অসুস্থতা কাটানোর উপায় কী?

শারীরিক অসুস্থতা কাটানোর উপায় কী? রাতে ঘুমের ওষুধ ছাড়া ঘুম হয় না। কিডনি প্রবলেম ডায়ালাইসিস থেকে রেহায়ের উপায় কী? যতদিন বাঁচি কীভাবে সুস্থভাবে বাঁচা যায়? কর্মব্যস্ততা বাড়ানোর উপায় কী?

কাজ করাই কর্মব্যস্ত থাকার সহজ উপায়

এক হচ্ছে- কর্মব্যস্ততা বাড়ানোর উপায় খুব সহজ- কাজ করতে হবে। কিচ্ছু কাজ নাই তো হাঁটেন। হাঁটতে তো কারো পারমিশন লাগে না। আচ্ছা বেশি হাঁটতে পারেন না যতটুকু পারেন হাঁটেন বসেন আবার হাঁটেন বসেন আবার হাঁটেন বসেন। দরকার হলে চাল, ডাল একত্রে মিশান তারপরে বাছেন।

সুস্থভাবে বাঁচার বিজ্ঞানই হচ্ছে কোয়ান্টাম মেথড

আর যতদিন বাঁচি কীভাবে সুস্থভাবে বাঁচা যায়?

এই সুস্থভাবে বাঁচার বিজ্ঞানই হচ্ছে কোয়ান্টাম মেথড। আমাদের পুরো জিনিসটাই হচ্ছে কীভাবে নিজেকে ভালো রাখবেন।

দেহ-মন-আত্মা কীভাবে ভালো রাখবেন। মানসিক স্বাস্থ্য কীভাবে ভালো রাখবেন, শারীরিক স্বাস্থ্য কীভাবে ভালো রাখবেন এবং পারিবারিক স্বাস্থ্য কীভাবে ভালো রাখবেন সামাজিক স্বাস্থ্য কীভাবে ভালো রাখবেন। কীভাবে ভালো থাকবেন- এটার জন্যে খুব সিম্পল ফর্মুলা হচ্ছে নিজের যত্ন নিতে হবে। বয়স অনুসারে যে বয়সে যেরকম যত্ন নেয়া দরকার।

নিজের যত্ন নিতে হবে যখন শরীর ভালো থাকে তখন থেকেই!

এখন ধরুন আপনার বয়স যদি ফরটি প্লাস হয় আপনি ইচ্ছে করলে টুয়েন্টি প্লাসের মতোন দৌড়ঝাঁপ করতে পারবেন না। হাঁ ফরটি প্লাসও আপনি দৌড়ঝাঁপ করতে পারবেন যদি আপনি টুয়েন্টি প্লাস থেকে শুরু করে থাকেন।

আমার খুব মায়া হয় যখন আমি দেখি যে প্রবীণ মানুষেরা সকালবেলা উঠে রমনা পার্কে হাঁটছে। খুব মায়া হয় এবং দোয়া করি আর বলি যে আল্লাহ এদের ছেলেমেয়েরা যেন ছোট বয়স থাকতে বয়সে এইরকম হাঁটতে পারে।

আমরা শরীরের যত্ন নেয়া শুরু করি কখন? যখন শরীর আর যত্ন চায় না। যত্নের প্রতি শরীরের ঘেন্না ধরে গেছে। তখন আমরা যত্ন নেয়া শুরু করি। যত্ন নিতে হবে তো যখন জিনিসটা ভালো আছে তখন থেকে।

তখন থেকে যত্ন নিলে একরকম আর জিনিসটা যদি ডেমেজ হয়ে যায় তখন যত্নটা আরেকরকম তখন যত্নটা খুব সযত্নে নিতে হয়।

নিজের যত্ন নিতে পারলেই অন্যের যত্ন নিতে পারবেন!

নিজেকে ভালবাসতে হবে যে, স্রষ্টা আমাকে পৃথিবীতে কিছু গুণ দিয়ে পাঠিয়েছেন এই গুণগুলোকে কাজে লাগাতে হবে এবং এই গুণগুলোকে আমি কাজে লাগব। কখন কাজে লাগাতে পারবেন? যখন আপনি নিজেকে ভালবাসবেন। অন্যকে ভালবাসাতো পরের ব্যাপার।

যে নিজেকে ভালবাসতে পারে না সে কাউকে ভালবাসতে পারবে না। নিজের যত্ন যদি নিতে না পারেন তো অন্যের যত্ন আপনি নিতে পারবেন না। আপনি যত্ন নিতে জানেনই না। কারণ আপনি ভালো থাকলে আরেকজনের যত্ন নিতে পারবেন। আপনি যদি শারীরিক মানসিকভাবে ভালো না থাকেন তো আপনি যত্ন নিতে পারবেন না। আর শারীরিক মানসিকভাবে কখন ভালো থাকবেন যখন আপনি নিজের যত্ন নেবেন।

কিডনিতে হাত দেবেন, ফিল করবেন! কেন?

