এটা তো আমাদের ছড়া আছে। তো আসলে এই গাঁজার শুরু হচ্ছে সিগারেট থেকে এবং সমস্ত মাদকের শুরু হচ্ছে সিগারেট থেকে।
মদ-মাদক ও নেশাকারক দ্রব্যের ব্যাপারে হাদীস শরীফ বাংলা মর্মবাণীতে যা সংরক্ষিত আছে…
আর ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গিটা মাদকের ব্যাপারে আরেকটু বলি। যেহেতু এটা হারাম বলা হয়েছে। মাদকের ব্যাপারে হাদীস শরীফ বাংলা মর্মবাণীতে আমাদের যে সংকলন সেখানে ৭০৭ থেকে ৭১২ নম্বর হাদীস ৭০৭ নম্বর আবদুল্লাহ ইবনে ওমর এবং আয়েশা (রা) বর্ণিত, মদ-মাদক ও নেশাকারক প্রতিটি দ্রব্যই হারাম।
৭০৯ নাম্বার হাদীস হচ্ছে, আনাস ইবনে মালেক বর্ণিত তিরমিজী শরীফে গ্রন্থিত। মদ প্রস্তুত বা মাদক প্রস্তুতকারী, মদ বা মাদক প্রস্তুতের পরামর্শদাতা, মদ বা মাদক বহনকারী, মদ বা মাদক পরিবেশনকারী, মদ বা মাদক সরবরাহকারী, মদ বা মাদক বিক্রেতা, মদ বা মাদকের মূল্য গ্রহণকারী, মদ বা মাদকের ক্রেতা, এবং মদ বা মাদক পান বা ব্যবহারকারী সবার ওপরই আল্লাহর অভিসম্পাত আল্লাহর লানত।
মদ বা মাদক পান বা ব্যবহারকারী সবার ওপরই আল্লাহর অভিসম্পাত বেশি কেন?
তো এটা যদি মদ বা মাদকের ব্যাপারে শুধু হয়, তো সিগারেটের ব্যাপারে কিন্তু এই লানতটা আরো বেশি। কেন? সিগারেট কিন্তু শুধু নিজের জন্যে ক্ষতিকর নয়, ধূমপান কিন্তু শুধু নিজের জন্যে ক্ষতিকর নয়। তার আপনজন, প্রিয়জনের জন্যে ক্ষতিকর। তার সন্তানের জন্যে ক্ষতিকর। তার স্ত্রীর জন্যে ক্ষতিকর। তার স্বামীর জন্যে ক্ষতিকর। কারণ এখন মহিলারাও সিগারেট পানে পিছিয়ে নাই এগিয়ে আছেন।
এবং অনেক তরুণ এখন তরুণীদের দেখে ইন্সপায়ার্ড ফিল করেন যে আমি কি পেছনে পড়ে গেলাম তাহলে? তাদের জন্যে ক্ষতিকর।
এবং সেকেন্ডারি আপনার ছেড়ে দেয়া ধোঁয়া কী হচ্ছে? আপনার হয়তো ছোট ছেলে আছে, আপনার হয়তো ছোট নাতি আছে, নাতনি আছে তাকে কী করছে? তাকে নিকোটোনাইজড করছে। তাকে অসুস্থ করে তুলছে।
আপনি শুধু নিজের ক্ষতি করছেন না। আপনি যে বলবেন যে এটা আমার ব্যক্তিগত চয়েজ বলার আসলে কোনো সুযোগ নাই। এটা আপনার ব্যক্তি পর্যায় থাকছে না। আপনার প্রিয়জনের ওপরে পড়ছে, সমাজের ওপরে পড়ছে।
চারপাশের যেখানে আপনি খাচ্ছেন সেখান থেকে ধোঁয়া যার নাক দিয়ে ঢুকছে তার ক্ষতি করছে এবং স্পেশালি মহিলাদের জন্যে। তাদের তো অসুস্থতা হচ্ছে, সন্তান প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে। এবং প্রজনন সংক্রান্ত জটিলতা আরকি। অসুস্থ সন্তান, অটিস্টিক সন্তান জন্ম নিচ্ছে। অর্থাৎ আপনি ধূমপান করে শুধু নিজের ক্ষতি করছেন না। আপনি আপনার চারপাশের মানুষের ক্ষতি করছেন।
এবং অন্যের ক্ষতির ব্যাপারে সবসময় মনে রাখবেন, আপনার নিজের ব্যাপারটা আল্লাহ মাফ করে দিতে পারেন। যে আল্লাহ নিজের ক্ষতি করেছি। কারো তো ক্ষতি করি নাই। কিন্তু অন্যের ক্ষতি সে ক্ষমা না করা পর্যন্ত আপনার কোনো ক্ষমা নাই। অতএব এটা আপনি অন্যের ক্ষতি করছেন।
সিগারেট বিক্রেতাও কি সমান অপরাধী?
যারা বলবেন যে আমরা তো, ধূমপান করি না। ধূমপান বিক্রি করি। সিগারেট তো খাই না। বিক্রি করি। আমি তো সিগারেট কোম্পানির অফিসে কাজ করি। এই ৭০৯ নাম্বার হাদীস অনুসারে আপনি সমান সমান সমানভাবে অপরাধী। অ্যা আপনি যত বড় পোস্টেই থাকেন না কেন। এবং পোস্ট অনুসারে অপরাধের পরিমাণ তত তত বাড়বে আরকি মানে। তত বাড়বে।
এইজন্যে জাতিগত ও স্বাস্থ্যগত ক্ষতি হচ্ছে
এবং তিন নাম্বার জাতীয় ক্ষতি। এক জাতির স্বাস্থ্যগত ক্ষতি। দুই হচ্ছে ভূমিগত ক্ষতি। তামাক চাষ, নীল চাষ এবং আফিম চাষের মতোই সমানভাবে ভূমির উর্বরতা নাশ করে। এবং এটা পরিকল্পিতভাবে করা হচ্ছে। যেখানে উর্বর ভূমি সেখানেই তামাক। তিন থেকে চার বছর, পঞ্চম বছরে কৃষকের সর্বনাশ। তাকে জমি বিক্রি করা ছাড়া উপায় নাই আরকি মানে। তো কৃষকের সর্বনাশ করছে। অর্থাৎ জাতির অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে।
সিগারেট হচ্ছে মানুষকে নেশাগ্রস্ত অমানুষ করে তোলে
এবং আপনি কী করছেন? আপনি লক্ষ কোটি টাকা পুড়িয়ে ছাই করে ফেলছেন। এবং এইভাবে আপনি যদি পুড়িয়ে ছাই করতে থাকেন তাহলে কী হবে? আমাদের এই স্বর্গভূমি এটা ছাইদানি হয়ে যাবে শেষ পর্যন্ত। আপনি পুড়িয়ে ছাই করছেন দেশের সম্পদ আর মুনাফা হিসেবে হাজার হাজার কোটি টাকা প্রতি বছর তারা নিয়ে যাচ্ছে এবং কর ফাঁকিসহ আরকি। কর ফাঁকি দিয়ে যে কত নিয়ে যাচ্ছে এবং এই নিয়ে যাওয়াতে যারা সহযোগিতা করছেন, যে কর্মকর্তারা তারাও কী করছেন? তারাও দেশের ক্ষতি করছেন।
এবং লাস্টলি অমানুষরা যেখানে সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দিচ্ছে, পশ্চিমা বিশ্বের তাদেরকে আমরা বলি যে অমানুষ। কারণ তাদের মানুষের প্রতি কোনো মমতা নাই। সেখানে আমরা যারা মানুষের প্রতি মমতা রয়েছে। সেই অমানুষদের ছেড়ে দেয়া অভ্যাস, আমরা কেন আয়ত্ত করব, আমরা কেন গ্রহণ করব? তাদের ফেলে দেয়া থুথু আমরা কেন চাঁটতে যাব? কারণ তাদের দেশে তারা বুঝতে পারছে যে, সিগারেট খেয়ে কী ক্ষতি হয়েছে তাদের।
এখন তারা ছাড়ছে। তারা সেখানে ট্যাক্স বসাচ্ছে এবং সিগারেটের দাম বাড়ছে। সিগারেটের ক্রেতা কমে যাচ্ছে। এবং আমাদের এখানে সিগারেটের ওপরে ট্যাক্স বাড়ানো যাবে না। বাড়াতে গেলেই অমুক অ্যাম্বাসেডারের চিঠি আসবে অ্যা যদি সাহায্য মানে সহযোগিতা পেতে চাও তাহলে কী করো? আমার কোম্পানি যাতে সফলভাবে ব্যবসা করতে পারে সেটা তোমাকে দেখতে হবে।
তো অতএব যেখানে তারা সিগারেট ছাড়ছে, এটার ক্ষতি বুঝতে পেরে সেখানে আমরা কেন সিগারেট ধরতে যাব? অর্থাৎ একজন মানুষ, মানবিক গুণ যার রয়েছে, একজন মানুষ, একজন ধার্মিক, এবং একজন দেশপ্রেমিক কখনো সিগারেট খেতে পারে না। কেন? সিগারেট খাওয়ার ফলে দেশের যে ক্ষতি, এই ক্ষতিটাই একজন দেশপ্রেমিক মানুষকে সিগারেট ছাড়তে উদ্বুদ্ধ করবে।
তো আমরা যেহেতু আমাদের দেশকে ভালবাসি। আমরা যেহেতু মানুষকে ভালবাসি। আমরা যেহেতু মানুষের সুস্থতাকে ভালবাসি। আমরা যেহেতু আমাদের সন্তানদের ভালবাসি। আমরা যেহেতু নতুন প্রজন্মকে ভালবাসি। আমরা যেহেতু চাই যে নতুন প্রজন্ম আমাদের স্বপ্নের রূপকার হোক, যে স্বর্গভূমি বাংলাদেশের পুরোধা হোক তারা, এবং সেইজন্যে আমরা সিগারেটকে না বলছি আরকি। এবং এই না আমরা এখন থেকে বলতেই থাকব যে না সিগারেট না।
সিগারেট হচ্ছে মানুষকে নেশাগ্রস্ত অমানুষ করে তোলে এবং আমরা অমানুষ হতে চাই না। আমরা দেশকে ভালবাসতে চাই। আমরা ধার্মিক থাকতে চাই। এবং আমরা মানুষের কল্যাণ করতে চাই। মানুষের উপকার করতে চাই। এইজন্যেই আমরা সিগারেটকে না বলছি।
উপসংহার
ধর্ম কেবল উপাসনা বা আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি সামগ্রিক জীবনদর্শন। একজন ধার্মিক ব্যক্তির জীবনাচরণে এই সামগ্রিকতা প্রতিফলিত হওয়া উচিত। ধূমপান স্বাস্থ্য, অর্থ ও নৈতিকতার ক্ষতি করে বলে এটি ধার্মিক জীবনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। প্রকৃত ধার্মিকতা চর্চা করতে হলে দেহ, মন ও আত্মার সমন্বিত বিকাশের দিকে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন, যেখানে ধূমপানের মতো ক্ষতিকর অভ্যাসের কোন স্থান নেই।
আমরা নিজেরা সিগারেট খাব না। কাকে? স্রষ্টাকে ভালবেসে। দেশকে ভালবেসে। নিজের সন্তানকে ভালবেসে। নিজের প্রজন্মকে ভালবেসে এবং নিশ্চয়ই এটা এই সময়ের একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ হবে এই সিগারেটকে না বলা।