যে বয়স হোক যদি ২০ বছর বয়স হয় সেইভাবে যত্ন নেবেন। যদি ৫০ বছর বয়স হয় সেইভাবে যত্ন নেবেন যদি ৬০ ব্ছর বয়স হয় সেইভাবে যত্ন নেবেন। যত্ন নেয়া শুরু করেন এবং প্রত্যেকদিন নিজেকে বলবেন নিজের দিকে তাকাবেন নিজের হার্টে বুকে হাত দেবেন কিডনিতে হাত দেবেন। ফিল করবেন যে আপনি কিডনিকে স্পর্শ করছেন।

অনেককিছু আছে না যে হৃদয়কে স্পর্শ করে চলে যায়। সেরকম কিডনি যাতে ফিল করে যে আপনি কিডনির কথা চিন্তা করে হাতটা পিঠে রাখেন কিডনি যেখানে আছে সেখানে রাখেন ফিল করেন যে কিডনি তোর তো যত্ন নিই নাই যত্ন ছাড়াই এত বছর সার্ভিস দিয়েছিস এখন তোর কথা খুব মনে হচ্ছে। যত্ন না নিয়ে ভুল করেছি এখন তোর জন্যে দোয়া করি তোকে ফিল করি।

অর্থাৎ শরীরের কোনো অঙ্গে সমস্যা মানে শরীরের ঐ অঙ্গটা আপনার মনোযোগ চাচ্ছে। হাঁটুতে ব্যথা কারণ ঐ অঙ্গে যে সমস্যা সে মনোযোগ চাচ্ছে আর কিচ্ছু না। বা

চ্চা কাঁদে কেন? সে মনোযোগ চায়। মা তাকে যখন দেখে না চিৎকার দিচ্ছে। চিৎকার দিয়ে কি, মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা। অনেক বাচ্চা দুষ্টামি করে কী জন্যে, যাতে আপনি তার দিকে খেয়াল করেন। আপনি খেয়াল করেছেন দুষ্টামি নাই।

ঘুমের প্রতি মনোযোগ দেন। ঘুম তুই কত ভালো। অর্থাৎ ঘুমটাকে একটা পজিটিভ চিন্তা করবেন। যে ঘুম আসা দরকার তুই আয়। কী বলেন, ঘুম আসবে না। যত বয়স হোক ঐ বয়সের মানুষ কি ঘুমায় না। তো আপনার কেন ঘুম আসবে না?

অর্থাৎ মনোযোগ দিতে হবে চাইতে হবে জিনিসটা যে না আমি চাচ্ছি এবং ঘুম তখন আসবে যখন আপনি ফিজিক্যালি একটিভ থাকবেন। ফিজিক্যাল একটিভ না থাকলে ঘুম আসতে চাইবে না। অর্থাৎ ফিজিক্যালি আপনাকে ক্লান্ত হতে হবে। আপনার ঘুম আসবে।

কোনোকিছু এভয়েড করতে চাইলে কী করবেন?

এবং যদি কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলে কফিকে মনে করবেন এটার উদ্ভাবক হচ্ছে ছাগল আমি ছাগলের অনুসারী হতে চাই না।

অর্থাৎ যখন কোনোকিছু এভয়েড করতে চাইবেন তখন সেটাকে এমন অপছন্দনীয় জিনিসের সাথে ট্রেক করে দেবেন। অর্থাৎ যে ভাষায় আপনার ব্রেন বুঝবে সেই ভাষায় ব্রেনকে মেসেজটা দেবেন এবং ইনশাআল্লাহ হয়ে যাবে।

যখনই রাতে ঘুম আসবে না শিথিলায়ন-২ করুন!

আর নিয়মিত মেডিটেশন করবেন। যখনই রাতে ঘুম আসতে চাচ্ছে না শিথিলায়ন দুই। আরাম প্রক্রিয়া। আপনি ঐটা ছাড়েন ঘুমিয়ে পড়েন। দেখবেন যে ঘুম চলে আসছে। অর্থাৎ আপনার আসছে না এটা মনে করবেন না সবসময় বলবেন যে আমার ঘুম আসছে আমার ঘুম আসছে আমার ঘুম আগের চেয়ে ভালো। অর্থাৎ ব্রেন থেকে নেগেটিভ মেসেজটাকে বের করে দেবেন।

[প্রজ্ঞা জালালি, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫]